offSchoolবেটা

পদার্থবিজ্ঞান · অধ্যায় ৮

আলোর প্রতিফলন

SSC Physics Chapter 8

  • ৮টি টপিক
  • ৩টি সিমুলেশন
  • ১৪ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. আলোর প্রকৃতি

    পড়ে নাও

    আমরা দেখতে পাই আলোর কারণে। গাছপালা, চেয়ার-টেবিল বা মানুষ নিজেরা আলো নয়; এগুলো থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে চোখে পড়ে, চোখের রেটিনা থেকে সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছায় এবং মস্তিষ্ক বুঝতে পারে কোনটি কী। আলো বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. আলোর প্রতিফলনের সূত্র

    পড়ে নাও

    এক মাধ্যম থেকে আসা আলোর কিছু অংশ দুই মাধ্যমের বিভেদতলে বাধা পেয়ে আগের মাধ্যমে ফিরে আসে; একে প্রতিফলন বলে। প্রতিফলনের সূত্র বোঝার আগে কয়েকটি শব্দ জানা দরকার।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. দর্পণ: সমতল ও গোলীয় (অবতল, উত্তল)

    পড়ে নাও

    যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন হয়, তাকে দর্পণ বা আয়না বলে। দর্পণ প্রধানত দুই রকম: সমতল ও গোলীয়। সমতল দর্পণ: প্রতিফলক তলটি সমতল, যেমন ঘরের সাধারণ আয়না।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. প্রতিবিম্ব: বাস্তব ও অবাস্তব

    পড়ে নাও

    কোনো বস্তুর একটি বিন্দু থেকে আসা আলোক রশ্মিগুলো প্রতিফলন বা প্রতিসরণের পর যে বিন্দুতে মিলিত হয়, অথবা যে বিন্দু থেকে আসছে বলে মনে হয়, সেটিই ঐ বিন্দুর প্রতিবিম্ব।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. দর্পণে আলোর প্রতিবিম্ব

    পড়ে নাও

    বস্তুর X বিন্দু থেকে আসা রশ্মিগুলো আয়নায় প্রতিফলনের সূত্র মেনে প্রতিফলিত হয়। প্রতিফলিত রশ্মিগুলো আয়নার পেছনে বাড়ালে সবগুলো একটি বিন্দু X' এ মিলিত হচ্ছে বলে মনে হয়; X' হলো X এর প্রতিবিম্ব।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. সমতল ও গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব সৃষ্টির কিছু সাধারণ ঘটনা

    পড়ে নাও

    সমতল আয়না: প্রতিবিম্ব সবসময় অবাস্তব, সোজা, সমান আকারের এবং আয়নার পেছনে বস্তুর সমান দূরত্বে। দুটি সমান্তরাল আয়নার মাঝে একটি মোমবাতি রাখলে প্রতিবিম্বের প্রতিবিম্ব হতে থাকে, ফলে অসংখ্য প্রতিবিম্ব দেখা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. দর্পণের ব্যবহার

    নিরাপদ ড্রাইভিং · পাহাড়ি রাস্তার অদৃশ্য বাক/পার্বত্য সড়কে বিপদজ্জনক বাঁক ((Blind turns on Hilly Roads))

    পড়ে নাও

    এক দিকের আলোকে অন্য দিকে পাঠাতে সাধারণ আয়না ব্যবহার হয়। সাধারণ আয়নায় ডান-বাম উল্টে যায়। দুটি আয়নাকে পরস্পরের সঙ্গে 90° কোণে রেখে একটি আয়না হিসেবে ব্যবহার করলে দুবার প্রতিফলনের ফলে ডান-বাম আর উল্টায় না।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. বিবর্ধন

    পড়ে নাও

    প্রতিবিম্ব কখনো বস্তুর চেয়ে ছোট, কখনো বড়ো হয়। প্রতিবিম্ব মূল বস্তুর চেয়ে কত গুণ বড়ো, তাকে বিবর্ধন বলে।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • আলোর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • আলোর প্রতিফলনের সূত্র ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • দর্পণ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • প্রতিবিম্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • আলোক রশ্মির ক্রিয়ারেখা অঙ্কন করে দর্পণে আলোর প্রতিবিম্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সমতল ও গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব সৃষ্টির কিছু সাধারণ ঘটনা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • দর্পণের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বিবর্ধন ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • প্রতিবিম্ব সৃষ্টি প্রদর্শন করতে পারবে।
  • আমাদের জীবনে বিভিন্ন আলোকীয় ঘটনার প্রভাব এবং এদের অবদান উপলব্ধি করতে পারবে এবং প্রশংসা করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের পার্থক্য ও গাইড

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • আলোর প্রতিফলনের সূত্র
    i=r,n=360∘θ−1i = r,\qquad n = \frac{360^\circ}{\theta} - 1
    সিমুলেশনে দেখো →
  • দর্পণের ব্যবহার: সমতল, উত্তল ও অবতল দর্পণের প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্য
    1u+1v=1f,m=∣v∣u\frac{1}{u} + \frac{1}{v} = \frac{1}{f},\quad m = \frac{|v|}{u}
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষাগারে অপটিক্যাল বেঞ্চে ৪০ cm বক্রতার ব্যাসার্ধের একটি অবতল দর্পণ রাখা আছে। শিক্ষার্থী আয়মান প্রধান অক্ষের উপর লম্বভাবে ৬ cm দৈর্ঘ্যের একটি মোমবাতি স্থাপন করে পর্যবেক্ষণ করল। সে প্রথমে দর্পণ থেকে ৩০ cm দূরত্বে মোমবাতিটি রাখল (অবস্থান-১) এবং পরবর্তীতে দর্পণ থেকে ১০ cm দূরত্বে মোমবাতিটি স্থাপন করল (অবস্থান-২)।

  1. ক

    প্রধান ফোকাস কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    প্রধান অক্ষের সমান্তরাল ও নিকটবর্তী আলোক রশ্মিগুচ্ছ কোনো গোলীয় দর্পণে প্রতিফলিত হওয়ার পর প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দুতে মিলিত হয় বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাকে ঐ দর্পণের প্রধান ফোকাস বলে।

  2. খ

    অবতল দর্পণকে অভিসারী দর্পণ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোক রশ্মি অবতল দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠে আপতিত হলে প্রতিফলনের পর রশ্মিগুলো প্রধান ফোকাসে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত বা অভিসারী (converge) হয়। সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছকে এভাবে এক বিন্দুতে অভিসারী করার বৈশিষ্ট্যের কারণেই অবতল দর্পণকে অভিসারী দর্পণ বলা হয়।

  3. গ

    অবস্থান-১ এ মোমবাতিটি রাখলে গঠিত প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    অবতল দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ r = ৪০ cm, সুতরাং ফোকাস দূরত্ব f = r/২ = ৪০/২ = ২০ cm। অবস্থান-১ এ বস্তুর দূরত্ব u = ৩০ cm এবং বস্তুর দৈর্ঘ্য l = ৬ cm। দর্পণ সূত্র ১/v + ১/u = ১/f থেকে পাই: ১/v = ১/২০ − ১/৩০ = (৩ − ২)/৬০ = ১/৬০ ⇒ v = ৬০ cm। বিবর্ধন |m| = |v/u| = ৬০/৩০ = ২। অতএব প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য l' = |m| × l = ২ × ৬ cm = ১২ cm।

  4. ঘ

    অবস্থান-১ ও অবস্থান-২ এ গঠিত প্রতিবিম্বদ্বয়ের প্রকৃতি ও অবস্থান কী একই রূপ হবে? রশ্মিচিত্রের বর্ণনাসহ গাণিতিক ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ দাও।

    উত্তর দেখাও

    অবস্থান-১ ও অবস্থান-২ এ গঠিত প্রতিবিম্বদ্বয়ের প্রকৃতি ও অবস্থান একই রূপ হবে না; এরা পরস্পর সম্পূর্ণ ভিন্ন। গাণিতিক বিশ্লেষণ: অবস্থান-১ এ u₁ = ৩০ cm এবং f = ২০ cm। যেহেতু u₁ > f (বস্তুটি ফোকাস ও বক্রতার কেন্দ্রের মাঝে অবস্থিত), তাই গ থেকে প্রাপ্ত v₁ = +৬০ cm। v ধনাত্মক হওয়ায় প্রতিবিম্বটি বাস্তব ও উল্টো (real and inverted) এবং দর্পণের সামনে বক্রতার কেন্দ্রের বাইরে ৬০ cm দূরে গঠিত হয়। রশ্মিচিত্রে সমান্তরাল রশ্মি প্রতিফলনের পর ফোকাস দিয়ে যায় এবং ফোকাসগামী রশ্মি প্রতিফলনের পর সমান্তরাল হয়ে প্রকৃতপক্ষে ৬০ cm দূরে ছেদ করে। অন্যদিকে অবস্থান-২ এ u₂ = ১০ cm। এক্ষেত্রে বস্তুটি প্রধান ফোকাসের ভেতরে অবস্থিত (u₂ < f)। দর্পণ সূত্রানুসারে: ১/v₂ = ১/f − ১/u₂ = ১/২০ − ১/১০ = (১ − ২)/২০ = −১/২০ ⇒ v₂ = −২০ cm। v₂ ঋণাত্মক হওয়ায় প্রতিবিম্বটি অবাস্তব ও সোজা (virtual and erect) এবং এটি দর্পণের পেছনে ২০ cm দূরত্বে গঠিত হয়। রশ্মিচিত্রে অপসারী প্রতিফলিত রশ্মিগুলোকে পেছনের দিকে বর্ধিত করলে দর্পণের পেছনে ২০ cm দূরে মিলিত হচ্ছে বলে মনে হয়। অতএব উভয় ক্ষেত্রে বিবর্ধনের মান ২ হলেও অবস্থান-১ এর প্রতিবিম্ব বাস্তব, উল্টো ও দর্পণের সামনে; আর অবস্থান-২ এর প্রতিবিম্ব অবাস্তব, সোজা ও দর্পণের পেছনে। সুতরাং এদের প্রকৃতি ও অবস্থান এক নয়।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →