offSchoolবেটা

উচ্চতর গণিত · অধ্যায় ১১

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি

SSC Higher Math Chapter 11

  • ৬টি টপিক
  • ৩টি সিমুলেশন
  • ১২ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. সমতলে কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক

    পড়ে নাও

    সমতলে কোনো বিন্দুর সঠিক অবস্থান বলতে হলে পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করে এমন দুইটি সরলরেখা থেকে তার দূরত্ব জানা দরকার। এই রেখা দুইটি হলো অক্ষ। XOX' রেখাকে বলে x অক্ষ, YOY' রেখাকে বলে y অক্ষ।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. দুইটি বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব

    পড়ে নাও

    ধরো সমতলে দুইটি বিন্দু P(x₁, y₁) ও Q(x₂, y₂) আছে। P থেকে Q-এর উপর পড়া লম্ব ও PQ নিয়ে একটি সমকোণী ত্রিভুজ পাওয়া যায়। এর অনুভূমিক বাহুর দৈর্ঘ্য x₂ - x₁ এবং উল্লম্ব বাহুর দৈর্ঘ্য y₂ - y₁।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. সরলরেখার ঢাল ও সমীকরণ

    পড়ে নাও

    সরলরেখা x অক্ষের ধনাত্মক দিকের সাথে যে কোণ θ তৈরি করে, তা রেখাটির হেলানোর মাপ।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল

    পড়ে নাও

    ত্রিভুজক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বের করার দুইটি পদ্ধতি আছে। আগে দূরত্বের সূত্র দিয়ে তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য a, b, c বের করো। পরিসীমা 2s = a + b + c, অর্থাৎ s হলো পরিসীমার অর্ধেক।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ অঙ্কন

    পড়ে নাও

    বিন্দুপাতন মানে স্থানাঙ্ক দেখে বিন্দুগুলো কার্তেসীয় তলে বসানো। এভাবে ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ আঁকা যায়, আবার আঁকা ছবি থেকে আকৃতি অনুমান করে হিসাব দিয়ে যাচাই করা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. সরলরেখার লেখচিত্র

    পড়ে নাও

    x ও y-এর একঘাত সমীকরণ সবসময় একটি সরলরেখা। রেখা আঁকতে মাত্র দুইটি বিন্দু দরকার। সবচেয়ে সহজ দুইটি বিন্দু হলো অক্ষ দুটির ছেদবিন্দু। আঁকার ধাপ: সমীকরণকে y = mx + c আকারে লেখো; তখন ঢাল m ও y অক্ষের ছেদক c পাওয়া যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • সমতলে কার্তেসীয় স্থানাঙ্কের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • দুইটি বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করতে পারবে।
  • সরলরেখার ঢালের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • সরলরেখার সমীকরণ নির্ণয় করতে পারবে।
  • স্থানাঙ্কের মাধ্যমে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে পারবে।
  • বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয়ের মাধ্যমে ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে পারবে।
  • বিন্দুপাতনের মাধ্যমে ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত জ্যামিতিক অঙ্কন করতে পারবে।
  • সরলরেখার সমীকরণ লেখচিত্রে উপস্থাপন করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • সরলরেখার ঢাল ও সমীকরণ
    m=y2−y1x2−x1=tan⁡θ,y=mx+cm = \frac{y_2 - y_1}{x_2 - x_1} = \tan\theta, \quad y = mx + c
    সিমুলেশনে দেখো →
  • স্থানাঙ্কের সাহায্যে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল: ½ |x₁(y₂ - y₃) + x₂(y₃ - y₁) + x₃(y₁ - y₂)|
    Δ=12∣x1(y2−y3)+x2(y3−y1)+x3(y1−y2)∣\Delta = \tfrac{1}{2}|x_1(y_2 - y_3) + x_2(y_3 - y_1) + x_3(y_1 - y_2)|
    সিমুলেশনে দেখো →
  • রেখাংশের অন্তর্বিভক্তকরণ ও বিভাজন সূত্র
    P(x,y)=(mx2+nx1m+n,  my2+ny1m+n)P(x, y) = \left( \frac{m x_2 + n x_1}{m + n}, \; \frac{m y_2 + n y_1}{m + n} \right)
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি চা বাগানের ড্রোন নজরদারি প্রকল্পের জন্য চারটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের অবস্থান একটি মানচিত্রের ছক কাগজে চিহ্নিত করা হলো। টাওয়ার চারটির স্থানাঙ্ক যথাক্রমে A(১,১)A(১, ১), B(৭,৩)B(৭, ৩), C(৫,৭)C(৫, ৭) এবং D(−১,৫)D(-১, ৫)।

  1. ক

    উদ্দীপকের তথ্যের সাহায্যে দেখাও যে, ABAB ও CDCD সরলরেখা দুটি পরস্পর সমান্তরাল।

    উত্তর দেখাও

    দুইটি বিন্দুগামী সরলরেখার ঢাল m=y2−y1x2−x1m = \frac{y_2 - y_1}{x_2 - x_1}। A(১,১)A(১, ১) ও B(৭,৩)B(৭, ৩) বিন্দুগামী ABAB রেখার ঢাল m1=৩−১৭−১=২৬=১৩m_1 = \frac{৩ - ১}{৭ - ১} = \frac{২}{৬} = \frac{১}{৩}। আবার, C(৫,৭)C(৫, ৭) ও D(−১,৫)D(-১, ৫) বিন্দুগামী CDCD রেখার ঢাল m2=৫−৭−১−৫=−২−৬=১৩m_2 = \frac{৫ - ৭}{-১ - ৫} = \frac{-২}{-৬} = \frac{১}{৩}। যেহেতু m1=m2=১৩m_1 = m_2 = \frac{১}{৩}, অর্থাৎ রেখাদ্বয়ের ঢাল সমান, তাই ABAB ও CDCD সরলরেখা দুটি পরস্পর সমান্তরাল।

  2. খ

    শীর্ষবিন্দুগুলোর স্থানাঙ্ক ব্যবহার করে ABCDABCD চতুর্ভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    বিন্দুগুলোকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত ক্রমে নিয়ে চতুর্ভুজের ক্ষেত্রফল: ক্ষেত্রফল=১২∣(x1y2+x2y3+x3y4+x4y1)−(y1x2+y2x3+y3x4+y4x1)∣\text{ক্ষেত্রফল} = \frac{১}{২} |(x_1 y_2 + x_2 y_3 + x_3 y_4 + x_4 y_1) - (y_1 x_2 + y_2 x_3 + y_3 x_4 + y_4 x_1)|। শীর্ষবিন্দু A(১,১)A(১, ১), B(৭,৩)B(৭, ৩), C(৫,৭)C(৫, ৭), D(−১,৫)D(-১, ৫)-এর মান বসিয়ে পাই: ১ম গুণফল সমষ্টি =১×৩+৭×৭+৫×৫+(−১)×১=৩+৪৯+২৫−১=৭৬= ১ \times ৩ + ৭ \times ৭ + ৫ \times ৫ + (-১) \times ১ = ৩ + ৪৯ + ২৫ - ১ = ৭৬। ২য় গুণফল সমষ্টি =১×৭+৩×৫+৭×(−১)+৫×১=৭+১৫−৭+৫=২০= ১ \times ৭ + ৩ \times ৫ + ৭ \times (-১) + ৫ \times ১ = ৭ + ১৫ - ৭ + ৫ = ২০। অতএব ক্ষেত্রফল =১২∣৭৬−২০∣=১২×৫৬=২৮= \frac{১}{২} |৭৬ - ২০| = \frac{১}{২} \times ৫৬ = ২৮ বর্গ একক।

  3. গ

    বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য এবং কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে ABCDABCD চতুর্ভুজটির সঠিক জ্যামিতিক রূপ (সামান্তরিক, রম্বস নাকি আয়তক্ষেত্র) গাণিতিকভাবে নির্ধারণ করো।

    উত্তর দেখাও

    দূরত্ব সূত্র d=(x2−x1)2+(y2−y1)2d = \sqrt{(x_2 - x_1)^2 + (y_2 - y_1)^2} প্রয়োগ করে বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য পাই: AB=(৭−১)২+(৩−১)২=৩৬+৪=৪০=২১০AB = \sqrt{(৭ - ১)^২ + (৩ - ১)^২} = \sqrt{৩৬ + ৪} = \sqrt{৪০} = ২\sqrt{১০} একক। CD=(−১−৫)২+(৫−৭)২=৩৬+৪=৪০=২১০CD = \sqrt{(-১ - ৫)^২ + (৫ - ৭)^২} = \sqrt{৩৬ + ৪} = \sqrt{৪০} = ২\sqrt{১০} একক। BC=(৫−৭)২+(৭−৩)২=৪+১৬=২০=২৫BC = \sqrt{(৫ - ৭)^২ + (৭ - ৩)^২} = \sqrt{৪ + ১৬} = \sqrt{২০} = ২\sqrt{৫} একক। DA=(১−(−১))২+(১−৫)২=৪+১৬=২০=২৫DA = \sqrt{(১ - (-১))^২ + (১ - ৫)^২} = \sqrt{৪ + ১৬} = \sqrt{২০} = ২\sqrt{৫} একক। এখানে বিপরীত বাহুদ্বয় সমান (AB=CDAB = CD এবং BC=DABC = DA), তবে সন্নিহিত বাহুদ্বয় অসমান (AB≠BCAB \ne BC), তাই এটি রম্বস নয়। এবার কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য: AC=(৫−১)২+(৭−১)২=১৬+৩৬=৫২=২১৩AC = \sqrt{(৫ - ১)^২ + (৭ - ১)^২} = \sqrt{১৬ + ৩৬} = \sqrt{৫২} = ২\sqrt{১৩} একক। BD=(−১−৭)২+(৫−৩)২=৬৪+৪=৬৮=২১৭BD = \sqrt{(-১ - ৭)^২ + (৫ - ৩)^২} = \sqrt{৬৪ + ৪} = \sqrt{৬৮} = ২\sqrt{১৭} একক। যেহেতু কর্ণদ্বয় অসমান (AC≠BDAC \ne BD), তাই এটি আয়তক্ষেত্র নয়। বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কর্ণদ্বয় অসমান হওয়ায় ABCDABCD একটি সামান্তরিক (parallelogram)।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →