পড়ার নোট
বিন্দুপাতন মানে স্থানাঙ্ক দেখে বিন্দুগুলো কার্তেসীয় তলে বসানো। এভাবে ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ আঁকা যায়, আবার আঁকা ছবি থেকে আকৃতি অনুমান করে হিসাব দিয়ে যাচাই করা যায়।
অঙ্কনের ধাপ:
- গ্রাফ কাগজে ও অক্ষ আঁকো এবং উভয় অক্ষে একই মাপের ঘর ধরো।
- প্রতিটি বিন্দু -এর জন্য মূলবিন্দু থেকে ঘর ডানে (ঋণাত্মক হলে বামে), তারপর ঘর উপরে (ঋণাত্মক হলে নিচে) গিয়ে চিহ্ন দাও।
- বিন্দুগুলোর নাম লেখো (, , ...)।
- বিন্দুগুলো ক্রমানুসারে সরলরেখা দিয়ে যোগ করো; শেষ বিন্দু থেকে প্রথম বিন্দুতে ফিরে এসো।
তিনটি বিন্দুতে ত্রিভুজ হয়, চারটি বিন্দুতে চতুর্ভুজ।
ছবি দেখে অনুমান, হিসাব দিয়ে যাচাই:
- বাহুর দৈর্ঘ্য দূরত্বের সূত্রে বের করে দেখো কোন বাহুগুলো সমান।
- সমকোণ আছে কি না যাচাই করতে বাহুর বর্গ নিয়ে মিলিয়ে দেখো।
- ক্ষেত্রফল বের করতে প্রয়োজনমতো বাহুর দৈর্ঘ্যের সূত্র বা স্থানাঙ্কের সূত্র ব্যবহার করো।
উদাহরণ: , , , বিন্দু বসিয়ে চতুর্ভুজ আঁকলে দেখা যায় এটি সামান্তরিকের মতো। যাচাই:
- এবং
- এবং
- বিপরীত বাহু সমান, তাই এটি সামান্তরিক।
- কর্ণ ও সমান নয়, তাই আয়তক্ষেত্র নয়।
- ক্ষেত্রফল: ভূমি , উচ্চতা , তাই বর্গ একক। স্থানাঙ্কের সূত্রেও পাওয়া যায়।
তিনটি বিন্দু বসিয়ে যদি দেখো সবগুলো একই সরলরেখায় পড়েছে, তবে ত্রিভুজ হবে না।
মনে রাখো: বিন্দু বসিয়ে আকৃতি আঁকো, তারপর বাহুর দৈর্ঘ্য ও ক্ষেত্রফলের হিসাব দিয়ে আকৃতির ধরন যাচাই করো।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।