পরিবাহী
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ সহজে প্রবাহিত হয়, সেগুলো পরিবাহী। এদের ভেতরে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে, যারা বিভব পার্থক্য দিলে একটি নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়ে চার্জ বহন করে। ধাতু ভালো পরিবাহী; বাসার তড়িৎ তার তামার তৈরি।
অপরিবাহী
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না, সেগুলো অপরিবাহী। এদের ইলেকট্রন পরমাণুর সাথে শক্তভাবে বাঁধা, মুক্ত ইলেকট্রন প্রায় নেই। তাই তারের আবরণ প্লাস্টিকের হয়: আবরণ অক্ষত থাকলে স্পর্শ করলেও তড়িৎ শরীরে আসে না।
অর্ধপরিবাহী
যাদের পরিবাহিতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি, সেগুলো অর্ধপরিবাহী। এদের বিশেষ গুণ হলো তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহিতা বাড়ে, আর সামান্য অন্য পদার্থ মিশিয়ে (ডোপিং) এদের পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ কারণেই সিলিকন দিয়ে ডায়োড, ট্রানজিস্টর আর আইসি চিপ তৈরি হয়, যা আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের ভিত্তি।
সাধারণ ভুল
- পানিকে সবসময় পরিবাহী বলা। বিশুদ্ধ পানি প্রায় অপরিবাহী; সাধারণ পানিতে দ্রবীভূত লবণ থাকে বলে তা তড়িৎ পরিবহন করে, তাই ভেজা হাতে সুইচ ধরা বিপজ্জনক।
- তাপমাত্রা বাড়লে সব পদার্থের পরিবাহিতা বাড়ে ভাবা। ধাতুর পরিবাহিতা কমে, বাড়ে অর্ধপরিবাহীর।