উদ্ভিদ কোষ
উদ্ভিদ কোষের বাইরে থাকে সেলুলোজের শক্ত কোষপ্রাচীর, যা কোষকে আকৃতি দেয় আর রক্ষা করে। ভেতরে থাকে প্লাস্টিড: সবুজ ক্লোরোপ্লাস্ট আলো ধরে খাদ্য তৈরি করে, লিউকোপ্লাস্ট স্টার্চ জমা রাখে, ক্রোমোপ্লাস্ট ফুল ও ফলে রং দেয়। একটি বড় কোষগহ্বর পানি ও রস জমা রেখে কোষকে টানটান রাখে।
প্রাণিকোষ
প্রাণিকোষের বাইরে কেবল নমনীয় কোষঝিল্লি, তাই এর আকৃতি নির্দিষ্ট নয়। এতে প্লাস্টিড নেই, কোষগহ্বর ছোট বা নেই। নিউক্লিয়াসের কাছে থাকে সেন্ট্রোসোম, যা কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল তন্তু তৈরি করে।
দুটিতেই যা থাকে
- নিউক্লিয়াস: কোষের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, ক্রোমোজোম এখানেই থাকে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া: কোষের শক্তিকেন্দ্র, শ্বসনে শক্তি (ATP) তৈরি হয়।
- রাইবোসোম: প্রোটিন তৈরির কারখানা।
- কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম, গলজি বস্তু ও এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম।
মনে রাখার সহজ উপায়
উদ্ভিদের "তিন প" মনে রাখো: প্রাচীর, প্লাস্টিড, প্রকাণ্ড কোষগহ্বর। এই তিনটি উদ্ভিদ কোষে আছে, প্রাণিকোষে নেই। উল্টো দিকে, প্রাণিকোষের বিশেষ অঙ্গাণু সেন্ট্রোসোম।
সাধারণ ভুল
- "প্রাণিকোষে কোষঝিল্লি নেই" লেখা। কোষঝিল্লি দুটিতেই আছে; উদ্ভিদ কোষে তার বাইরে বাড়তি একটি কোষপ্রাচীর থাকে।
- ভাবা যে উদ্ভিদের সব কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। মূলের কোষে আলো পৌঁছায় না, সেখানে সাধারণত ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না।