পদার্থবিজ্ঞান · অধ্যায় ৯
আলোর প্রতিসরণ
SSC Physics Chapter 9
- ১২টি টপিক
- ৬টি সিমুলেশন
- ১৫ পিরিয়ড
সিমুলেশন
টপিক
আলোর প্রতিসরণের সূত্র
পড়ে নাও
আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাওয়ার সময় তিনটি ঘটনা ঘটতে পারে: কিছু আলো ফিরে আসে (প্রতিফলন), কিছু আলো দ্বিতীয় মাধ্যমে ঢুকে দিক বদলায় (প্রতিসরণ), আর কিছু আলো শোষিত হয়।
প্রতিসরাঙ্ক
পড়ে নাও
শূন্যস্থানে আলোর বেগ c ≈ 3 × 10⁸ m/s, আর অন্য যেকোনো মাধ্যমে আলোর বেগ এর চেয়ে কম।
ক্রান্তি কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
পড়ে নাও
আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে গেলে লম্ব থেকে দূরে সরে যায়, তাই প্রতিসরণ কোণ আপতন কোণের চেয়ে বড় হয়। আপতন কোণ বাড়াতে থাকলে একসময় প্রতিসরণ কোণ 90° হয়, অর্থাৎ প্রতিসরিত রশ্মি বিভেদতল ঘেঁষে চলে।
রংধনু ও মরীচিকা
রংধনু · মরীচিকা
পড়ে নাও
বৃষ্টির পর রোদ উঠলে বাতাসে ভাসা পানির কণা প্রিজমের মতো কাজ করে। এই কণায় আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হয় এবং ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়।
অপটিক্যাল ফাইবার
পড়ে নাও
অপটিক্যাল ফাইবার হলো অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু, যার ভেতর দিয়ে আলোকে আটকে রেখে বহুদূর নেওয়া যায়। মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় চলে, কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে বলে ফাইবার ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে আলো নেওয়া যায়।
টেলিকমিউনিকেশন এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এর ব্যবহার
পড়ে নাও
আগে তথ্য পাঠানো হতো বৈদ্যুতিক তারে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে; এখন অনেক ক্ষেত্রে সেই তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু, অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করে আলোর সংকেতে তথ্য পাঠানো হয়।
আলোর প্রতিসরণের ব্যবহার
পড়ে নাও
আলোর প্রতিসরণের নানা ধরনের ব্যবহার আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রিজম, পেরিস্কোপ ও বাইনোকুলার
প্রিজম · পেরিস্কোপ ও বাইনোকুলার
পড়ে নাও
দুটি অসমান্তরাল সমতল পৃষ্ঠ দিয়ে আবদ্ধ স্বচ্ছ মাধ্যমকে প্রিজম বলে। প্রথম পৃষ্ঠে ঢোকার সময় আলো লম্বের দিকে বেঁকে যায়; দ্বিতীয় পৃষ্ঠটি সমান্তরাল নয় বলে বের হওয়ার সময় লম্ব থেকে সরে গেলেও আলো আর মূল দিকে ফিরতে পারে না।
লেন্স এবং লেন্সের প্রকারভেদ
অবতল লেন্স · উত্তল লেন্স
পড়ে নাও
দুটি বক্রতল, অথবা একটি বক্রতল ও একটি সমতল দ্বারা আবদ্ধ স্বচ্ছ মাধ্যমকে বলে লেন্স। চশমা থেকে শুরু করে টেলিস্কোপ, মাইক্রোস্কোপ, ক্যামেরা ও ভিডিও প্রজেক্টরে লেন্স ব্যবহার হয়।
লেন্স সংক্রান্ত রাশি
ফোকাস দূরত্ব · লক্ষবস্তুর দূরত্ব · প্রতিবিম্বের দূরত্ব
পড়ে নাও
লেন্সের প্রতিবিম্ব বোঝার জন্য কয়েকটি রাশি ও বিন্দু জানা দরকার। বক্রতার কেন্দ্র: লেন্সের তলগুলো যে গোলকের অংশ, সেই গোলকগুলোর কেন্দ্র (C₁, C₂)।
লেন্সে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি
পড়ে নাও
লেন্সে প্রতিবিম্ব আঁকতে তিনটি বিশেষ রশ্মির নিয়ম জানলেই চলে: আলোকীয় কেন্দ্রমুখী রশ্মি প্রতিসরণের পর সোজা চলে যায়।
লেন্সের ক্ষমতা
পড়ে নাও
চশমার 'পাওয়ার' বলতে আমরা লেন্সের ক্ষমতা বুঝি। দুটি উত্তল লেন্সের কাছে একই দূরত্বে একটি জিনিস রাখলে যে লেন্সে জিনিসটি বেশি বড় দেখায়, তার ক্ষমতা বেশি। দেখা যায়, যে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব যত কম, তাতে জিনিস তত বড় দেখায়।
শিখনফল
- আলোর প্রতিসরণের সূত্র ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- প্রতিসরাঙ্ক ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- দৈনন্দিন জীবনে আলোর প্রতিসরণের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- লেন্সের প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- আলোক রশ্মির ক্রিয়ারেখা অঙ্কন করে লেন্স সংক্রান্ত বিভিন্ন রাশি বর্ণনা করতে পারবে।
- লেন্সে সৃষ্ট প্রতিবিম্ব আলোক রশ্মির ক্রিয়ারেখা অঙ্কন করে বর্ণনা করতে পারবে।
- লেন্সের ক্ষমতা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- লেন্স ব্যবহার করে প্রতিবিম্ব সৃষ্টি প্রদর্শন করতে পারবে।
- দৈনন্দিন কার্যক্রমের এবং গবেষণার ক্ষেত্রে লেন্সের অবদানকে প্রশংসা করবে।
এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড
এই অধ্যায়ের সূত্র
- কাচের ফলকে আলোর প্রতিসরণ ও পার্শ্ব সরণ: নির্গত রশ্মি আপতিত রশ্মির সমান্তরাল থাকেসিমুলেশনে দেখো →
- স্নেলের সূত্র ও প্রতিসরাঙ্কসিমুলেশনে দেখো →
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও ক্রান্তি কোণসিমুলেশনে দেখো →
- লেন্স সমীকরণ ও উত্তল লেন্সে বিবর্ধক কাচের শর্তসিমুলেশনে দেখো →
- লেন্সের ক্ষমতাসিমুলেশনে দেখো →
- আলোর বিচ্ছুরণ: প্রতিসরাঙ্ক রঙের ওপর নির্ভর করে, তাই বেগুনি সবচেয়ে বেশি আর লাল সবচেয়ে কম বাঁকেসিমুলেশনে দেখো →