পড়ার নোট
এই দলগত কাজে পরীক্ষাগারে তুঁতে () গরম করে এর কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ নির্ণয় করা হয়, তারপর তা হিসাব করা মান 36.07% এর সাথে তুলনা করা হয়।
মূলনীতি
তুঁতে গরম করলে কেলাস পানি বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যায় এবং নীল রং সাদা হয়: । গরমের আগে ও পরে ভরের পার্থক্যই বের হয়ে যাওয়া পানির ভর।
উপকরণ: তুঁতে, চীনামাটির বাটি, রাসায়নিক নিক্তি, ত্রিপদী স্ট্যান্ড, তারজালি, বুনসেন বার্নার বা স্পিরিট ল্যাম্প, ডেসিকেটর।
কার্যপদ্ধতি
- খালি চীনামাটির বাটি ওজন করো: গ্রাম।
- বাটিতে কিছু তুঁতে নিয়ে আবার ওজন করো: গ্রাম। তুঁতের ভর g।
- ত্রিপদী স্ট্যান্ডে তারজালি রেখে বাটি বসাও এবং ধীরে ধীরে গরম করো। নীল রং ক্রমে সাদা হবে।
- রং পুরোপুরি সাদা হলে তাপ বন্ধ করো।
- দ্রুত বাটি ডেসিকেটরে নিয়ে ঠান্ডা করে ওজন করো: গ্রাম। দেরি হলে সাদা কপার সালফেট বাতাস থেকে পানি টেনে আবার নীল হয়ে যাবে।
হিসাব
- অনার্দ্র কপার সালফেটের ভর g
- বের হয়ে যাওয়া পানির ভর g
- কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ
উদাহরণ: একটি দলের পাঠ: g, g, g।
- তুঁতের ভর g।
- পানির ভর g।
- শতকরা পরিমাণ ।
হিসাব করা মান 36.07% এর খুব কাছে, তাই পরীক্ষাটি সফল।
ফল কম আসতে পারে কেন
| কারণ | প্রভাব |
|---|---|
| পুরো সাদা হওয়ার আগে তাপ বন্ধ | কিছু পানি থেকে যায়, শতকরা হার কম |
| ঠান্ডা করার সময় বাতাসের পানি শোষণ | বেড়ে যায়, শতকরা হার কম |
সতর্কতা: ধীরে ও সাবধানে গরম করো, যাতে সব জায়গায় তাপ পৌঁছায়; পানি বের হওয়ার পর দ্রুত ওজন করো। গরম বাটি খালি হাতে ধরবে না।
সাধারণ ভুল হলো কে সরাসরি অনার্দ্র লবণের ভর ধরা। এর মধ্যে বাটির ভরও আছে, তাই নিতে হয়।
মনে রাখো: তুঁতে গরম করার আগে ও পরে ওজন নিয়ে কেলাস পানির শতকরা পরিমাণ ; ধীরে গরম করা ও ডেসিকেটরে ঠান্ডা করে দ্রুত ওজন করা সঠিক ফলের চাবিকাঠি।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।