offSchoolবেটা

জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ১

জীবনপাঠ

SSC Biology Chapter 1

  • ৮টি টপিক
  • ১টি সিমুলেশন
  • ৯ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. জীববিজ্ঞানের ধারণা

    পড়ে নাও

    প্রকৃতিতে আমরা মোটা দাগে দুই ধরনের জিনিস দেখি: যাদের জীবন আছে তারা জীব, আর যাদের জীবন নেই সেগুলো জড়। জীবের জীবন ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত বিজ্ঞানের শাখাকে জীববিজ্ঞান বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. জীববিজ্ঞানের শাখাসমূহের পরিচিতি

    পড়ে নাও

    চারপাশে তাকালে জীবের দুটি ধরন সহজে চোখে পড়ে: উদ্ভিদ ও প্রাণী। তাই বহুদিন জীববিজ্ঞানকে দুটি শাখায় ভাগ করা হতো: উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান। কিন্তু ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকের মতো অনেক জীব উদ্ভিদ বা প্রাণী কোনোটিই নয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. জীবের শ্রেণিবিন্যাস

    পড়ে নাও

    আজ পর্যন্ত প্রায় চার লক্ষ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং তেরো লক্ষ প্রজাতির প্রাণীর নামকরণ ও বর্ণনা করা হয়েছে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. শ্রেণিবিন্যাসের ধারণা

    পড়ে নাও

    জীবের শ্রেণিবিন্যাসে কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপ বা একক ব্যবহার করা হয়, যাদের ট্যাক্সা বলে। সবচেয়ে বড়ো ধাপ রাজ্য (Kingdom) এবং সবচেয়ে ছোট ধাপ প্রজাতি (Species)।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. জীবের শ্রেণিবিন্যাসকরণ পদ্ধতি

    পড়ে নাও

    লিনিয়াসের সময় থেকে বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত সব জীবকে উদ্ভিদ ও প্রাণী, এই দুটি রাজ্যে ভাগ করা হতো।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. দ্বিপদ নামকরণ

    পড়ে নাও

    জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশে লেখার পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। প্রথম অংশটি গণ এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি নির্দেশ করে। নামকরণ আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত কিছু নিয়ম মেনে করা হয়: বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন ভাষায় হবে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. দ্বিপদ নামকরণের ধারণা

    পড়ে নাও

    একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশ জানায় প্রজাতিটি কোন গণের অন্তর্ভুক্ত, আর দ্বিতীয় অংশ ঐ গণের মধ্যে প্রজাতিটিকে আলাদা করে চেনায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. দ্বিপদ নামকরণের গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    একই জীবকে বিভিন্ন অঞ্চলে ও ভাষায় ভিন্ন নামে ডাকা হয়। ধানকে বাংলায় ধান আর ইংরেজিতে rice বলা হয়; আবার একই মাছ বা গাছ দেশের এক এলাকায় এক নামে, অন্য এলাকায় অন্য নামে পরিচিত হতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • জীববিজ্ঞানের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখাগুলো বর্ণনা করতে পারবে।
  • জীবের শ্রেণিবিন্যাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করতে পারবে।
  • জীবের শ্রেণিবিন্যাসকরণ পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারবে।
  • দ্বিপদ নামকরণের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বাস্তবজীবনে জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন হবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • শ্রেণিবিন্যাসের স্তরক্রম ও দ্বিপদ নামকরণ: অভিন্ন ধাপ যত বেশি, সম্পর্ক তত ঘনিষ্ঠ
    Kingdom→Phylum→Class→Order→Family→Genus→Species\text{Kingdom} \rightarrow \text{Phylum} \rightarrow \text{Class} \rightarrow \text{Order} \rightarrow \text{Family} \rightarrow \text{Genus} \rightarrow \text{Species}
    সিমুলেশনে দেখো →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

দিনাজপুরের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষকসহ বিদ্যালয়ের বাগান ও পাশের একটি পুকুর থেকে তিনটি জীব পর্যবেক্ষণ করল: জীব-P (এককোষী, পানিতে বাস করে, সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও ক্ষণপদ দ্বারা চলাফেরা করে), জীব-Q (বাগানের মাটিতে জন্মানো ছাতার মতো গঠনযুক্ত মৃতজীবী ছত্রাক যার দেহে ক্লোরোফিল নেই এবং কোষপ্রাচীর কাইটিন নির্মিত), এবং জীব-R (পুকুরের মিষ্টি পানিতে বাস করা আঁইশযুক্ত অস্থিময় রুই মাছ, যার দ্বিপদ বৈজ্ঞানিক নাম লেখার সময় এক শিক্ষার্থী খাতায় 'Labeo Rohita' লিখল)।

  1. ক

    আইসিজেডএন (ICZN)-এর পূর্ণরূপ কী?

    উত্তর দেখাও

    ICZN-এর পূর্ণরূপ হলো International Code of Zoological Nomenclature।

  2. খ

    শ্রেণিবিন্যাসে অগ্রাধিকার আইন (Law of Priority) বলতে কী বোঝায় — ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    দ্বিপদ নামকরণের নিয়ম অনুসারে কোনো একটি নির্দিষ্ট জীবের যদি একাধিক বিজ্ঞানী ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামকরণ করেন, তবে আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী সর্বপ্রথম সঠিকভাবে প্রকাশিত ও বৈধ নামটি স্থায়ী বৈজ্ঞানিক নাম হিসেবে গৃহীত হবে। এটিই হলো নামকরণের অগ্রাধিকার আইন (Law of Priority), যা জীবের নামকরণে বিভ্রান্তি ও পুনরাবৃত্তি এড়াতে প্রবর্তন করা হয়েছে।

  3. গ

    উদ্দীপকের জীব-P ও জীব-Q হুইটেকারের কোন কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত? কারণসহ শনাক্ত করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকের জীব-P হলো প্রোটিস্টা (Protista) রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং জীব-Q হলো ফানজাই (Fungi) রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। শনাক্তকরণের কারণসমূহ: ১. জীব-P (অ্যামিবা) এককোষী এবং কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও অঙ্গাণু বিদ্যমান, যা সুকেন্দ্রিক (Eukaryotic) এককোষী প্রোটিস্টা রাজ্যের বৈশিষ্ট্য। ২. জীব-Q (মাশরুম/ছত্রাক) বহুকোষী, সুকেন্দ্রিক, ক্লোরোফিলবিহীন এবং এর কোষপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে গঠিত। এরা মৃতজীবী পুষ্টি গ্রহণ করে, যা ফানজাই রাজ্যের অনন্য শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য।

  4. ঘ

    উদ্দীপকে শিক্ষার্থীর খাতায় জীব-R এর বৈজ্ঞানিক নাম লেখার পদ্ধতিটি কি আন্তর্জাতিক নিয়মসম্মত ছিল? দ্বিপদ নামকরণের সার্বজনীন নিয়মের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    উত্তর দেখাও

    শিক্ষার্থীর খাতায় জীব-R এর বৈজ্ঞানিক নাম লেখার পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিক নিয়মসম্মত ছিল না। ভুলসমূহ ও সঠিক নিয়মের বিশ্লেষণ: ১. প্রজাতি পদের ত্রুটি: শিক্ষার্থী প্রজাতির প্রথম অক্ষর বড় হাতের দিয়ে 'Rohita' লিখেছে। দ্বিপদ নামকরণের নিয়ম অনুসারে প্রজাতির (species) নাম সর্বদাই ছোট হাতের (lowercase) অক্ষরে লিখতে হয়, অর্থাৎ এটি হবে 'rohita'। ২. দাগাঙ্কনের অনুপস্থিতি: হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতি উভয় পদের নিচে আলাদাভাবে দাগ (underline) টানতে হয়। শিক্ষার্থী কোনো পদেই নিচে দাগ দেয়নি। ৩. গণের নাম: গণ (Genus) 'Labeo' এর প্রথম অক্ষর বড় হাতের লিখে শিক্ষার্থী সঠিক করেছে। অতএব, আন্তর্জাতিক নিয়ম (ICZN) অনুসারে হাতে লেখার ক্ষেত্রে সঠিক বৈজ্ঞানিক নামটি হবে Labeo rohita এবং পদ দুটির নিচে পৃথক দাগ থাকবে। সুতরাং শিক্ষার্থীর লেখাটি অশুদ্ধ ছিল।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →