offSchoolবেটা

পদার্থবিজ্ঞান · অধ্যায় ১১

চল বিদ্যুৎ

SSC Physics Chapter 11

  • ১৫টি টপিক
  • ১২টি সিমুলেশন
  • ২০ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. স্থির তড়িৎ হতে চল তড়িৎ সৃষ্টি

    পড়ে নাও

    স্থির তড়িৎ হলো কোনো বস্তুর মধ্যে জমে থাকা আধানের সঙ্গে সম্পর্কিত তড়িৎ। সেই আধান পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে তাকে চল তড়িৎ বলে। তাই স্থির তড়িৎ থেকে চল তড়িৎ সৃষ্টি বলতে জমে থাকা আধানকে প্রবাহিত হতে দেওয়া বোঝায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. তড়িৎ প্রবাহের দিক এবং ইলেকট্রন প্রবাহের দিক

    পড়ে নাও

    তড়িৎপ্রবাহের দিক বলতে ধনাত্মক আধান যে দিকে প্রবাহিত হতো, সেই দিক বোঝায়। কোনো ধাতব পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে প্রচলিত তড়িৎপ্রবাহের দিক উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে ধরা হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. তড়িৎ প্রতীক: সুইচ (একমুখী, দ্বিমুখী), কোষ, ব্যাটারি, স্থির রোধ, পরিবর্তনশীল রোধ, তড়িৎ উৎস (এসি ও ডিসি), ফিউজ, লোড, অ্যামিটার, ভোল্টমিটার, গ্যালভানোমিটার, ভূ-সংযোগ, আড়াআড়ি তার, প্যাঁচানো তার, ধারক

    পড়ে নাও

    তড়িৎ প্রতীক হলো বর্তনীর যন্ত্র ও সংযোগ বোঝানোর নির্দিষ্ট চিহ্ন। আসল যন্ত্রের ছবি না এঁকে এসব চিহ্ন ব্যবহার করলে কোন অংশ কোথায় যুক্ত আছে তা সহজে বোঝা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. পরিবাহী, অপরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহী

    পড়ে নাও

    কোনো পদার্থ দিয়ে তড়িৎ কত সহজে প্রবাহিত হয়, তার ভিত্তিতে পদার্থকে পরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী হিসেবে চেনা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. বিভব পার্থক্য এবং তড়িৎ প্রবাহের মধ্যে সম্পর্ক-ওহমের সূত্র

    পড়ে নাও

    ওহমের সূত্র অনুযায়ী, তাপমাত্রা ও অন্যান্য ভৌত অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহমাত্রা তার দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. স্থির এবং পরিবর্তনশীল রোধ

    পড়ে নাও

    যে রোধকের রোধের মান নির্দিষ্ট এবং ব্যবহারকারী প্রয়োজনমতো তা পরিবর্তন করতে পারেন না, তাকে স্থির রোধ বলে। অন্যদিকে, যে রোধের মান একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে পরিবর্তন করা যায়, তাকে পরিবর্তনশীল রোধ বা রিওস্টেট বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. তড়িৎচালক বল এবং বিভব পার্থক্য

    পড়ে নাও

    তড়িৎ চালক শক্তি বা ইএমএফ হলো উৎসের সরবরাহ করা শক্তি ও স্থানান্তরিত আধানের অনুপাত। ব্যাটারি বা জেনারেটর আধানকে নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবে নিয়ে যেতে কাজ করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. রোধের নির্ভশীলতা

    দৈর্ঘ্য · প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল · তাপমাত্রা · উপাদান

    পড়ে নাও

    রোধ হলো তড়িৎপ্রবাহে বাধার পরিমাপক রাশি। কোনো তারের রোধ তার দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, উপাদান ও তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। একটি বিষয়ের প্রভাব তুলনা করার সময় অন্য বিষয়গুলো অপরিবর্তিত রাখতে হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. রোধকতা ও পরিবাহিতা

    পড়ে নাও

    একটি তারের রোধ জানলেই তার উপাদান কত ভালো পরিবাহী তা পুরোপুরি বোঝা যায় না। একই উপাদানের লম্বা ও সরু তারের রোধ বেশি, ছোট ও মোটা তারের রোধ কম হতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  10. শ্রেণি এবং সমান্তরাল বর্তনী তৈরি ও ব্যবহার

    পড়ে নাও

    শ্রেণি সংযোগে রোধ বা বাতিগুলো একটির পর একটি যুক্ত থাকে, ফলে আধান চলার একটিমাত্র পথ পাওয়া যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  11. তুল্যরোধ এবং বর্তনীতে তুল্যরোধের ব্যবহার

    পড়ে নাও

    তুল্য রোধ হলো এমন একটি একক রোধ, যা একাধিক রোধের সমন্বয়ের পরিবর্তে বসালে একই বিভব পার্থক্যে উৎস থেকে একই মোট প্রবাহ পাওয়া যায়। এর সাহায্যে জটিল বর্তনীর একটি অংশকে সহজ করে মোট প্রবাহ নির্ণয় করা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  12. তড়িৎ ক্ষমতার হিসাব

    পড়ে নাও

    তড়িৎ ক্ষমতা হলো বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যয় বা রূপান্তরের হার, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কত শক্তি ব্যবহৃত হয়। বাতি আলো দেয়, ফ্যান ঘোরে এবং মোবাইল চার্জ হয়—এসব কাজে বৈদ্যুতিক শক্তি অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  13. তড়িতের সিস্টেম লস এবং লোড শেডিং

    পড়ে নাও

    বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছাতে পরিবাহী তার লাগে। এই তারের রোধ কম হলেও শূন্য নয়। ফলে বিদ্যুৎপ্রবাহের সময় বৈদ্যুতিক শক্তির কিছু অংশ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশে চলে যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  14. তড়িতের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহার

    পড়ে নাও

    বাসায় ব্যবহৃত 220 V এসি বিদ্যুৎ শরীরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলে গুরুতর শক লাগতে পারে। সরাসরি হৃৎপিণ্ড দিয়ে মাত্র 10 mA প্রবাহও প্রাণঘাতী হতে পারে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  15. বাসা বাড়ির উপযোগী তড়িৎ বর্তনীর নকশা প্রণয়ন এবং ব্যবহার প্রদর্শন

    পড়ে নাও

    বাসার তড়িৎ বর্তনী এমনভাবে সাজাতে হয়, যেন প্রতিটি যন্ত্র প্রয়োজনীয় বিভব পার্থক্য পায়, আলাদাভাবে চালানো যায় এবং ত্রুটিতে সুরক্ষা থাকে। বাংলাদেশে বাসায় সাধারণত 220 V এসি উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • স্থির তড়িৎ হতে চলতড়িৎ সৃষ্টি প্রদর্শন করতে পারবে।
  • তড়িৎ প্রবাহের দিক এবং ইলেক্ট্রন প্রবাহের দিক ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তড়িৎ যন্ত্র ও উপকরণের প্রতীক ব্যবহার করে বর্তনী অঙ্কন করতে পারবে।
  • পরিবাহী, অপরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহী পদার্থ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • লেখচিত্রের সাহায্যে তড়িৎ প্রবাহ এবং বিভব পার্থক্য এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে।
  • স্থির রোধ এবং পরিবর্তনশীল রোধ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তড়িৎচালক বল এবং বিভব পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • রোধের নির্ভরশীলতা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • রোধকতা ও পরিবাহিতা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • শ্রেণি ও সমান্তরাল বর্তনী ব্যবহার করতে পারবে।
  • বর্তনীতে তুল্যরোধ ব্যবহার করতে পারবে।
  • তড়িৎ ক্ষমতার হিসাব করতে পারবে।
  • তড়িতের সিস্টেম লস এবং লোড শেডিং ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তড়িতের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারবে।
  • বাসা বাড়িতে ব্যবহার উপযোগী বর্তনীর নকশা প্রণয়ন করে এসি উৎসে এর ব্যবহার প্রদর্শন করতে পারবে।
  • তড়িৎ শক্তির অপচয় রোধ ও সংরক্ষণে করতে পারবে। সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পোস্টার অঙ্কন
  • তড়িতের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • কোষের তড়িচ্চালক বল ও প্রান্তীয় বিভব পার্থক্য
    E=V+Ir,V=E−IrE = V + Ir, \qquad V = E - Ir
    সিমুলেশনে দেখো →
  • পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবাহিতা মুক্ত ইলেকট্রনের উপর নির্ভর করে: পরিবাহী সহজে বিদ্যুৎ পরিবহন করে, গ্রাফাইট কিছুটা রোধ তৈরি করে এবং অপরিবাহীতে প্রবাহ চলে না
    I=VRb+Rp,P=I2RbI = \frac{V}{R_b + R_p}, \qquad P = I^2 R_b
    সিমুলেশনে দেখো →
  • রোধকতা ও পরিবাহিতা
    R=ρLA,σ=1ρ,P=I2RR = \rho \frac{L}{A},\qquad \sigma = \frac{1}{\rho},\qquad P = I^2 R
    সিমুলেশনে দেখো →
  • পরিবাহী তারের দৈর্ঘ্য বাড়লে রোধ বাড়ে
    R=ρLA,I=VRlamp+rR = \rho \frac{L}{A}, \qquad I = \frac{V}{R_{\text{lamp}} + r}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • শ্রেণি সংযোগে তড়িৎ প্রবাহের পথ একটিই — পথের যেকোনো জায়গায় ফাঁক হলে পুরো বর্তনীতে প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়
    Rs=R1+R2,1Rp=1R1+1R2R_s = R_1 + R_2, \qquad \frac{1}{R_p} = \frac{1}{R_1} + \frac{1}{R_2}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • স্থির তড়িৎ হতে চল তড়িৎ সৃষ্টি
    I(t)=VRe−t/RC,tlit=RCln⁡3I(t) = \frac{V}{R} e^{-t/RC},\quad t_{\text{lit}} = RC \ln 3
    সিমুলেশনে দেখো →
  • শ্রেণি সংযোগে তড়িৎ প্রবাহ সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে
    I=VR1+R2=I1=I2I = \frac{V}{R_1 + R_2} = I_1 = I_2
    সিমুলেশনে দেখো →
  • বিদ্যুতের এক ইউনিট হলো এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh): ১০০০ W ক্ষমতার যন্ত্র ১ ঘণ্টা চললে যে শক্তি খরচ হয়
    W=P×t1000 kWhW = \frac{P \times t}{1000}\ \text{kWh}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • সমান্তরাল বর্তনীতে প্রতিটি যন্ত্র পূর্ণ ভোল্টেজ পায় এবং তাদের প্রবাহ যোগ হয়: অতিরিক্ত লোডে মোট প্রবাহ ফিউজের রেটিং অতিক্রম করলে ফিউজ গলে বর্তনী রক্ষা করে।
    I=I1+I2+I3=VR1+VR2+VR3,P=VI=I2RI = I_1 + I_2 + I_3 = \frac{V}{R_1} + \frac{V}{R_2} + \frac{V}{R_3}, \qquad P = VI = I^2 R
    সিমুলেশনে দেখো →
  • তড়িৎ ক্ষমতা P = VI = I²R = V²/R এবং লাইনে সিস্টেম লস I²r
    P=VI=I2R=V2R,Ploss=I2rP = VI = I^2 R = \frac{V^2}{R}, \qquad P_{\text{loss}} = I^2 r
    সিমুলেশনে দেখো →
  • সমান্তরাল সমবায়ে তুল্যরোধের বিপরীত রাশি প্রতিটি রোধের বিপরীত রাশির যোগফলের সমান
    1Rp=1R1+1R2+1R3\frac{1}{R_p} = \frac{1}{R_1} + \frac{1}{R_2} + \frac{1}{R_3}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • তড়িৎ প্রবাহের জন্য সম্পূর্ণ বদ্ধ বর্তনী প্রয়োজন: প্রচলিত প্রবাহ ধনাত্মক (+) থেকে ঋণাত্মক (−) এবং ইলেকট্রন বিপরীত দিকে চলে
    I=VR,P=I2R=V2RI = \frac{V}{R}, \qquad P = I^2 R = \frac{V^2}{R}
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সজীব বগুড়ার একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রদর্শনের জন্য একটি তড়িৎ বর্তনী তৈরি করল। বর্তনীটিতে R₁ = ১০ Ω, R₂ = ১৫ Ω, R₃ = ৩০ Ω এবং R₄ = ৪ Ω মানের চারটি রোধক রয়েছে। R₁, R₂ ও R₃ রোধক তিনটি পরস্পরের সাথে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত এবং এই সমবায়টির সাথে R₄ শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত। পুরো বর্তনীটি ১৮ V তড়িৎচালক বল ও ১ Ω অভ্যন্তরীণ রোধ বিশিষ্ট একটি ব্যাটারির সাথে সংযুক্ত।

  1. ক

    তড়িৎ ক্ষমতা (electric power) কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    কোনো তড়িৎ যন্ত্রের প্রতি সেকেন্ডে কাজ করার হারকে বা তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার হারকে তড়িৎ ক্ষমতা বলে।

  2. খ

    অ্যামিটারকে বর্তনীতে সর্বদা শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    অ্যামিটার হলো বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ মাপার যন্ত্র এবং এর অভ্যন্তরীণ রোধ অত্যন্ত কম রাখা হয়। বর্তনীতে শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করলে সম্পূর্ণ মূল প্রবাহ অ্যামিটারের মধ্য দিয়ে যায় এবং এর স্বল্প রোধের কারণে বর্তনীর মোট রোধ ও তড়িৎ প্রবাহের মানে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে না। কিন্তু একে সমান্তরালে যুক্ত করলে অতি অল্প রোধের কারণে এর মধ্য দিয়ে অতিরিক্ত প্রবাহ গিয়ে অ্যামিটারটি পুড়ে নষ্ট হতে পারে।

  3. গ

    উদ্দীপকের বর্তনীর মূল তড়িৎ প্রবাহের মান (I) নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    সমান্তরাল অংশের তুল্যরোধ: ১ ⁄ R_p = ১ ⁄ R₁ + ১ ⁄ R₂ + ১ ⁄ R₃ = ১ ⁄ ১০ + ১ ⁄ ১৫ + ১ ⁄ ৩০ = (৩ + ২ + ১) ⁄ ৩০ = ৬ ⁄ ৩০ = ১ ⁄ ৫ অতএব, R_p = ৫ Ω। বহিঃস্থ মোট তুল্যরোধ R = R_p + R₄ = ৫ + ৪ = ৯ Ω। বর্তনীর মূল তড়িৎ প্রবাহ I = E ⁄ (R + r) = ১৮ ⁄ (৯ + ১) = ১৮ ⁄ ১০ = ১.৮ A।

  4. ঘ

    উদ্দীপকের সমান্তরাল সমবায়ের রোধকগুলোর (R₁, R₂ ও R₃) মধ্যে কোনটিতে সবচেয়ে বেশি তড়িৎ ক্ষমতা ব্যয়িত হবে? গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখাও।

    উত্তর দেখাও

    সমান্তরাল সমবায়ের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V_p = I × R_p = ১.৮ × ৫ = ৯ V। প্রতিটি সমান্তরাল রোধকের দুই প্রান্তেই এই একই বিভব পার্থক্য ৯ V ক্রিয়া করে। R₁ রোধকে ব্যয়িত ক্ষমতা: P₁ = V_p² ⁄ R₁ = ৯² ⁄ ১০ = ৮১ ⁄ ১০ = ৮.১ W। R₂ রোধকে ব্যয়িত ক্ষমতা: P₂ = V_p² ⁄ R₂ = ৯² ⁄ ১৫ = ৮১ ⁄ ১৫ = ৫.৪ W। R₃ রোধকে ব্যয়িত ক্ষমতা: P₃ = V_p² ⁄ R₃ = ৯² ⁄ ৩০ = ৮১ ⁄ ৩০ = ২.৭ W। ক্ষমতার মানগুলো তুলনা করে দেখা যায়: P₁ > P₂ > P₃ (৮.১ W > ৫.৪ W > ২.৭ W)। যেহেতু সমান্তরাল সংযোগে বিভব পার্থক্য স্থির থাকে, তাই P = V² ⁄ R সূত্রানুসারে ক্ষমতা রোধের ব্যস্তানুপাতিক। ফলে সবচেয়ে কম রোধবিশিষ্ট রোধক R₁-এ (১০ Ω) সবচেয়ে বেশি তড়িৎ ক্ষমতা (৮.১ W) ব্যয়িত হবে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →