offSchoolবেটা

জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ২

জীবকোষ ও টিস্যু

SSC Biology Chapter 2

  • ১৪টি টপিক
  • ৪টি সিমুলেশন
  • ১৭ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের প্রধান অঙ্গাণুর কাজ (ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপিক গঠন অনুসরণে)

    পড়ে নাও

    ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে দেখলে জীবকোষের ভিতরে অনেক ছোট ছোট গঠন দেখা যায়। এগুলোকে বলা হয় অঙ্গানু। এগুলো কোষের বিভিন্ন কাজ করে। নিউক্লিয়াস বা কোষের কেন্দ্র হলো কোষের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. মানবদেহের স্নায়ু, পেশি, রক্ত, ত্বক এবং অস্থির কাজ পরিচালনায় বিভিন্ন প্রকার কোষের ভূমিকা

    পড়ে নাও

    এককোষী প্রোটোজোয়া একটিমাত্র কোষে পরিপাক, বৃদ্ধি, জননসহ সব কাজ করে। কিন্তু বহুকোষী জীবে ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কোষ, টিস্যু ও অঙ্গ থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. উদ্ভিদ টিস্যু

    পড়ে নাও

    একই উৎস থেকে সৃষ্ট এবং একটি নির্দিষ্ট কাজে নিয়োজিত একই বা ভিন্ন ধরনের কোষের সমষ্টিকে টিস্যু বলে। উদ্ভিদ টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার। যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম, তাকে ভাজক টিস্যু বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. সরল টিস্যু (প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা, স্ক্লেরেনকাইমা)

    পড়ে নাও

    সরল টিস্যু হলো একই আকৃতি, আকার ও গঠনের কোষ দিয়ে তৈরি স্থায়ী টিস্যু। কোষের প্রকৃতি অনুসারে এটি তিন প্রকার: প্যারেনকাইমা, কোলেনকাইমা ও স্ক্লেরেনকাইমা। এদের গঠনের পার্থক্যের সঙ্গে কাজের পার্থক্যও সম্পর্কিত।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. জটিল টিস্যু (জাইলেম ও ফ্লোয়েম)

    পড়ে নাও

    একাধিক ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত স্থায়ী টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলে। এরা পানি, খনিজ লবণ ও তৈরি খাদ্য পরিবহন করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলে। জটিল টিস্যু দুই প্রকার: জাইলেম ও ফ্লোয়েম। এরা একসাথে ভাস্কুলার বান্ডল গঠন করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. প্রাণিটিস্যু ও এর কাজ

    পড়ে নাও

    বহুকোষী প্রাণীতে একই ভ্রূণীয় কোষ থেকে সৃষ্ট এক বা একাধিক ধরনের কোষ দেহের নির্দিষ্ট অংশে থেকে একসাথে একটি সাধারণ কাজ করলে তাকে টিস্যু বলে। অর্থাৎ একটি টিস্যুর কোষগুলোর উৎপত্তি, কাজ ও গঠন একই রকম।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. আবরণী টিস্যু

    পড়ে নাও

    যে টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ বা আস্তরণ গঠন করে, তাকে আবরণী টিস্যু বলে। এর কোষগুলো একটি ভিত্তিপর্দার উপর ঘনভাবে পাশাপাশি থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. যোজক টিস্যু

    পড়ে নাও

    যে টিস্যুতে কোষের সংখ্যা তুলনামূলক কম কিন্তু কোষের বাইরের আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা ধাত্র বেশি, তাকে যোজক টিস্যু বলে। গঠন ও কাজ অনুযায়ী এটি তিন প্রকার। ত্বকের নিচে এবং পেশির মধ্যে ছড়িয়ে থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. পেশি টিস্যু

    পড়ে নাও

    ভ্রূণের মেসোডার্ম থেকে সৃষ্ট যে টিস্যু সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে নড়াচড়া ঘটায় এবং মেরুদণ্ডী প্রাণীর পেশি গঠন করে, তাকে পেশি টিস্যু বলে। এতে ধাত্র প্রায় নেই; কোষগুলো সরু, লম্বা ও তন্তুর মতো।

    পুরো টপিক পড়ো →

  10. স্নায়ু টিস্যু

    পড়ে নাও

    যে টিস্যু দিয়ে স্নায়ুতন্ত্র গঠিত, তাকে স্নায়ু টিস্যু বলে। এটি অসংখ্য নিউরন বা স্নায়ুকোষ দিয়ে তৈরি।

    পুরো টপিক পড়ো →

  11. টিস্যু, অঙ্গ এবং তন্ত্রে কোষের সংগঠন

    পড়ে নাও

    জীবদেহ ধাপে ধাপে সংগঠিত। প্রতিটি ধাপ আগের ধাপের এককগুলো মিলে তৈরি হয়। কোষ: জীবদেহের গাঠনিক ও কার্যকরী একক। যেমন একটি পেশিকোষ। টিস্যু: একই উৎস থেকে সৃষ্ট এবং একই কাজে নিয়োজিত কোষের সমষ্টি। যেমন পেশি টিস্যু।

    পুরো টপিক পড়ো →

  12. টিস্যুতন্ত্র এবং এর কাজ

    পড়ে নাও

    একই উৎপত্তি এবং একই ধরনের কাজে নিয়োজিত কয়েকটি টিস্যু মিলে যে ব্যবস্থা গঠন করে, তাকে টিস্যুতন্ত্র বলে। একটি টিস্যু একা যা পারে না, কয়েকটি টিস্যু মিলে তা সম্ভব হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  13. অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্রের ধারণা এবং গুরুত্ব

    পড়ে নাও

    এক বা একাধিক ধরনের টিস্যু মিলে দেহের যে অংশ একটি নির্দিষ্ট কাজ করে, তাকে অঙ্গ বলে। পরিপাক, শ্বসন, রেচন, জননের মতো শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য কয়েকটি অঙ্গ মিলে গঠিত ব্যবস্থাকে অঙ্গতন্ত্র বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  14. অণুবীক্ষণ যন্ত্র

    সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্র · যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র · ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র

    পড়ে নাও

    খালি চোখে দেখা যায় না এমন ক্ষুদ্র বস্তু অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখা যায়। স্কুলের যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে আলোর সাহায্যে দেখা হয়, তাই একে আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের প্রধান অঙ্গানুর কাজ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের তুলনা করতে পারবে।
  • স্নায়ু, পেশি, রক্ত, ত্বক এবং অস্থির কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে বিভিন্ন প্রকার কোষের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারবে।
  • জীবদেহে কোষের উপযোগিতা মূল্যায়ন করতে পারবে।
  • উদ্ভিদটিস্যু ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • প্রাণিটিস্যু ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • একই রকম কোষ সমষ্টির ও একই কাজ সম্পন্ন করার ভিত্তিতে টিস্যুর কাজ মূল্যায়ন করতে পারবে।
  • টিস্যু, অঙ্গ এবং তন্ত্রে কোষের সংগঠন ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • টিস্যুতন্ত্রের কাজ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্রের ধারণা এবং গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ভিদকোষ (পেঁয়াজ) এবং প্রাণিকোষ (প্রোটোজোয়া) পর্যবেক্ষণ করে চিত্র অঙ্কন ও চিহ্নিত করতে পারবে।
  • উদ্ভিদ এবং প্রাণিটিস্যুর চিত্র অঙ্কন করে চিহ্নিত করতে পারবে।
  • সঠিকভাবে অণুবীক্ষণ যন্ত্র চালনা করতে পারবে।
  • জীবের নানা কার্যক্রমে কোষের অবদান প্রশংসা করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • কোষের আকারের সীমাবদ্ধতা: ক্ষেত্রফল ও আয়তনের অনুপাত (SA:V)
    SAV=6L2L3=6L,(SAV)split=6kL\frac{\text{SA}}{V} = \frac{6L^2}{L^3} = \frac{6}{L}, \quad \left(\frac{\text{SA}}{V}\right)_{\text{split}} = \frac{6k}{L}
    সিমুলেশনে দেখো →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সাকিব ও তার সহপাঠীরা বিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক ক্লাসে শিক্ষকের সহায়তায় একটি পাট গাছের কাণ্ডের প্রস্থচ্ছেদ এবং একটি পেঁয়াজের ত্বকের কোষ অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করছিল। পাট গাছের কাণ্ডের প্রস্থচ্ছেদে তারা দুটি পরিবহন টিস্যু লক্ষ্য করল: 'P' টিস্যুর কোষগুলো মূলত মৃত ও পুরু প্রাচীরযুক্ত এবং এটি মূল থেকে পাতা পর্যন্ত পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে; আর 'Q' টিস্যুর উপাদানগুলো সজীব ও চালুনির মতো ছিদ্রযুক্ত নলের মাধ্যমে পাতায় তৈরি খাদ্য কাণ্ড ও মূলে সরবরাহ করে। অন্যদিকে পেঁয়াজের কোষে তারা শক্ত জড় প্রাচীর ও বড় কোষগহ্বর দেখতে পেলেও কোনো সবুজ প্লাস্টিড (ক্লোরোপ্লাস্ট) দেখতে পেল না।

  1. ক

    টিস্যু বা কলা কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    একই উৎস থেকে উৎপন্ন হয়ে একগুচ্ছ কোষ যখন সামগ্রিকভাবে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে, তখন সেই কোষগুচ্ছকে টিস্যু (tissue) বলে।

  2. খ

    পেঁয়াজের ত্বকের কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না কেন — ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    ক্লোরোপ্লাস্ট হলো সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণকারী সবুজ প্লাস্টিড। পেঁয়াজ মাটির নিচে অন্ধকারে বৃদ্ধি পায়, যেখানে সূর্যালোক পৌঁছায় না। সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত হতে পারে না এবং মাটির নিচে সালোকসংশ্লেষণের কোনো সুযোগ বা প্রয়োজন না থাকায় পেঁয়াজের কোষে বর্ণহীন লিউকোপ্লাস্ট থাকলেও কোনো ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না।

  3. গ

    উদ্দীপকে উল্লিখিত 'P' টিস্যুর উপাদানগুলোর গঠন ও কাজ বর্ণনা করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকের 'P' টিস্যুটি হলো জাইলেম টিস্যু (xylem tissue), কারণ এটি মূল থেকে পাতায় পানি ও খনিজ লবণ সংবহন করে। জাইলেম প্রধানত চার ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত: ১. ট্রাকিড: লম্বাটে, সরু ও সুচালো প্রান্তবিশিষ্ট কোষ, যার প্রাচীরে লিগনিন জমা হয়ে ভেতরের গহ্বর সংকুচিত হয় এবং পার্শ্বপ্রাচীরের জোড়কূপের (bordered pits) মাধ্যমে পানি পরিবহন ও উদ্ভিদে দৃঢ়তা দেয়। ২. ভেসেল: খাটো চোঙাকৃতির কোষ, যা একটির মাথায় আরেকটি বসে দীর্ঘ অবিচ্ছিন্ন নলের সৃষ্টি করে এবং এদের গলিত প্রস্থপ্রাচীর দিয়ে দ্রুত পানি ও খনিজ উপাদান উপরে ওঠে। ৩. জাইলেম প্যারেনকাইমা: জাইলেমের একমাত্র জীবিত ও পাতলা প্রাচীরযুক্ত কোষ, যা খাদ্য সঞ্চয় ও পার্শ্বীয় পানি পরিবহনে অংশ নেয়। ৪. জাইলেম ফাইবার বা উড ফাইবার: দীর্ঘ ও লিগনিনযুক্ত পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট মৃত স্ক্লেরেনকাইমা কোষ, যা উদ্ভিদকে যান্ত্রিক শক্তি ও দৃঢ়তা জোগায়।

  4. ঘ

    উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য 'P' ও 'Q' টিস্যুর সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য — উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকের 'P' হলো জাইলেম এবং 'Q' হলো ফ্লোয়েম টিস্যু; উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য এদের সমন্বিত কার্যক্রম অপরিহার্য—উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ। প্রথমত, জাইলেম টিস্যু তার ভেসেল ও ট্রাকিডের মাধ্যমে প্রস্বেদন টান ও মূলজ চাপের সাহায্যে মূল থেকে সংগৃহীত পানি ও খনিজ লবণ পাতার মেসোফিল কোষে পৌঁছে দেয়। পানি ছাড়া সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। দ্বিতীয়ত, পাতায় উৎপাদিত দ্রবীভূত জৈব খাদ্য ফ্লোয়েম টিস্যুর সীভনল ও সঙ্গীকোষের মাধ্যমে উদ্ভিদের প্রতিটি কোষ, কাণ্ড, মূল ও সঞ্চয়ী অঙ্গে পৌঁছে যায়। ফ্লোয়েম যদি মূল ও অন্যান্য কোষে খাদ্য সরবরাহ না করত, তবে খাদ্য ও শক্তির (ATP) অভাবে মূলের সক্রিয় পানি শোষণ বন্ধ হয়ে যেত। আবার জাইলেম পানি সরবরাহ বন্ধ করলে পাতায় খাদ্য তৈরিই হতে পারত না। সুতরাং, জাইলেমের কাঁচামাল পরিবহন এবং ফ্লোয়েমের প্রস্তুতকৃত খাদ্য সংবহন পরস্পর নির্ভরশীল এবং এই দুই জটিল টিস্যুর যুগপৎ কার্যক্রম ছাড়া কোনো উদ্ভিদের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →