পড়ার নোট
সমতলে কোনো বিন্দুর সঠিক অবস্থান বলতে হলে পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করে এমন দুইটি সরলরেখা থেকে তার দূরত্ব জানা দরকার। এই রেখা দুইটি হলো অক্ষ।
- রেখাকে বলে অক্ষ, রেখাকে বলে অক্ষ।
- অক্ষদ্বয়ের ছেদবিন্দু -কে বলে মূলবিন্দু।
কোনো বিন্দু থেকে অক্ষের লম্ব দূরত্ব -কে বলে ভুজ ( স্থানাঙ্ক), আর অক্ষ থেকে লম্ব দূরত্ব -কে বলে কোটি ( স্থানাঙ্ক)। দুটিকে একসাথে বলে স্থানাঙ্ক, লেখা হয় । অক্ষ দুটি সমকোণে থাকে বলে একে আয়তাকার কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক বলা হয়।
একটি ক্রমজোড়: প্রথমে ভুজ, পরে কোটি। তাই হলে আর দুটি আলাদা বিন্দু। যেমন আর এক জায়গা নয়।
চিহ্নের নিয়ম:
- বিন্দু অক্ষের ডানে থাকলে ভুজ ধনাত্মক, বামে থাকলে ঋণাত্মক।
- বিন্দু অক্ষের উপরে থাকলে কোটি ধনাত্মক, নিচে থাকলে ঋণাত্মক।
- অক্ষের উপরের যেকোনো বিন্দুর কোটি , আর অক্ষের উপরের যেকোনো বিন্দুর ভুজ ।
অক্ষ দুইটি সমতলকে চারটি ভাগে ভাগ করে, প্রতিটিকে বলে চতুর্ভাগ। ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিকে গুনে:
| চতুর্ভাগ | ভুজ ও কোটির চিহ্ন |
|---|---|
| প্রথম | |
| দ্বিতীয় | |
| তৃতীয় | |
| চতুর্থ |
উদাহরণ: বিন্দু পেতে মূলবিন্দু থেকে বামে ঘর যাও, তারপর উপরে ঘর। ভুজ ঋণাত্মক ও কোটি ধনাত্মক, তাই বিন্দুটি দ্বিতীয় চতুর্ভাগে।
মনে রাখো: -এ ভুজ আগে, কোটি পরে; চিহ্ন দেখেই বোঝা যায় বিন্দুটি কোন চতুর্ভাগে।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।