offSchoolবেটা

রসায়ন · অধ্যায় ৯

এসিড-ক্ষারক সমতা

SSC Chemistry Chapter 9

  • ২৮টি টপিক
  • ৬টি সিমুলেশন
  • ২০ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. পরিচিত অম্ল, ক্ষার ও লবণ

    পড়ে নাও

    অম্ল বা এসিড হলো এমন পদার্থ, যা পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন, H⁺, উৎপন্ন করে। এই আয়নের জন্য জলীয় দ্রবণ এসিডের ধর্ম দেখায় এবং নীল লিটমাসকে লাল করে। পরিচিত খাবারের টক স্বাদের সঙ্গে বিভিন্ন এসিডের সম্পর্ক আছে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. দলগত কাজ: পরিচিত পদার্থ থেকে অম্ল, ক্ষার ও লবণ শনাক্তকরণ (চুন, লেবুর রস, লবণ)

    পড়ে নাও

    লেবুর রস, চুনের পানি ও রান্নার লবণের দ্রবণ দেখতে কাছাকাছি হলেও তাদের রাসায়নিক প্রকৃতি আলাদা। নির্দেশক এমন পদার্থ, যার বর্ণের পরিবর্তন থেকে কোনো দ্রবণের এসিডিক বা ক্ষারীয় প্রকৃতি বোঝা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. অম্ল, ক্ষারক ও লবণের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য

    পড়ে নাও

    এসিডের রাসায়নিক ধর্ম তার জলীয় দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই শুষ্ক অক্সালিক এসিডের দানায় শুষ্ক নীল লিটমাসের রং না বদলালেও পানিতে দ্রবীভূত করলে নীল লিটমাস লাল হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. ক্ষারক ও ক্ষারের পার্থক্য

    পড়ে নাও

    ক্ষারক সাধারণত ধাতু বা ধাতুর মতো ক্রিয়াশীল মূলকের অক্সাইড ও হাইড্রোক্সাইড, যা এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষারের প্রভাব

    পড়ে নাও

    ক্ষয়কারী ধর্ম হলো রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো পদার্থের উপরিভাগ বা গঠন নষ্ট করার ক্ষমতা। এসিড ও ক্ষারের প্রভাব পদার্থভেদে আলাদা হয়। দ্রবণের ঘনমাত্রা এবং কতক্ষণ সংস্পর্শে আছে, তা-ও ক্ষতির পরিমাণে প্রভাব ফেলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. বাড়ির কাজ: লেবুর রস বা সিরকায় স্ট্যাপলার পিন রেখে পর্যবেক্ষণ

    পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষারের প্রভাব পরীক্ষা

    পড়ে নাও

    লেবুর রস বা সিরকায় স্ট্যাপলার পিন রেখে ধাতুর ওপর এসিডের প্রভাব দেখা যায়। লেবুর রসে সাইট্রিক এসিড এবং সিরকায় ইথানোয়িক বা অ্যাসিটিক এসিড থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. অম্ল ও ক্ষারের প্রভাবের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    এসিড ও ক্ষারের প্রভাবের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বলতে তাদের ব্যবহারে উপকরণ, শ্রম ও অর্থের সাশ্রয় এবং ভুল ব্যবহারে হওয়া ক্ষতি বোঝায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. অধিক মাত্রার এসিডিক ও ক্ষারীয় পদার্থ ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব

    পড়ে নাও

    গাঢ় এসিড ও গাঢ় ক্ষার অত্যন্ত ক্ষয়কারী হওয়ায় দেহ ও ব্যবহার্য পদার্থের ক্ষতি করতে পারে। সালফিউরিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিড এবং সোডিয়াম ও পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইডের মতো রাসায়নিক ব্যবহারে তাই সতর্কতা দরকার।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. pH ও pH স্কেলের ধারণা

    পড়ে নাও

    pH হলো জলীয় দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম। এর সাহায্যে দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ, তা বোঝা যায়। লেখার সময় ছোট হাতের p ও বড় হাতের H ব্যবহার করতে হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  10. pH পরিমাপের গুরুত্ব: কৃষি জমির মাটির pH ও সার নির্বাচন

    পড়ে নাও

    মাটির pH মাটি কতটা এসিডিক বা ক্ষারীয়, তা বোঝায়। গাছ মাটি থেকে পানি ও বিভিন্ন আয়ন গ্রহণ করে পুষ্টি পায়। মাটির এসিডিক বা ক্ষারীয় অবস্থা এই পুষ্টি গ্রহণে প্রভাব ফেলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  11. প্রশমন বিক্রিয়ার গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    প্রশমন বিক্রিয়া হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া। এতে বিক্রিয়ায় অংশ নেওয়া এসিড ও ক্ষারক তাদের নিজস্ব ধর্ম হারায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  12. মৌমাছি বা পিঁপড়ার কামড়ে চুন এবং অতিরিক্ত এসিডিটিতে অ্যান্টাসিডের ব্যবহার

    দৈনন্দিন জীবনে অম্ল ও ক্ষার প্রশমনের ভূমিকা

    পড়ে নাও

    প্রশমন হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় অম্লত্ব ও ক্ষারত্ব কমে যাওয়ার প্রক্রিয়া। দৈনন্দিন জীবনে অম্লীয় পদার্থের প্রভাব বোঝাতে পিঁপড়ার কামড়ের উদাহরণ ব্যবহার করা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  13. এসিড বৃষ্টি

    পড়ে নাও

    এসিড বৃষ্টি হলো বায়ুর বিভিন্ন এসিড উৎপাদনকারী অক্সাইড পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করার ফলে অম্লীয় হয়ে পড়া বৃষ্টি। স্বাভাবিক বৃষ্টির পানিও কিছুটা অম্লীয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  14. পাথর বা টিস্যু পেপারের উপর এসিডের প্রভাব পর্যবেক্ষণ

    এসিড বৃষ্টির কারণ · এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব

    পড়ে নাও

    মার্বেল বা চুনাপাথরের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, যা এসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে। এই বিক্রিয়া পাথরের ক্ষয় এবং গ্যাসের বুদ্‌বুদ দেখে বোঝা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  15. বাড়ির কাজ: এসিড বৃষ্টির কারণ ও প্রতিরোধের উপায় চিহ্নিতকরণ

    এসিড বৃষ্টি রোধের উপায়

    পড়ে নাও

    এসিড বৃষ্টি প্রতিরোধের কাজ শুরু হয় এসিড উৎপাদনকারী গ্যাসের উৎস চেনার মাধ্যমে। নির্গমন বলতে কোনো উৎস থেকে গ্যাস বা অন্য পদার্থ পরিবেশে বেরিয়ে আসাকে বোঝায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  16. পানি চক্র

    পড়ে নাও

    পানি চক্র হলো প্রকৃতিতে জলাশয়, বায়ুমণ্ডল, ভূমি ও জীবজগতের মধ্যে পানির অবিরাম চলাচল। এই চলাচলে পানি কখনো তরল, কখনো বাষ্প, আবার কখনো বরফ অবস্থায় থাকে। একই পানি বিভিন্ন পথে ঘুরে আবার জলাশয়ে ফিরতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  17. দলগত কাজ: সমুদ্র, মানুষ, উদ্ভিদ ও প্রাণী নিয়ে পানি চক্রের চার্ট

    পড়ে নাও

    পানি চক্রের চার্টের উদ্দেশ্য হলো সমুদ্র, বায়ুমণ্ডল, ভূমি এবং জীবজগতের মধ্যে পানির সম্পর্ক দেখানো। চার্ট হলো ছবি, নাম ও তিরচিহ্ন দিয়ে কোনো প্রক্রিয়ার ধাপ এবং তাদের সংযোগ প্রকাশের উপায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  18. পানির খরতা

    খরতা দূরীকরণ · খর পানির অসুবিধা · খর পানি ব্যবহারে আর্থিক ক্ষতি

    পড়ে নাও

    পানির খরতা হলো পানির এমন ধর্ম, যার কারণে সাবান সহজে ফেনা তৈরি করতে ও ময়লা পরিষ্কার করতে পারে না। দ্রবীভূত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণ এর প্রধান কারণ। আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজের লবণও খরতা সৃষ্টি করতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  19. দূষিত পানির বাস্তব চিত্র

    পড়ে নাও

    দূষিত পানি হলো এমন পানি, যাতে অবাঞ্ছিত বা ক্ষতিকর পদার্থ মিশে তার স্বাভাবিক গুণাগুণ ও ব্যবহারযোগ্যতা নষ্ট হয়েছে। বিশুদ্ধ পানি বর্ণহীন, গন্ধহীন ও স্বচ্ছ। কিন্তু দূষিত পানি সব সময় ঘোলা বা দুর্গন্ধযুক্ত হয় না।

    পুরো টপিক পড়ো →

  20. পানি দূষণ

    পানির আর্সেনিক দূষণ · অন্যান্য দূষণ

    পড়ে নাও

    পানি দূষণ হলো পানিতে এমন পদার্থের প্রবেশ বা সঞ্চয়, যা পানিকে জীবজগতের জন্য ক্ষতিকর বা ব্যবহারের অনুপযোগী করে। মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদের দেহের বড় অংশ পানি। তাই ভূপৃষ্ঠের পানি ও ভূগর্ভস্থ পানি—দুটির দূষণই গুরুত্বপূর্ণ।

    পুরো টপিক পড়ো →

  21. আর্সেনিক আক্রান্ত ব্যক্তির ছবি নিয়ে আলোচনা

    পানিকে দূষণমুক্ত রাখার উপায় · নিরাপদ পানির গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    আর্সেনিক দূষণ হলো পানিতে বিষাক্ত আর্সেনিকের উপস্থিতি। দীর্ঘদিন এমন পানি পান করলে আর্সেনিকোসিস বা আর্সেনিকজনিত বিষক্রিয়া হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির ছবিতে ত্বকের কালো দাগ, পুরু হয়ে যাওয়া অংশ বা ঘা দেখা যেতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  22. বাড়ির কাজ: নিকটতম জলাশয়ের পানি দূষণের কারণ অনুসন্ধান

    পড়ে নাও

    পানি দূষণ ঘটে যখন বর্জ্য বা ক্ষতিকর পদার্থ মিশে পানি জীবজগৎ ও নির্দিষ্ট ব্যবহারের জন্য অনুপযোগী করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  23. পানির প্রকৃতি নির্ণয়ে pH

    পড়ে নাও

    pH হলো পানির বা অন্য জলীয় দ্রবণের এসিডিক কিংবা ক্ষারীয় প্রকৃতি প্রকাশের একটি মান। এটি দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা বাড়লে pH কমে, আর কমলে pH বাড়ে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  24. দলগত কাজ: বিভিন্ন উৎসের পানির প্রকৃতি pH পেপার দিয়ে নির্ণয়

    পড়ে নাও

    pH পেপার পানির সংস্পর্শে রং বদলায়; সেই রং নির্দিষ্ট রং চার্টের সঙ্গে মিলিয়ে পানির আনুমানিক pH জানা যায়। এই দলগত কাজের উদ্দেশ্য বিভিন্ন উৎসের পানির এসিডিক, ক্ষারীয় বা নিরপেক্ষ প্রকৃতি নির্ণয় ও তুলনা করা।

    পুরো টপিক পড়ো →

  25. বিভিন্ন যৌগের দ্রবণের pH নির্ণয়

    পড়ে নাও

    বিভিন্ন যৌগের দ্রবণের pH নির্ণয় pH হলো কোনো দ্রবণে হাইড্রোজেন আয়নের (H⁺) ঘনমাত্রা পরিমাপের একটি স্কেল। এটি দেখায় দ্রবণটি কতটা এসিড বা ক্ষার ধর্মী। এই স্কেল 0 থেকে 14 পর্যন্ত হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  26. পদার্থের উপর অম্ল-ক্ষারের প্রভাব পরীক্ষা

    পড়ে নাও

    লিটমাস এমন একটি নির্দেশক, যার রং দেখে জলীয় দ্রবণের অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতি বোঝা যায়। আপেলের কুচি সামান্য পানি দিয়ে পিষে বিকারে নাও। এতে পাতিত পানি মিশিয়ে কাচদণ্ড দিয়ে নাড়ো।

    পুরো টপিক পড়ো →

  27. অম্ল ও ক্ষার ব্যবহারের পূর্বে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা

    পড়ে নাও

    ক্ষয়কারী পদার্থ সংস্পর্শে ত্বক, চোখ, কাপড় বা অন্য ব্যবহার্য জিনিসের ক্ষতি করতে পারে। এসিড ও ক্ষার, বিশেষ করে গাঢ় দ্রবণ, ব্যবহারের আগে তাই সুরক্ষার ব্যবস্থা নিতে হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  28. এসিড সন্ত্রাসের ভয়াবহতা নিয়ে পোস্টার

    পড়ে নাও

    এসিড সন্ত্রাস হলো কাউকে আঘাত বা বিকৃত করার উদ্দেশ্যে এসিড ব্যবহার করে হামলা চালানো। এটি একটি নৃশংস অপরাধ। এসিডের ক্ষয়কারী ধর্মের কারণে ত্বক ও অন্যান্য দেহকোষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • অম্ল, ক্ষার ও লবণের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পরিচিত পরিবেশের পদার্থগুলোর মধ্য থেকে অম্ল, ক্ষার ও লবণকে শনাক্ত করতে পারবে।
  • ক্ষারক ও ক্ষার জাতীয় পদার্থের পার্থক্য করতে পারবে।
  • ব্যবহার্য পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষারের প্রভাব বর্ণনা করতে পারবে।
  • গৃহস্থালি পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষার জাতীয দ্রব্যের প্রভাবের আর্থিক গুরুত্ব মূল্যায়ন করতে পারবে।
  • pH এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • pH পরিমাপের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অম্ল-ক্ষার সমতার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবে।
  • এসিড বৃষ্টির কারণ, ক্ষতিকর দিকসমূহ এবং তা থেকে রক্ষার উপায় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পানিচক্র ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পানির খরতা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • খর পানি ব্যবহারে সুবিধাসমূহ উল্লেখ করতে পারবে।
  • খর পানি ব্যবহারে আর্থিক ক্ষতি ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পানি দূষণের কারণ ও পরিশোধনের উপায়সমূহ বর্ণনা করতে পারবে।
  • আর্সেনিকযুক্ত পানি পানের ক্ষতিকর দিক উল্লেখ করতে পারবে।
  • pH পরিমাপের মাধ্যমে গৃহের/ ল্যাবের/লবণাক্ত পানির প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারবে।
  • যৌগসমূহের দ্রবণের pH মান নির্ণয় করে বা লিটমাস বা ইউনিভার্সাল ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে যৌগের প্রকৃতি তুলনা (এসিড, ক্ষার) করতে পারবে।
  • ব্যবহার্য পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষারের প্রভাব পরীক্ষার মাধ্যমে দেখাতে পারবে।
  • অম্ল ও ক্ষার জাতীয় পদার্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
  • দূষণমুক্ত পানি ব্যবহারে আগ্রহ প্রদর্শন করবে।
  • এসিড সন্ত্রাসের ভয়াবহ দিক সম্পর্কে সচেতনতার পরিচয় দিবে এবং অন্যদেরকে সচেতন করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • লগারিদমিক pH স্কেল ও এসিড বৃষ্টি
    pH=−log⁡10[H+]\text{pH} = -\log_{10}[\text{H}^+]
    সিমুলেশনে দেখো →
  • নির্দেশক দিয়ে এসিড, ক্ষারক ও লবণ শনাক্ত করা
    pH<7:acidpH=7:neutralpH>7:base\text{pH} < 7: \text{acid} \qquad \text{pH} = 7: \text{neutral} \qquad \text{pH} > 7: \text{base}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • এসিড ও ক্ষারের রাসায়নিক ধর্ম: ধাতু, কার্বনেট ও অন্যান্য বস্তুর উপর প্রভাব
    Fe+2H+→Fe2++H2↑2Al+2NaOH+2H2O→2NaAlO2+3H2↑\text{Fe} + 2\text{H}^+ \rightarrow \text{Fe}^{2+} + \text{H}_2\uparrow \qquad 2\text{Al} + 2\text{NaOH} + 2\text{H}_2\text{O} \rightarrow 2\text{NaAlO}_2 + 3\text{H}_2\uparrow
    সিমুলেশনে দেখো →
  • প্রশমন বিক্রিয়া ও নিরপেক্ষ দ্রবণের pH
    pH=−log⁡10[H+]=7\text{pH} = -\log_{10}[\text{H}^+] = 7
    সিমুলেশনে দেখো →
  • পানির খরতা: অস্থায়ী ও স্থায়ী খরতা এবং খরতা দূর করার উপায়
    Ca(HCO3)2→ΔCaCO3↓+H2O+CO2CaSO4+Na2CO3→CaCO3↓+Na2SO4\text{Ca(HCO}_3)_2 \xrightarrow{\Delta} \text{CaCO}_3\downarrow + \text{H}_2\text{O} + \text{CO}_2 \qquad \text{CaSO}_4 + \text{Na}_2\text{CO}_3 \rightarrow \text{CaCO}_3\downarrow + \text{Na}_2\text{SO}_4
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার একজন বাণিজ্যিক মাছ চাষি রফিকুল ইসলাম তাঁর খামারের দুটি পুকুরের পানির গুণাগুণ পরীক্ষার জন্য উপজেলা মৎস্য গবেষণাগারে নমুনা নিয়ে যান। ল্যাব কর্মকর্তা ডিজিটাল pH মিটার ব্যবহার করে দেখলেন:

  • ১ম পুকুরের পানির pH = ৪.০
  • ২য় পুকুরের পানির pH = ৭.৫ রফিকুল ইসলাম ১ম পুকুরের অম্লত্ব দূর করে মাছ চাষের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি শতকে নির্দিষ্ট হারে চুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
  1. ক

    pH কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    কোনো জলীয় দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়নের মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ওই দ্রবণের pH বলে (অর্থাৎ pH = −log₁₀[H⁺])।

  2. খ

    কৃষি জমির মাটির pH মান ৩ এর নিচে নেমে গেলে ফসল উৎপাদনের কী ধরনের ক্ষতি হয়? ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    মাটির pH মান ৩ এর নিচে নেমে গেলে মাটি অত্যন্ত অম্লীয় হয়ে পড়ে। এর ফলে মাটিতে ফসলের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপকারী অণুজীব ও নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায় এবং ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাসের মতো অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো উদ্ভিদের গ্রহণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ ফসলের শিকড়ের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং ফলন মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

  3. গ

    উদ্দীপকের ১ম পুকুরের পানিতে হাইড্রোজেন আয়নের মোলার ঘনমাত্রা [H⁺] নির্ণয় করো এবং আদর্শ নিরপেক্ষ পানির হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার সাথে এর অনুপাত বের করো।

    উত্তর দেখাও

    ১. ১ম পুকুরের পানিতে [H⁺] নির্ণয়: আমরা জানি, pH = −log₁₀[H⁺] বা, [H⁺] = ১০⁻ᵖᴴ mol/L উদ্দীপকে ১ম পুকুরের পানির pH = ৪.০। অতএব, ১ম পুকুরের পানিতে [H⁺] = ১০⁻⁴ mol/L = ০.০০০১ mol/L।

    ২. নিরপেক্ষ পানির [H⁺] নির্ণয়: আদর্শ নিরপেক্ষ পানির pH = ৭.০। অতএব, নিরপেক্ষ পানিতে [H⁺] = ১০⁻⁷ mol/L।

    ৩. ঘনমাত্রার অনুপাত নির্ণয়: ১ম পুকুরের [H⁺] ও নিরপেক্ষ পানির [H⁺] এর অনুপাত = ১০⁻⁴ ⁄ ১০⁻⁷ = ১০⁽⁻⁴ ⁺ ⁷⁾ = ১০³ = ১,০০০।

    সুতরাং, ১ম পুকুরের পানিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রা আদর্শ নিরপেক্ষ পানির ঘনমাত্রার চেয়ে ১,০০০ গুণ বেশি।

  4. ঘ

    ১ম পুকুরে রফিকুল ইসলামের চুন (CaO) প্রয়োগের সিদ্ধান্তটি মৎস্য উৎপাদন ও রাসায়নিক পরিবর্তনের আলোকে কতটা যুক্তিযুক্ত ছিল? সমীকরণসহ বিশ্লেষণ করো।

    উত্তর দেখাও

    ১ম পুকুরে রফিকুল ইসলামের চুন (CaO) প্রয়োগের সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ও বিজ্ঞানসম্মত ছিল। নিচে এর কারণ ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:

    ১. অম্লীয় পানির বিরূপ প্রভাব: মাছের সুস্থ বেঁচে থাকা ও দ্রুত বৃদ্ধির জন্য পানির অনুকূল pH হলো ৬.৫ থেকে ৮.৫ (উদ্দীপকের ২য় পুকুরের pH ৭.৫ যা আদর্শ)। কিন্তু ১ম পুকুরের পানির pH মাত্র ৪.০, যা অত্যন্ত অম্লীয়। অতিরিক্ত অম্লীয় পানিতে মাছের রক্তে অ্যাসিডোসিস ঘটে, ফুলকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং প্রাকৃতিক খাদ্য প্লাঙ্কটনের উৎপাদন বন্ধ হয়ে মাছের মৃত্যু ঘটতে পারে।

    ২. চুনের রাসায়নিক ক্রিয়া: পুকুরে পোড়াচুন বা ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) প্রয়োগ করলে তা পানির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Ca(OH)₂] উৎপন্ন করে: CaO + H₂O → Ca(OH)₂

    ৩. প্রশমন বিক্রিয়া ও pH নিয়ন্ত্রণ: উৎপন্ন Ca(OH)₂ একটি তীব্র ক্ষারকীয় পদার্থ হওয়ায় তা পানিতে বিয়োজিত হয়ে হাইড্রোক্সাইড (OH⁻) আয়ন দেয়। এই OH⁻ আয়ন পুকুরের অম্লীয় H⁺ আয়নের সাথে প্রশমন বিক্রিয়া ঘটিয়ে পানি উৎপন্ন করে: Ca(OH)₂ + 2H⁺ → Ca²⁺ + 2H₂O এর ফলে পানির অতিরিক্ত H⁺ প্রশমিত হয়ে পানির pH দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে মাছের জন্য অনুকূল নিরপেক্ষ মাত্রায় (৭–৮) ফিরে আসে।

    ৪. অতিরিক্ত পরিবেশগত সুবিধা: চুন প্রয়োগের ফলে মুক্ত হওয়া ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca²⁺) মাছের হাড় ও আঁশ গঠনে সহায়ক এবং তা তলানির বিষাক্ত গ্যাস ও অম্লকে নিষ্ক্রিয় করে খামারের পরিবেশ সুস্থ রাখে।

    অতএব, ১ম পুকুরের পানির অম্লত্ব কমিয়ে মাছের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে রফিকুল ইসলামের চুন প্রয়োগের সিদ্ধান্তটি সময়োপযোগী ও সম্পূর্ণ সঠিক ছিল।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →