পড়ার নোট
এই দলগত কাজে নির্দিষ্ট মোলারিটির দ্রবণ তৈরি করা হয়, যেমন 250 mL আয়তনিক ফ্লাস্কে 0.1 মোলার NaCl, গ্লুকোজ বা কপার সালফেট দ্রবণ। আগে হিসাব, তারপর ওজন, তারপর দ্রবণ তৈরি।
ধাপ ১: কত গ্রাম দ্রব লাগবে
সূত্র: , যেখানে = দ্রবের ভর (g), = মোলারিটি, = দ্রবণের আয়তন (mL), = আণবিক ভর।
| দ্রব | (0.1 মোলার, 250 mL) | |
|---|---|---|
| NaCl | g | |
| গ্লুকোজ | 180 | g |
| কপার সালফেট | 249.5 | g |
কপার সালফেটের কেলাসে 5 অণু পানি থাকে, তাই ওজন করার সময় এর আণবিক ভর 249.5 ধরতে হয়।
ধাপ ২: দ্রবণ তৈরি
উপকরণ: 250 mL আয়তনিক ফ্লাস্ক, ফানেল, ওজন করার বোতল, রাসায়নিক নিক্তি, ওয়াশ বোতল, পাতিত পানি।
- পরিষ্কার আয়তনিক ফ্লাস্কের মুখে ফানেল বসাও।
- শুকনো ওজন-বোতল নিক্তিতে ওজন করো, তারপর এতে হিসাবমতো দ্রব নিয়ে আবার ওজন করো।
- দ্রব ফানেল দিয়ে ফ্লাস্কে ঢালো; ওয়াশ বোতলের পানি দিয়ে ফানেল ধুয়ে সবটুকু দ্রব ফ্লাস্কে নামাও।
- প্রায় অর্ধেক পানি দিয়ে ছিপি লাগিয়ে ঝাঁকাও, যতক্ষণ দ্রব পুরোপুরি দ্রবীভূত না হয়।
- এরপর সাবধানে পাতিত পানি যোগ করে দ্রবণের মোট আয়তন ফ্লাস্কের 250 mL দাগ পর্যন্ত আনো, এবং আবার ঝাঁকাও।
সতর্কতা
শুকনো ও বিশুদ্ধ দ্রব নাও, ওজন-বোতল শুকনো রাখো, শুধু পাতিত পানি ব্যবহার করো। সোডিয়াম কার্বনেট বিশুদ্ধ ও শুষ্ক অবস্থায় পাওয়া যায়, সরাসরি ওজন করা যায় এবং এর দ্রবণ দীর্ঘস্থায়ী; তাই একে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে।
উদাহরণ: একটি দল 0.1 মোলার গ্লুকোজ দ্রবণের জন্য ভুল করে 4.5 g এর বদলে 3.6 g গ্লুকোজ নিল। তাদের দ্রবণের মোলারিটি কত হলো? মোলার, অর্থাৎ লক্ষ্যের চেয়ে কম।
সাধারণ ভুল হলো দ্রবের সাথে আলাদা করে 250 mL পানি ঢালা। তাহলে মোট আয়তন 250 mL এর বেশি হয়ে যায়; দাগ পর্যন্ত পানি যোগ করে মোট দ্রবণকে 250 mL করতে হয়।
মনে রাখো: নির্দিষ্ট ঘনমাত্রার দ্রবণ তৈরিতে আগে দিয়ে দ্রবের ভর বের করে ওজন করতে হয়, তারপর আয়তনিক ফ্লাস্কে দ্রবীভূত করে দাগ পর্যন্ত পাতিত পানি যোগ করতে হয়।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।