offSchoolবেটা

রসায়ন · অধ্যায় ৬

মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা

SSC Chemistry Chapter 6

  • ১৫টি টপিক
  • ৫টি সিমুলেশন
  • ১৮ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. মোল ও অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা

    পড়ে নাও

    রসায়নে দুই ধরনের বিশ্লেষণ হয়: গুণগত বিশ্লেষণে মৌল ও তার ধর্ম শনাক্ত করা হয়, আর পরিমাণগত বিশ্লেষণে পদার্থের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। পরিমাণগত হিসাবকে একসাথে রাসায়নিক গণনা বলে, আর এর একক হলো মোল।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. গণনার একক হিসেবে মোল (ডজন ও হালির মতো)

    মোল সংখ্যা নির্ণয় · মোলার আয়তন · মোল, মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তনভিত্তিক গাণিতিক সমস্যা

    পড়ে নাও

    আমরা 12টি ডিমকে এক ডজন, 100টিকে এক শ বলি। তেমনি 6.023 × 10²³ টি অণু, পরমাণু বা আয়নকে বলি এক মোল। তাই মোল একটি গণনার একক, শুধু সংখ্যাটি অনেক বড়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. মোলার দ্রবণ বা মোলারিটি

    মোলারিটিভিত্তিক গাণিতিক সমস্যা

    পড়ে নাও

    আধা গ্লাস পানিতে খাবার লবণ মিশিয়ে নাড়লে লবণ আর দেখা যায় না; এই মিশ্রণই দ্রবণ। এখানে পানি দ্রাবক আর লবণ দ্রব: দ্রবণ = দ্রব + দ্রাবক। পানি দ্রাবক হলে দ্রবণকে জলীয় দ্রবণ বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. দলগত কাজ: নির্দিষ্ট ঘনমাত্রার দ্রবণ তৈরি (NaCl, গ্লুকোজ বা তুঁতে)

    পড়ে নাও

    এই দলগত কাজে নির্দিষ্ট মোলারিটির দ্রবণ তৈরি করা হয়, যেমন 250 mL আয়তনিক ফ্লাস্কে 0.1 মোলার NaCl, গ্লুকোজ বা কপার সালফেট দ্রবণ। আগে হিসাব, তারপর ওজন, তারপর দ্রবণ তৈরি।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. যৌগে উপস্থিত মৌলের শতকরা সংযুতি

    পড়ে নাও

    100 গ্রাম যৌগে কোনো মৌল যত গ্রাম থাকে, তাকে ওই যৌগে মৌলটির শতকরা সংযুতি বলে। যৌগের আণবিক সংকেত থেকেই এটি হিসাব করা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত

    পড়ে নাও

    একটি যৌগের সংকেত দুইভাবে লেখা যায়: অণুতে আসলে কয়টি পরমাণু আছে তা দেখিয়ে, অথবা শুধু পরমাণুগুলোর অনুপাত দেখিয়ে। আণবিক সংকেত: অণুতে বিভিন্ন মৌলের প্রকৃত পরমাণুর সংখ্যা দেখায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. শতকরা সংযুতি থেকে স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত গণনা

    স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেতভিত্তিক গাণিতিক সমস্যা

    পড়ে নাও

    শতকরা সংযুতি মানে হলো কোনো যৌগের ১০০ গ্রামে প্রতিটি মৌল কত গ্রাম আছে। এই তথ্য থেকে আমরা যৌগের স্থূল সংকেত বের করতে পারি। স্থূল সংকেত হলো যৌগে থাকা মৌলগুলোর পরমাণুর সরলতম অনুপাত।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. রাসায়নিক সমীকরণ

    রাসায়নিক সমীকরণের সমতাবিধান

    পড়ে নাও

    যে পরিবর্তনে কোনো পদার্থ নিজের ধর্ম হারিয়ে নতুন ধর্মের পদার্থে পরিণত হয়, তা রাসায়নিক পরিবর্তন, আর যে প্রক্রিয়ায় এটি ঘটে তা রাসায়নিক বিক্রিয়া।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. বিক্রিয়ক ও উৎপাদ থেকে রাসায়নিক সমীকরণ লেখা ও সমতা করা

    পড়ে নাও

    অনেক সময় শুধু বলা থাকে কোন পদার্থ বিক্রিয়া করে কী তৈরি করে। তখন কথাকে সমতাকৃত সমীকরণে রূপ দিতে হয়। কথায় সমীকরণ লেখো: বিক্রিয়ক → উৎপাদ। সঠিক সংকেত লেখো: মৌল ও মূলকের যোজনী দেখে প্রতিটি যৌগের সংকেত বানাও।

    পুরো টপিক পড়ো →

  10. রাসায়নিক সমীকরণের মাত্রিক তাৎপর্য ব্যবহার করে উৎপাদের পরিমাণ নির্ণয়

    পড়ে নাও

    একটি সমতাকৃত সমীকরণ শুধু কী থেকে কী তৈরি হয় তা নয়, কত পরিমাণে তৈরি হয় তাও বলে। বিক্রিয়কের পরিমাণ থেকে উৎপাদের পরিমাণ এবং উৎপাদ থেকে বিক্রিয়কের পরিমাণ নির্ণয়ের শাখাকে স্টয়কিওমিতি বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  11. মোলের ধারণার সাহায্যে বিক্রিয়কের ভর থেকে উৎপাদের ভর গণনা

    পড়ে নাও

    বিক্রিয়কের ভর দেওয়া থাকলে উৎপাদের ভর বের করতে মোল সেতুর কাজ করে, কারণ সমীকরণ সরাসরি গ্রামের নয়, মোলের অনুপাত দেয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  12. লিমিটিং বিক্রিয়ক

    পড়ে নাও

    রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে পদার্থগুলো অংশ নেয় সেগুলো বিক্রিয়ক, আর যেগুলো তৈরি হয় সেগুলো উৎপাদ।

    পুরো টপিক পড়ো →

  13. উৎপাদের শতকরা পরিমাণ হিসাব

    পড়ে নাও

    সমীকরণ থেকে হিসাব করে যত উৎপাদ পাওয়ার কথা, বাস্তবে প্রায়ই তার চেয়ে কম পাওয়া যায়। বাস্তবে পাওয়া উৎপাদ হিসাব করা উৎপাদের শতকরা কত, তাকে উৎপাদের শতকরা পরিমাণ বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  14. কেলাস পানি

    তুঁতের কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ নির্ণয়

    পড়ে নাও

    কিছু লবণ কেলাস তৈরির সময় নির্দিষ্ট সংখ্যক পানির অণু নিজের কেলাসের গঠনে ধরে রাখে। এই পানিকে কেলাস পানি বলে। সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ তুঁতে। তুঁতের রাসায়নিক নাম পেন্টাহাইড্রেট কপার সালফেট, সংকেত CuSO₄.5H₂O।

    পুরো টপিক পড়ো →

  15. দলগত কাজ: ল্যাবরেটরিতে তুঁতের কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ নির্ণয়

    পড়ে নাও

    এই দলগত কাজে পরীক্ষাগারে তুঁতে (CuSO₄.5H₂O) গরম করে এর কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ নির্ণয় করা হয়, তারপর তা হিসাব করা মান 36.07% এর সাথে তুলনা করা হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • মোলের ধারণা ব্যবহার করে সরল গাণিতিক হিসাব করতে পারবে।
  • নির্দিষ্ট ঘনমাত্রার দ্রবণ প্রস্তুত করতে পারবে।
  • প্রদত্ত তথ্য ও উপাত্ত ব্যবহার করে যৌগে উপস্থিত মৌলের শতকরা সংযুতি নির্ণয় করতে পারবে।
  • শতকরা সংযুতি ব্যবহার করে স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত নির্ণয় করতে পারবে।
  • মৌল ও যৌগমূলকের প্রতীক, সংকেত ও যোজনী ব্যবহার করে রাসায়নিক সমীকরণ লিখতে এবং সমতাবিধান করতে পারবে।
  • রাসায়নিক সমীকরণের মাত্রিক তাৎপর্য থেকে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের ভরভিত্তিক গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারবে।
  • তুঁতের কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ নির্ণয় করতে পারবে।
  • নিক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক দ্রব্য পরিমাপ করতে সক্ষম হবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • কেলাস পানি ও তার শতকরা পরিমাণ নির্ণয়
    CuSO4⋅5H2O→ΔCuSO4+5H2O,% H2O=5×18249.5×100=36.1%CuSO_4 \cdot 5H_2O \xrightarrow{\Delta} CuSO_4 + 5H_2O,\quad \%\,H_2O = \frac{5 \times 18}{249.5} \times 100 = 36.1\%
    সিমুলেশনে দেখো →
  • যৌগে মৌলের শতকরা সংযুতি
    % X=number of X atoms×Ar(X)Mr×100\%\,X = \frac{\text{number of } X \text{ atoms} \times A_r(X)}{M_r} \times 100
    সিমুলেশনে দেখো →
  • মোলার দ্রবণ বা মোলারিটি
    S=nV(L)=mM×V(L),S1V1=S2V2S = \frac{n}{V(\text{L})} = \frac{m}{M \times V(\text{L})},\qquad S_1V_1 = S_2V_2
    সিমুলেশনে দেখো →
  • মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা
    n=mM=NNAn = \frac{m}{M} = \frac{N}{N_A}
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ময়মনসিংহের একটি বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান পরীক্ষাগারে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের দুটি পরীক্ষা প্রদর্শন করলেন। প্রথম পাত্রের একটি জৈব যৌগে শতকরা সংযুতি পাওয়া গেল: কার্বন (C) = ৪০%, হাইড্রোজেন (H) = ৬.৬৭% এবং অবশিষ্ট অংশ অক্সিজেন (O); যৌগটির আণবিক ভর ১৮০। দ্বিতীয় পাত্রে তিনি ৫০ g বিশুদ্ধ ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃) এবং ৩০ g হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) মিশ্রিত করে বিক্রিয়া ঘটালেন। (দেওয়া আছে: পারমাণবিক ভর Ca = ৪০, C = ১২, O = ১৬, H = ১, Cl = ৩৫.৫)।

  1. ক

    মোলার দ্রবণ (molar solution) কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১ লিটার দ্রবণে যদি ১ মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকে, তবে সেই দ্রবণকে মোলার দ্রবণ বলে।

  2. খ

    নীল বর্ণের তুঁতেকে (CuSO₄·5H₂O) উত্তপ্ত করলে তা সাদা বর্ণ ধারণ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    তুঁতে বা কপার সালফেট পেন্টাহাইড্রেটের (CuSO₄·5H₂O) কেলাসে ৫ অণু কেলাস পানি (water of crystallization) যুক্ত থাকে, যা কপার আয়নের সাথে সন্নিবেশ বন্ধন তৈরি করে এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ উজ্জ্বল নীল বর্ণের সৃষ্টি করে। যখন তুঁতেকে শিখার উপর উত্তপ্ত করা হয়, তখন তাপের প্রভাবে এই ৫ অণু কেলাস পানি বাষ্পীভূত হয়ে অপসারিত হয় এবং অনার্দ্র কপার সালফেটে (anhydrous CuSO₄) পরিণত হয়। অনার্দ্র কপার সালফেটে কোনো কেলাস পানি না থাকায় এটি তার নীল বর্ণ হারিয়ে সাদা বর্ণ ধারণ করে।

  3. গ

    প্রথম পাত্রের যৌগটির স্থূল সংকেত ও আণবিক সংকেত নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    ১. অক্সিজেনের শতকরা পরিমাণ নির্ণয়: অক্সিজেনের শতকরা সংযুতি = ১০০% − (৪০% + ৬.৬৭%) = ৫৩.৩৩%।

    ২. শতকরা সংযুতিকে নিজ নিজ পারমাণবিক ভর দ্বারা ভাগ: C = ৪০ ÷ ১২ = ৩.৩৩ H = ৬.৬৭ ÷ ১ = ৬.৬৭ O = ৫৩.৩৩ ÷ ১৬ = ৩.৩৩

    ৩. ভাগফলগুলোকে ক্ষুদ্রতম সংখ্যা (৩.৩৩) দ্বারা ভাগ করে পরমাণুর পূর্ণসংখ্যা অনুপাত নির্ণয়: C = ৩.৩৩ ÷ ৩.৩৩ = ১ H = ৬.৬৭ ÷ ৩.৩৩ ≈ ২ O = ৩.৩৩ ÷ ৩.৩৩ = ১ অতএব, যৌগটির স্থূল সংকেত হলো CH₂O।

    ৪. আণবিক সংকেত নির্ণয়: স্থূল সংকেতের ভর = ১২ + (১ × ২) + ১৬ = ৩০। ধরি, যৌগটির আণবিক সংকেত = (CH₂O)ₙ। আমরা জানি, n = (আণবিক ভর) ÷ (স্থূল সংকেতের ভর) = ১৮০ ÷ ৩০ = ৬। সুতরাং, যৌগটির আণবিক সংকেত = (CH₂O)₆ বা C₆H₁₂O₆।

  4. ঘ

    দ্বিতীয় পাত্রের বিক্রিয়ায় কোন বিক্রিয়কটি লিমিটিং বিক্রিয়ক হবে এবং বিক্রিয়া শেষে অপর বিক্রিয়কটি কতটুকু অবশিষ্ট থাকবে? গাণিতিক বিশ্লেষণসহ মতামত দাও।

    উত্তর দেখাও

    সমতাকৃত রাসায়নিক সমীকরণ: CaCO₃ + 2HCl → CaCl₂ + CO₂ + H₂O

    মোলার ভরের হিসাব: CaCO₃ এর মোলার ভর = ৪০ + ১২ + (১৬ × ৩) = ১০০ g/mol ২ মোল HCl এর ভর = ২ × (১ + ৩৫.৫) = ২ × ৩৬.৫ = ৭৩ g

    সমীকরণ অনুসারে, ১০০ g CaCO₃ এর সাথে বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন ৭৩ g HCl অতএব, ৫০ g CaCO₃ এর সাথে বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন = (৭৩ × ৫০) ⁄ ১০০ = ৩৬.৫ g HCl।

    কিন্তু উদ্দীপকে দ্বিতীয় পাত্রে সরবরাহকৃত HCl এর পরিমাণ মাত্র ৩০ g, যা প্রয়োজনীয় ৩৬.৫ g অপেক্ষা কম। ফলে বিক্রিয়া চলাকালে HCl সম্পূর্ণ বিক্রিয়া করে সবার আগে শেষ হয়ে যাবে। অতএব, HCl হলো লিমিটিং বিক্রিয়ক।

    অবশিষ্ট CaCO₃ এর পরিমাণ নির্ণয়: ৭৩ g HCl বিক্রিয়া করে ১০০ g CaCO₃ এর সাথে অতএব, ৩০ g HCl বিক্রিয়া করে = (১০০ × ৩০) ⁄ ৭৩ = ৩০০০ ⁄ ৭৩ ≈ ৪১.১০ g CaCO₃ এর সাথে।

    সুতরাং, বিক্রিয়া শেষে পাত্রে অবশিষ্ট CaCO₃ এর পরিমাণ = ৫০ − ৪১.১০ = ৮.৯০ g। সিদ্ধান্ত: উদ্দীপকের বিক্রিয়ায় HCl হলো লিমিটিং বিক্রিয়ক এবং পাত্রে ৮.৯০ g CaCO₃ অবিশিষ্ট থাকবে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →