offSchoolবেটা

জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ৪

জীবনীশক্তি

SSC Biology Chapter 4

  • ৯টি টপিক
  • ৩টি সিমুলেশন
  • ১৫ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. জীবনীশক্তি (Bioenergetics) ও এটিপির ভূমিকা

    পড়ে নাও

    জীবদেহে শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহারের মৌলিক প্রক্রিয়াকে জীবনীশক্তি (Bioenergetics) বলে। জীবদেহের অণুগুলোর রাসায়নিক বন্ধন তৈরি ও ভাঙার মধ্য দিয়ে যে শক্তি পাওয়া যায়, তা-ই জীবনীশক্তি।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. সালোকসংশ্লেষণ

    পড়ে নাও

    সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে শর্করা তৈরি করা। সবুজ উদ্ভিদে শর্করা তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া

    পড়ে নাও

    সালোকসংশ্লেষণ হলো ক্লোরোফিলের সাহায্যে আলোকশক্তি ব্যবহার করে পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে শর্করা তৈরির প্রক্রিয়া।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোফিল ও আলোর ভূমিকা

    পড়ে নাও

    পাতার ক্লোরোফিলের পরিমাণ ও সালোকসংশ্লেষণের হারের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক আছে, কারণ শুধু ক্লোরোফিলই সৌরশক্তি ধরে রাখতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. সালোকসংশ্লেষণে অন্যান্য প্রভাবকের ভূমিকা

    পড়ে নাও

    আলো ও ক্লোরোফিল ছাড়াও আরও কিছু প্রভাবক সালোকসংশ্লেষণের হার নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ, দুই ধরনের। কার্বন ডাই-অক্সাইড: CO₂ বিজারিত হয়েই খাদ্য তৈরি হয়, তাই এটি ছাড়া সালোকসংশ্লেষণ হয় না।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. সালোকসংশ্লেষণের গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    সালোকসংশ্লেষণ পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে জীবজগৎ ও সূর্যালোকের মধ্যে একটি সেতু তৈরি হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. শ্বসন

    পড়ে নাও

    চলন, ক্ষত সারানো, বৃদ্ধি ও প্রজননের মতো জীবনের সব কাজে শক্তি লাগে। সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে শর্করায় স্থিতিশক্তি হিসেবে জমা রাখে, কিন্তু খাদ্যে সঞ্চিত এই শক্তি জীব সরাসরি ব্যবহার করতে পারে না।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. সবাত ও অবাত শ্বসন

    পড়ে নাও

    যে শ্বসনে অক্সিজেন লাগে এবং শ্বসনিক বস্তু সম্পূর্ণ জারিত হয়ে CO₂, H₂O ও বিপুল শক্তি তৈরি হয়, তাকে সবাত শ্বসন বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. শ্বসনের গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    জীবের প্রতিটি কাজ চলে শ্বসনে উৎপন্ন শক্তি দিয়ে। শ্বসনের গুরুত্ব কয়েকটি দিক থেকে বোঝা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • কোষে প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে এটিপির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা প্রস্তুতি ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোফিল এবং আলোর ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সালোকসংশ্লেষণে প্রভাবকের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারবে।
  • সালোকসংশ্লেষণের উপর জীবের নির্ভরশীলতার কারণ মূল্যায়ন করতে পারবে।
  • শ্বসন ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সবাত ও অবাত শ্বসনের ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসনের মধ্যে তুলনা করতে পারবে।
  • সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল ও আলোর অপরিহার্যতার পরীক্ষাটি করতে পারবে।
  • শ্বসন প্রক্রিয়ায় তাপ নির্গমণের পরীক্ষাটি করতে পারবে।
  • জীবের খাদ্য প্রস্তুতে উদ্ভিদের অবদান উপলব্ধি করবে এবং উদ্ভিদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • ব্ল্যাকম্যানের সীমাবদ্ধতাকারী প্রভাবক নীতি (Law of Limiting Factors)
    Rate=100%×min⁡(1, Light60%, CO21000 ppm, f(T))\text{Rate} = 100\% \times \min\left(1, \, \frac{\text{Light}}{60\%}, \, \frac{\text{CO}_2}{1000\text{ ppm}}, \, f(T)\right)
    সিমুলেশনে দেখো →
  • সবাত বনাম অবাত শ্বসন: এটিপি উৎপাদন ও কোষীয় শক্তি মুদ্রা
    Aerobic: C6H12O6+6O2→6CO2+6H2O+38 ATP∣Anaerobic: C6H12O6→2C3H6O3+2 ATP\text{Aerobic: } \text{C}_6\text{H}_{12}\text{O}_6 + 6\text{O}_2 \rightarrow 6\text{CO}_2 + 6\text{H}_2\text{O} + 38\text{ ATP} \quad | \quad \text{Anaerobic: } \text{C}_6\text{H}_{12}\text{O}_6 \rightarrow 2\text{C}_3\text{H}_6\text{O}_3 + 2\text{ ATP}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • সালোকসংশ্লেষণের আলোক ও আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়: পানির ফটোলাইসিস
    6CO2+12H2O→chlorophylllightC6H12O6+6O2+6H2O6\text{CO}_2 + 12\text{H}_2\text{O} \xrightarrow[\text{chlorophyll}]{\text{light}} \text{C}_6\text{H}_{12}\text{O}_6 + 6\text{O}_2 + 6\text{H}_2\text{O}
    সিমুলেশনে দেখো →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া তার বিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান গবেষণাগারে একটি বিকারের পানিতে জলজ উদ্ভিদ হাইড্রিলা (Hydrilla) কাণ্ড রেখে তার ওপর একটি কাচের ফানেল ও পানিতে পূর্ণ টেস্টটিউব উল্টো করে বসিয়ে সালোকসংশ্লেষণ পরীক্ষা করছিল। সে বিকারে সামান্য সোডিয়াম বাইকার্বনেট যোগ করল। বিকারটি থেকে ৪০ cm দূরে একটি ৬০ W বৈদ্যুতিক বাতি রাখলে দেখা গেল টেস্টটিউবে প্রতি মিনিটে ১৫টি গ্যাসের বুদবুদ জমা হচ্ছে। সামিয়া বাতিটিকে আরও কাছে এনে ২০ cm দূরে রাখায় বুদবুদের সংখ্যা বেড়ে প্রতি মিনিটে ৩০টি হলো। তবে বাতিটিকে আরও কাছে ১০ cm দূরত্বে আনার পরও বুদবুদের সংখ্যা প্রতি মিনিটে ৩০টিতেই অপরিবর্তিত রইল। সামিয়ার সহপাঠী আবির মন্তব্য করল যে বাতির দূরত্ব কমালে বা আলোর তীব্রতা যত বাড়ানো হবে বুদবুদের সংখ্যা সবসময় আনুপাতিক হারে বাড়তেই থাকবে।

  1. ক

    ফটোলাইসিস (Photolysis) কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    সালোকসংশ্লেষণের আলোক-নির্ভর পর্যায়ে সূর্যালোকের শক্তি ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি ভেঙে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন আয়ন (H+H^+) এবং ইলেকট্রন উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে ফটোলাইসিস বলে।

  2. খ

    উদ্দীপকের পরীক্ষায় বিকারে সোডিয়াম বাইকার্বনেট যোগ করা হয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    পানিতে নিমজ্জিত হাইড্রিলা উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের জন্য দ্রবীভূত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2\text{CO}_2) প্রয়োজন হয়। পানিতে সোডিয়াম বাইকার্বনেট যোগ করলে তা রাসায়নিকভাবে ভেঙে পর্যাপ্ত পরিমাণ CO2\text{CO}_2 সরবরাহ করে কাঁচামালের ঘাটতি দূর করে, ফলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারে।

  3. গ

    বাতির দূরত্ব ৪০ cm থেকে ২০ cm-এ আনলে বুদবুদ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    বাতিটিকে বিকারের কাছাকাছি আনলে হাইড্রিলা উদ্ভিদের ওপর আপতিত আলোর তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। ৪০ cm দূরত্বে আলো তুলনামূলক কম থাকায় আলোই ছিল সালোকসংশ্লেষণের হার নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান সীমাবদ্ধতাকারী প্রভাবক। দূরত্ব কমিয়ে ২০ cm করায় আলোর তীব্রতা বাড়ে এবং ক্লোরোফিল বেশি ফোটন শোষণ করে পানির ফটোলাইসিস ও ATP এবং NADPH+H+\text{NADPH} + \text{H}^+ তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সালোকসংশ্লেষণের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি পায় এবং টেস্টটিউবে উপজাত হিসেবে প্রতি মিনিটে নির্গত অক্সিজেন বুদবুদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ১৫টি থেকে ৩০টিতে পৌঁছায়।

  4. ঘ

    উদ্দীপকে আবিরের মন্তব্যটির যথার্থতা ব্ল্যাকম্যানের সীমাবদ্ধতাকারী প্রভাবক সূত্রের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকে আবিরের মন্তব্যটি যথার্থ ছিল না। ব্ল্যাকম্যানের সীমাবদ্ধতাকারী প্রভাবক নীতি (Blackman's Law of Limiting Factors) অনুযায়ী, কোনো শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া একাধিক প্রভাবক দ্বারা পরিচালিত হলে সবচেয়ে কম মাত্রায় উপস্থিত প্রভাবকটি বিক্রিয়ার গতি নিয়ন্ত্রণ করে। শুরুতে আলো কম থাকায় আলো বৃদ্ধির সাথে সাথে বুদবুদ ১৫টি থেকে বেড়ে ৩০টি হয়েছিল। কিন্তু বাতি ১০ cm দূরত্বে আনার পরও বুদবুদের সংখ্যা ৩০টিতেই স্থির থাকে, কারণ এ পর্যায়ে আলোর তীব্রতা যথেষ্ট হলেও পানিতে দ্রবীভূত CO2\text{CO}_2-এর ঘনত্ব কিংবা তাপমাত্রার মতো অন্য কোনো প্রভাবক সবচেয়ে কম পরিমাণে ছিল এবং তা নতুন সীমাবদ্ধতাকারী প্রভাবক হয়ে দাঁড়ায়। অন্যান্য প্রভাবকের সরবরাহ না বাড়িয়ে শুধু আলোর তীব্রতা বাড়ালে সালোকসংশ্লেষণের হার অনির্দিষ্টকাল আনুপাতিকভাবে বাড়তে পারে না। অতএব, আবিরের বক্তব্যটি বিজ্ঞানসম্মত নয়।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →