ক্ষারক কী?
যে পদার্থ এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি তৈরি করে, তা ক্ষারক। ক্ষারক সাধারণত ধাতুর অক্সাইড বা হাইড্রক্সাইড:
কপার অক্সাইড () বা ফেরিক হাইড্রক্সাইড () এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে বলে ক্ষারক, কিন্তু এরা পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
ক্ষার কী?
যে ক্ষারক পানিতে দ্রবণীয়, তাকে ক্ষার বলে। সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড আর কলিচুন দুটিই ক্ষার; এদের দ্রবণ, যেমন পোড়া চুন () পানিতে দিলে যে চুনের পানি তৈরি হয়, ক্ষারীয়। ক্ষার পানিতে হাইড্রক্সাইড আয়ন () দেয়, তাই লাল লিটমাসকে নীল করে।
একটি উদাহরণে দুটি
পোড়া চুন () একটি ক্ষারক। একে পানিতে দিলে কলিচুন বা ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড হয়, যা পানিতে কিছুটা দ্রবণীয় বলে একটি ক্ষার; এর পরিষ্কার জলীয় দ্রবণই চুনের পানি। কিন্তু কপার অক্সাইড পানিতে দিলে দ্রবীভূত হয় না, তাই এটি ক্ষারক হয়েও কখনো ক্ষার হয় না।
মিল কোথায়
- দুটিই এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি তৈরি করে (প্রশমন)।
- দুটিই সাধারণত ধাতুর অক্সাইড বা হাইড্রক্সাইড থেকে আসে।
সাধারণ ভুল
- "সব ক্ষারক ক্ষার" লেখা। উল্টোটা সত্য: সব ক্ষার ক্ষারক, কিন্তু অদ্রবণীয় ক্ষারক ক্ষার নয়।
- ক্ষার আর ক্ষারক শব্দ একই অর্থে ব্যবহার করা। পরীক্ষায় শব্দ দুটি আলাদা অর্থে লিখবে।