জীববিজ্ঞান
কোষ ও কোষ বিভাজন, জীবনীশক্তি, পরিপাক, পরিবহণ, শ্বসন, রেচন, সমন্বয়, প্রজনন, বংশগতি, পরিবেশ ও জীবপ্রযুক্তি — জীবনের প্রক্রিয়াগুলো ধাপে ধাপে।
- ১৪টি অধ্যায়
- ২৩৯টি টপিক
- ৫০টি সিমুলেশন
এই বিষয়ের কিছু সিমুলেশন
কোন দুটি জীব বেশি নিকটাত্মীয়?চালিয়ে দেখো
কোষ বিভাজন: পেঁয়াজের মূলের মাইটোসিস বনাম মিয়োসিসচালিয়ে দেখো
ধানের নিচের পাতা হলুদ কেন?চালিয়ে দেখো
অন্ধকারে পাতা কী ছাড়ে?চালিয়ে দেখো
নেফ্রনে রক্তের পরিস্রাবণ ও পুনঃশোষণচালিয়ে দেখো
ডগা ঢাকলে চারা কি আর জানালার দিকে বাঁকবে?চালিয়ে দেখো
সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ: ছেলে নাকি মেয়ে?চালিয়ে দেখো
উদ্ভিদ টিস্যু কালচার: এক্সপ্লান্ট থেকে অবিকল চারা উৎপাদনচালিয়ে দেখো
অধ্যায়ের মানচিত্র
- জীবনপাঠএই অধ্যায়ে জীববিজ্ঞান কী, এর শাখা কী কী এবং জীবের শ্রেণিবিন্যাস কেন ও কীভাবে করা হয় তা শেখা হবে। জীবের নাম ঠিকমতো জানা না থাকলে ডাক্তার, কৃষক বা বিজ্ঞানী কেউই ঠিক কাজ করতে পারে না—তাই এটি দৈনন্দিন জীবনেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।৮টি টপিক · ১টি সিমুলেশন · ৯ পিরিয়ড
- জীবকোষ ও টিস্যুএই অধ্যায়ে তুমি জীবকোষের ভিতরের অংশগুলো এবং কীভাবে একই রকম কোষ জুড়ে মিলে টিস্যু গঠন করে, সে সম্পর্কে শিখবে। কোষ ও টিস্যু না বুঝলে মানুষ বা গাছের শরীর কীভাবে কাজ করে, তা বোঝা যায় না—যেমন ত্বক কীভাবে রোদ থেকে রক্ষা করে বা গাছের ডাল কীভাবে ভার সামলায়।১৪টি টপিক · ৪টি সিমুলেশন · ১৭ পিরিয়ড
- কোষ বিভাজনএই অধ্যায়ে আমরা কোষ বিভাজনের ধারণা, প্রকারভেদ এবং মাইটোসিস ও মিয়োসিসের ভূমিকা শিখব। কোষ বিভাজন না হলে আমাদের দেহ বাড়ত না, ক্ষত শুকত না বা পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি হত না—এটি জীবনের মূল ভিত্তি।১০টি টপিক · ১টি সিমুলেশন · ১৩ পিরিয়ড
- জীবনীশক্তিএই অধ্যায়ে আমরা জীবের দেহে শক্তি কীভাবে উৎপাদিত, সঞ্চিত ও ব্যবহৃত হয় তা শিখব। সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলো কাজে লাগিয়ে খাদ্য তৈরি করে, আর সব জীব সেই খাদ্য ভাঙে শক্তি পাওয়ার জন্য। এই প্রক্রিয়া আমাদের রাইস কুকার, মোবাইল ফোনের ব্যাটারি বা রিকশাওয়ালার পায়ের শক্তির মতোই – শক্তি কোথা থেকে এল, কীভাবে কাজ করে, তা বোঝার মূল চাবিকাঠি।৯টি টপিক · ৩টি সিমুলেশন · ১৫ পিরিয়ড
- খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাকএই অধ্যায়ে আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণীর খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক প্রক্রিয়া নিয়ে শিখব। পুষ্টির উপাদান, তাদের অভাবজনিত রোগ, সুষম খাদ্য পিরামিড, শক্তির পরিমাপ এবং খাদ্য সংরক্ষণের বিষয়গুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত। এগুলো জানলে আমরা সুস্থ থাকতে পারব এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা ভালোভাবে করতে পারব।৪২টি টপিক · ৭টি সিমুলেশন · ২২ পিরিয়ড
- জীবে পরিবহণএই অধ্যায়ে উদ্ভিদ ও মানুষের দেহে পদার্থ পরিবহনের প্রক্রিয়া শেখা হয়। গাছে পানি ও খাদ্য কীভাবে চলাচল করে, আর মানুষের রক্ত কীভাবে অক্সিজেন, খাদ্য ও বর্জ্য নিয়ে ঘোরে—এসব বুঝতে পারলে রোগ-স্বাস্থ্য, গাছ চাষ বা রক্তদানের গুরুত্ব বোঝা যায়।৩৬টি টপিক · ৯টি সিমুলেশন · ৩০ পিরিয়ড
- গ্যাসীয় বিনিময়এই অধ্যায়ে উদ্ভিদ ও মানুষের গ্যাসীয় বিনিময় প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমরা কীভাবে শ্বাস নিই, ফুসফুসে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড কীভাবে বিনিময় হয়, আর কী কী রোগে শ্বসনতন্ত্র আক্রান্ত হয়—এসব বোঝা যাবে। এগুলো দৈনন্দিন জীবনে শ্বাস-প্রশ্বাস সম্পর্কে সচেতন হতে সাহায্য করে।১০টি টপিক · ২টি সিমুলেশন · ১১ পিরিয়ড
- রেচন প্রক্রিয়াএই অধ্যায়ে আমরা মানুষের রেচন প্রক্রিয়া এবং বৃক্কের ভূমিকা শিখব। রেচন হলো দেহের ক্ষতিকর বর্জ্য বের করে দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ থাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। বৃক্ক না কাজ করলে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না, তাই এর সুস্থতা রক্ষা করা খুব জরুরি।১৭টি টপিক · ২টি সিমুলেশন · ১৫ পিরিয়ড
- দৃঢ়তা প্রদান ও চলনএই অধ্যায়ে আমরা মানব কঙ্কাল এবং তার ভূমিকা সম্পর্কে জানব—কীভাবে এটি দেহকে দৃঢ়তা দেয়, আকৃতি দেয় এবং চলাফেরা সম্ভব করে তোলে। কঙ্কাল ও পেশির সঠিক যত্ন না নিলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে বা গিঁটে ব্যথা হয়, যা দৈনিক জীবনকে কষ্টকর করে তোলে।১৬টি টপিক · ১টি সিমুলেশন · ১৩ পিরিয়ড
- সমন্বয়এই অধ্যায়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহে বিভিন্ন ক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় কীভাবে ঘটে, তা শেখা হবে। আমাদের দৌড়ানো, ভাবনা, হাসা বা গাছের আলোর দিকে বাঁকা হওয়া—সবই সমন্বয়ের ফল। এটি জানা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর অস্বাভাবিকতা ডায়াবেটিস, স্ট্রোক বা মাদকের ক্ষতির মতো সমস্যা তৈরি করে।২৩টি টপিক · ৫টি সিমুলেশন · ১৫ পিরিয়ড
- জীবের প্রজননএই অধ্যায়ে জীবের প্রজনন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে—উদ্ভিদ ও প্রাণীর যৌন ও অযৌন প্রজনন, ফুলের গঠন, মানুষের প্রজনন ধাপ, হরমোনের ভূমিকা এবং এইডস রোগ সম্পর্কে। প্রজনন বোঝা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রজাতির অস্তিত্ব রক্ষা করে এবং মানুষের স্বাস্থ্য ও সমাজের সচেতনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।১৩টি টপিক · ২টি সিমুলেশন · ১৫ পিরিয়ড
- জীবের বংশগতি ও জৈব অভিব্যক্তিধান থেকে ধানগাছ, আম থেকে আমগাছ হয়, আবার সন্তান দেখতে অনেকটা বাবা-মায়ের মতো হয়। এ অধ্যায়ে জানবে বৈশিষ্ট্য কোন উপাদানের মাধ্যমে কীভাবে এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মে যায়, ডিএনএ টেস্ট কেন কাজে লাগে এবং বর্ণান্ধতা ও থ্যালাসেমিয়ার মতো বংশগত রোগ কীভাবে হয়। সঙ্গে জানবে জৈব অভিব্যক্তি ও প্রকৃতিগত নির্বাচনের মাধ্যমে জীব কীভাবে পরিবর্তিত হয়ে টিকে থাকে।২১টি টপিক · ৮টি সিমুলেশন · ১৪ পিরিয়ড
- জীবের পরিবেশএই অধ্যায়ে আমরা জীব ও তাদের পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক শিখব। বাস্তুতন্ত্রে উদ্ভিদ, প্রাণী, মাটি, পানি ও আলো কীভাবে একে অপরের সাথে জড়িত, তা বুঝব। দৈনন্দিন জীবনে, যেমন আমাদের বাড়ির পাশের পুকুর, ধানক্ষেত বা বাগানেও এই নিয়ম কাজ করে—একটি জীব নষ্ট হলে সারা ভারসাম্য নষ্ট হয়।১১টি টপিক · ৩টি সিমুলেশন · ১৫ পিরিয়ড
- জীবপ্রযুক্তিএই অধ্যায়ে জীবপ্রযুক্তি এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কীভাবে ফসল, পশু ও মানুষের জন্য উন্নত জীব তৈরি করা হয় তা শেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খাদ্য, চিকিৎসা ও পরিবেশ সংরক্ষণে বড় অবদান রয়েছে।৯টি টপিক · ২টি সিমুলেশন · ১২ পিরিয়ড