offSchoolবেটা

জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ৯

দৃঢ়তা প্রদান ও চলন

SSC Biology Chapter 9

  • ১৬টি টপিক
  • ১টি সিমুলেশন
  • ১৩ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. মানব কঙ্কালের সাধারণ পরিচিতি

    পড়ে নাও

    খাদ্যের খোঁজ, আত্মরক্ষা ও বংশবিস্তারের জন্য প্রাণী নিজ চেষ্টায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায়; একে চলন বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. দৃঢ়তা প্রদান এবং চলনে কঙ্কালের ভূমিকা

    পড়ে নাও

    দৃঢ়তা প্রদান বলতে দেহকে শক্ত ভিত্তি ও নির্দিষ্ট আকৃতি দিয়ে ধরে রাখাকে বোঝায়। কঙ্কাল এই ভিত্তি তৈরি করে। চলন হলো প্রাণীর নিজ চেষ্টায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. অস্থি

    পড়ে নাও

    অস্থি হলো রূপান্তরিত যোজক টিস্যু এবং দেহের সবচেয়ে শক্ত টিস্যু। অস্থির ধাত্র বা আন্তঃকোষীয় পদার্থ জৈব যৌগে গঠিত, আর এর মধ্যে অস্থিকোষ ছড়িয়ে থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. প্রধান অস্থি

    পড়ে নাও

    পূর্ণবয়স্ক মানুষের কঙ্কালে 206টি অস্থি। অবস্থান ও কাজ অনুযায়ী প্রধান অস্থিগুলোকে কয়েকটি দলে ভাগ করা যায়। করোটি: মাথার খুলি; কয়েকটি অস্থি অনড় সন্ধিতে দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকে। করোটি মস্তিষ্ক রক্ষা করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. তরুণাস্থি

    পড়ে নাও

    তরুণাস্থি একটি ভিন্ন ধরনের যোজক টিস্যু। এটি অস্থির মতো শক্ত নয়; তুলনামূলক নরম, স্থিতিস্থাপক ও নমনীয়। তরুণাস্থির কোষগুলো একা বা জোড়ায় জোড়ায় ধাত্রের মধ্যে ঘনভাবে ছড়িয়ে থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. অস্থিসন্ধি ও এর কাজ: সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি

    পড়ে নাও

    অস্থিসন্ধি হলো দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থল। সন্ধি অস্থিগুলোকে যুক্ত রাখে এবং সন্ধির ধরন অনুযায়ী নড়াচড়ার সুযোগ দেয়। সব সন্ধি সমানভাবে নড়ে না।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. পেশির ক্রিয়া

    পড়ে নাও

    পেশিতন্ত্রে আছে অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ও রক্তনালির প্রাচীরের অনৈচ্ছিক পেশি, হৃৎপিণ্ডের হৃৎপেশি এবং অস্থির সাথে যুক্ত ঐচ্ছিক পেশি। অঙ্গ নড়াচড়া, চলন, অঙ্গগুলোকে যথাস্থানে রাখা ও দেহের ভারসাম্য রক্ষা।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. টেনডন ও লিগামেন্ট

    পড়ে নাও

    টেনডন হলো পেশির প্রান্তে থাকা দড়ির মতো শক্ত, ঘন শ্বেত তন্তুময় যোজক টিস্যু, যা পেশিকে অস্থির সঙ্গে যুক্ত করে। লিগামেন্ট হলো পাতলা, নরম কিন্তু শক্ত ও স্থিতিস্থাপক বন্ধনী, যা একটি অস্থিকে অন্য অস্থির সঙ্গে যুক্ত রাখে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. অস্টিওপোরোসিস

    পড়ে নাও

    অস্থি গঠন ও অস্থির শক্তির জন্য ক্যালসিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, আর অস্থির বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাদ্য অপরিহার্য।

    পুরো টপিক পড়ো →

  10. অস্টিওপোরোসিসের কারণ

    পড়ে নাও

    অস্টিওপোরোসিসের মূল কারণ খনিজ লবণের, বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের অভাব। কয়েকটি কারণ একসাথে কাজ করে অস্থির ক্ষয়কে গঠনের চেয়ে বেশি করে তোলে। অস্থিতে পুরোনো অস্থির ক্ষয় ও নতুন অস্থির গঠন একসাথে চলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  11. অস্টিওপোরোসিসের লক্ষণ

    পড়ে নাও

    অস্টিওপোরোসিসে অস্থির ঘনত্ব ও পুরুত্ব কমে অস্থি দুর্বল হয়ে যায়। এর লক্ষণগুলো সেই দুর্বলতারই প্রকাশ। অস্থি ভঙ্গুর হওয়া: অস্থির পুরুত্ব কমে যায়, অস্থি সহজে ভেঙে যায়। পেশির শক্তি কমে যাওয়া। পিঠে ব্যথা। অস্থিতে ব্যথা।

    পুরো টপিক পড়ো →

  12. অস্টিওপোরোসিসের প্রতিকার

    পড়ে নাও

    অস্টিওপোরোসিস ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগ, তাই প্রতিকার ও প্রতিরোধের মূল কথা হলো অস্থিকে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D ও শারীরিক সক্রিয়তা জোগানো।

    পুরো টপিক পড়ো →

  13. আর্থ্রাইটিস

    পড়ে নাও

    আর্থ্রাইটিস বা বাত হলো অস্থিসন্ধির রোগ, যাতে সন্ধিতে প্রদাহ, ব্যথা ও শক্তভাব দেখা দেয়। শতাধিক প্রকারের বাতরোগের মধ্যে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গেঁটে বাত অন্যতম। সাধারণত বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হন।

    পুরো টপিক পড়ো →

  14. আর্থ্রাইটিসের কারণ

    পড়ে নাও

    আর্থ্রাইটিস শতাধিক প্রকারের, আর প্রতিটির কারণ আলাদা হতে পারে। তাই কোনো ব্যক্তির বাতের কারণ বুঝতে রোগটি কোন প্রকারের, তা আগে জানতে হয়। বয়স: সাধারণত বয়স্করা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গেঁটে বাতে আক্রান্ত হন।

    পুরো টপিক পড়ো →

  15. আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ

    পড়ে নাও

    আর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো মূলত অস্থিসন্ধির প্রদাহ থেকে আসে। সন্ধিতে প্রদাহ হলে স্বাভাবিক মসৃণ নড়াচড়া ব্যাহত হয়। প্রদাহ ও ব্যথা: অস্থিসন্ধি বা গিঁটে প্রদাহ হয় এবং ব্যথা করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  16. আর্থ্রাইটিসের প্রতিকার

    পড়ে নাও

    বয়স্কদের ক্ষেত্রে আর্থ্রাইটিস সম্পূর্ণ নিরাময় হয় না, তবে কিছু ব্যবস্থায় রোগের কষ্ট অনেকটা কমানো যায় এবং সন্ধি সচল রাখা যায়। কঠোর পরিশ্রম ও ভারী কাজ এড়ানো: এতে আক্রান্ত সন্ধির উপর চাপ কমে।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • মানব কঙ্কাল বর্ণনা করতে পারবে।
  • দৃঢ়তা প্রদান এবং চলনে কঙ্কালের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বিভিন্ন প্রকার অস্থি ও অস্থিসন্ধির কাজ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • পেশির ক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • টেনডন এবং লিগামেন্টের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • অস্টিওপোরোসিসের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার বর্ণনা করতে পারবে।
  • আর্থ্রাইটিসের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার বর্ণনা করতে পারবে।
  • অস্টিওপোরোসিস ও আর্থরাইটিসের কারণ অনুসন্ধান করতে পারবে।
  • মানব কঙ্কালের বিভিন্ন অংশের চিত্র অঙ্কন করে চিহ্নিত করতে পারবে।
  • অস্থির সুস্থতা রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • মানুষের অগ্রবাহু একটি তৃতীয় শ্রেণির লিভার: পেশি বল ভারের চেয়ে অনেক বেশি
    Fmuscle×deffort=W×dload  ⟹  Fmuscle=W⋅dloaddeffortF_{\text{muscle}} \times d_{\text{effort}} = W \times d_{\text{load}} \implies F_{\text{muscle}} = W \cdot \frac{d_{\text{load}}}{d_{\text{effort}}}
    সিমুলেশনে দেখো →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

কুমিল্লার একটি গ্রামের ৬০ বছর বয়সী গৃহিণী রাবেয়া বেগম বেশ কিছুদিন ধরে পিঠে ও কোমরে তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন। একদিন ঘরের মেঝেতে সামান্য হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে তাঁর নিতম্বের অস্থি ভেঙে যায়। চিকিৎসকের কাছে গেলে এক্স-রে ও অস্থি ঘনত্ব পরীক্ষায় দেখা গেল তাঁর অস্থির ক্যালসিয়াম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অস্থিগুলো দুর্বল, ফাঁপা ও ভঙ্গুর হয়ে গেছে; চিকিৎসক জানালেন তিনি ওসটিওপরোসিস রোগে আক্রান্ত। অন্যদিকে, তাঁর ৬৫ বছর বয়সী স্বামী কৃষক কাসেম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে হাঁটু ও আঙুলের অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা, সন্ধিস্থল ফুলে যাওয়া এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সন্ধি শক্ত হয়ে নড়াচড়া করতে প্রচণ্ড যন্ত্রণায় ভুগছেন; চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানালেন কাসেম মিয়ার অস্থিসন্ধির তরুণাস্থি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে প্রদাহ (আর্থ্রাইটিস) সৃষ্টি হয়েছে।

  1. ক

    টেনডন (Tendon) কী?

    উত্তর দেখাও

    পেশির প্রান্তভাগ রজ্জুর মতো শক্ত ও ঘন হয়ে অস্থির সাথে যে দৃঢ় শ্বেত তন্তুময় যোজক কলার মাধ্যমে যুক্ত থাকে, তাকে টেনডন (Tendon) বলে।

  2. খ

    বাইসেপস ও ট্রাইসেপসকে অ্যান্টাগোনিস্টিক (বিপরীতমুখী) পেশি বলা হয় কেন—ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    যেসব পেশি একই অস্থিসন্ধিতে পরস্পরের বিপরীতমুখী ক্রিয়া সম্পাদন করে অঙ্গ সঞ্চালন ঘটায়, তাদের অ্যান্টাগোনিস্টিক বা বিপরীতমুখী পেশি বলে। হাতের কনুই সন্ধিতে বাইসেপস পেশি সংকুচিত হলে কনুই ভাঁজ হয়ে হাত কাঁধের দিকে উঠে আসে (ফ্লেক্সন), অন্যদিকে এর বিপরীত ট্রাইসেপস পেশি সংকুচিত হলে কনুই সোজা হয়ে হাত প্রসারিত হয় (এক্সটেনশন); অর্থাৎ একটি পেশির সংকোচন অপরটির বিপরীতমুখী চলন সৃষ্টি করে বলে এদের অ্যান্টাগোনিস্টিক পেশি বলা হয়।

  3. গ

    উদ্দীপকে রাবেয়া বেগমের আক্রান্ত রোগটির কারণ ও লক্ষণ পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকে রাবেয়া বেগম ওসটিওপরোসিস (Osteoporosis) বা অস্থিক্ষয় রোগে আক্রান্ত। কারণ: ১. খাদ্যে পুষ্টির অভাব: দীর্ঘদিন খাদ্যে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর ঘাটতি থাকলে অস্থি গঠনের তুলনায় ক্ষয়ের হার বৃদ্ধি পায়। ২. হরমোনজনিত পরিবর্তন: রজনিবৃত্তির (menopause) পর নারীদের দেহে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় অস্থি থেকে ক্যালসিয়াম দ্রুত অপসারিত হয়। ৩. বয়স ও কায়িক শ্রমের অভাব: বার্ধক্যজনিত কারণে অস্থির কোলাজেন ও খনিজ ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া এবং অলস জীবনযাপন। লক্ষণ: ১. অস্থি দুর্বল, ছিদ্রযুক্ত ও ভঙ্গুর হয়ে যায়, ফলে সামান্য আঘাতেই অস্থি (বিশেষত নিতম্ব, মেরুদণ্ড ও কবজি) ভেঙে যায়। ২. পিঠে, কোমরে ও অস্থিতে দীর্ঘস্থায়ী তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। ৩. পেশির শক্তি হ্রাস পায় এবং মেরুদণ্ডের অস্থি সংকুচিত হয়ে দেহের উচ্চতা কিছুটা কমে যায় বা দেহ কুঁজো হয়ে পড়ে।

  4. ঘ

    'উদ্দীপকের রাবেয়া বেগম ও কাসেম মিয়ার রোগ দুটি ভিন্ন প্রকৃতির এবং এদের প্রতিকারে সুনির্দিষ্ট জীবনধারা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রয়োজন'—বিশ্লেষণ করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ নিম্নরূপ: ১. রোগ দুটির ভিন্ন প্রকৃতি: রাবেয়া বেগমের সমস্যা ওসটিওপরোসিস, যা সমগ্র অস্থির ভেতরের খনিজ লবণ (ক্যালসিয়াম) ক্ষয়জনিত রোগ; এতে অস্থি ফাঁপা ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। পক্ষান্তরে কাসেম মিয়ার সমস্যা আর্থ্রাইটিস (অস্থিসন্ধির বাত), যা মূলত দুটি অস্থির সংযোগস্থলের তরুণাস্থির ক্ষয়, প্রদাহ এবং সাইনুভিয়াল ঝিল্লির অস্বাভাবিকতা; এটি সমগ্র অস্থির নয় বরং নির্দিষ্ট অস্থিসন্ধির সমস্যা। ২. রাবেয়া বেগমের প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা:

    • পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য (দুধ, ডিম, পনির, মলা-ঢেলা মাছ, সয়াবিন ও সবুজ শাকসবজি) গ্রহণ নিশ্চিত করা।
    • প্রতিদিন সকালের নরম রোদে অন্তত ১৫–২০ মিনিট অবস্থান করা, যা ত্বকে ভিটামিন D তৈরিতে সাহায্য করে।
    • অস্থি মজবুত রাখতে নিয়মিত হালকা কায়িক পরিশ্রম ও হাঁটাচলা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনে ক্যালসিয়াম সম্পূরক ও ওষুধ গ্রহণ করা। ৩. কাসেম মিয়ার প্রতিকার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা:
    • আক্রান্ত অস্থিসন্ধির ওপর অতিরিক্ত শারীরিক চাপ, সিঁড়ি ভাঙা বা ভারী ওজন বহন পরিহার করা।
    • সন্ধির সচলতা বজায় রাখতে চিকিৎসকের নির্দেশনায় নিয়মিত মৃদু ব্যায়াম বা ফিজিওথেরাপি করা।
    • ব্যথা কমাতে আক্রান্ত সন্ধিতে কুসুম গরম সেঁক প্রয়োগ করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রদাহরোধী ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ করা। এছাড়া গেঁটেবাত বা ইউরিক এসিডের সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত প্রোটিন ও পিউরিনযুক্ত খাবার (যেমন—রেড মিট, অতিরিক্ত ডাল) নিয়ন্ত্রণ করা। ৪. উপসংহার: একটি রোগ অস্থির ভেতরের ঘনত্ব হারানোর সাথে সম্পর্কিত এবং অপরটি অস্থিসন্ধির তরুণাস্থির প্রদাহ ও ক্ষয়ের সাথে জড়িত। সুতরাং রোগ দুটির শারীরবৃত্তীয় প্রকৃতি যেমন ভিন্ন, তেমনি এদের প্রতিকারে খাদ্যাভ্যাস, কায়িক শ্রম ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার কৌশলও সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। তাই উদ্দীপকের বক্তব্যটি যথার্থ।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →