সবাত শ্বসন
যে শ্বসনে অক্সিজেন ব্যবহার করে গ্লুকোজ সম্পূর্ণভাবে ভেঙে কার্বন ডাই-অক্সাইড, পানি ও প্রচুর শক্তি পাওয়া যায়, তা-ই সবাত শ্বসন:
প্রথম ধাপ (গ্লুকোজ ভেঙে পাইরুভিক এসিড হওয়া) ঘটে সাইটোপ্লাজমে, আর বাকি ধাপগুলো মাইটোকন্ড্রিয়ায়। এজন্যই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলে।
অবাত শ্বসন
অক্সিজেন ছাড়া গ্লুকোজ অসম্পূর্ণভাবে ভাঙলে তাকে অবাত শ্বসন বলে। ইস্টে এর ফলে ইথানল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়; এই গ্যাসের জন্যই ইস্ট দেওয়া আটা ফুলে ওঠে। জোরে দৌড়ানোর সময় পেশিতে অক্সিজেন কম পড়লে আমাদের পেশিকোষও কিছুক্ষণ অবাত শ্বসন করে, তখন ল্যাকটিক এসিড জমে আর পেশি ব্যথা করে।
মিল কোথায়
- দুটিই শ্বসন: খাদ্য (গ্লুকোজ) ভেঙে শক্তি মুক্ত হয়।
- দুটিরই প্রথম ধাপ একই, সাইটোপ্লাজমে গ্লুকোজ থেকে পাইরুভিক এসিড তৈরি।
- দুটিতেই মুক্ত শক্তি ATP হিসেবে জমা হয়।
সাধারণ ভুল
- "অবাত শ্বসনে কোনো শক্তি পাওয়া যায় না" লেখা। শক্তি পাওয়া যায়, তবে মাত্র ২ অণু ATP।
- অবাত শ্বসনকে কেবল জীবাণুর কাজ ভাবা। অক্সিজেনের ঘাটতিতে আমাদের পেশিকোষও অবাত শ্বসন করে।