ত্রিভুজক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বের করার দুইটি পদ্ধতি আছে।
পদ্ধতি ১: বাহুর দৈর্ঘ্য দিয়ে
আগে দূরত্বের সূত্র দিয়ে তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য a a a , b b b , c c c বের করো। পরিসীমা 2 s = a + b + c 2s = a + b + c 2 s = a + b + c , অর্থাৎ s s s হলো পরিসীমার অর্ধেক। তখন
ক্ষেত্রফল = s ( s − a ) ( s − b ) ( s − c ) বর্গ একক \text{ক্ষেত্রফল} = \sqrt{s(s - a)(s - b)(s - c)} \text{ বর্গ একক} ক্ষেত্রফল = s ( s − a ) ( s − b ) ( s − c ) বর্গ একক
জমির কোণাগুলোর স্থানাঙ্ক জানা না থাকলেও বাহু মেপে এই পদ্ধতিতে ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়, তাই বাস্তবে এটি খুব কাজের।
উদাহরণ: A ( 0 , 0 ) A(0, 0) A ( 0 , 0 ) , B ( 4 , 0 ) B(4, 0) B ( 4 , 0 ) , C ( 0 , 3 ) C(0, 3) C ( 0 , 3 ) ।
A B = 4 AB = 4 A B = 4 , A C = 3 AC = 3 A C = 3 , B C = 4 2 + 3 2 = 5 BC = \sqrt{4^2 + 3^2} = 5 B C = 4 2 + 3 2 = 5
s = 4 + 3 + 5 2 = 6 s = \dfrac{4 + 3 + 5}{2} = 6 s = 2 4 + 3 + 5 = 6
ক্ষেত্রফল = 6 × 2 × 3 × 1 = 36 = 6 = \sqrt{6 \times 2 \times 3 \times 1} = \sqrt{36} = 6 = 6 × 2 × 3 × 1 = 36 = 6 বর্গ একক
চতুর্ভুজকে একটি কর্ণ দিয়ে দুইটি ত্রিভুজে ভাগ করে দুই ক্ষেত্রফল যোগ করলে চতুর্ভুজক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়।
পদ্ধতি ২: শীর্ষবিন্দুর স্থানাঙ্ক দিয়ে
A ( x 1 , y 1 ) A(x_1, y_1) A ( x 1 , y 1 ) , B ( x 2 , y 2 ) B(x_2, y_2) B ( x 2 , y 2 ) , C ( x 3 , y 3 ) C(x_3, y_3) C ( x 3 , y 3 ) শীর্ষ ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে সাজানো হলে
ক্ষেত্রফল = 1 2 ( x 1 y 2 + x 2 y 3 + x 3 y 1 − x 2 y 1 − x 3 y 2 − x 1 y 3 ) বর্গ একক \text{ক্ষেত্রফল} = \frac{1}{2}\left(x_1y_2 + x_2y_3 + x_3y_1 - x_2y_1 - x_3y_2 - x_1y_3\right) \text{ বর্গ একক} ক্ষেত্রফল = 2 1 ( x 1 y 2 + x 2 y 3 + x 3 y 1 − x 2 y 1 − x 3 y 2 − x 1 y 3 ) বর্গ একক
মনে রাখার উপায়: x x x ও y y y সারি লেখো এবং প্রথম বিন্দু শেষে আবার লেখো। x x x সারি উপরে ও y y y সারি নিচে থাকলে উপর থেকে নিচে ডান দিকে ক্রস গুণফল (x 1 y 2 x_1y_2 x 1 y 2 , x 2 y 3 x_2y_3 x 2 y 3 , x 3 y 1 x_3y_1 x 3 y 1 ) যোগ করো, আর উল্টো দিকের ক্রস গুণফলগুলো বিয়োগ করো। বিন্দুর ক্রম ঠিক না থাকলে ফল ঋণাত্মক আসতে পারে, তখন পরম মান নাও।
উদাহরণ: A ( 1 , 1 ) A(1, 1) A ( 1 , 1 ) , B ( 5 , 2 ) B(5, 2) B ( 5 , 2 ) , C ( 3 , 6 ) C(3, 6) C ( 3 , 6 ) ।
যোগ: 1 ⋅ 2 + 5 ⋅ 6 + 3 ⋅ 1 = 2 + 30 + 3 = 35 1 \cdot 2 + 5 \cdot 6 + 3 \cdot 1 = 2 + 30 + 3 = 35 1 ⋅ 2 + 5 ⋅ 6 + 3 ⋅ 1 = 2 + 30 + 3 = 35
বিয়োগ: 5 ⋅ 1 + 3 ⋅ 2 + 1 ⋅ 6 = 5 + 6 + 6 = 17 5 \cdot 1 + 3 \cdot 2 + 1 \cdot 6 = 5 + 6 + 6 = 17 5 ⋅ 1 + 3 ⋅ 2 + 1 ⋅ 6 = 5 + 6 + 6 = 17
ক্ষেত্রফল = 1 2 ( 35 − 17 ) = 9 = \dfrac{1}{2}(35 - 17) = 9 = 2 1 ( 35 − 17 ) = 9 বর্গ একক
চতুর্ভুজ: A , B , C , D A, B, C, D A , B , C , D ঘড়ির কাঁটার বিপরীত ক্রমে থাকলে
ক্ষেত্রফল = 1 2 ( x 1 y 2 + x 2 y 3 + x 3 y 4 + x 4 y 1 − x 2 y 1 − x 3 y 2 − x 4 y 3 − x 1 y 4 ) \text{ক্ষেত্রফল} = \frac{1}{2}\left(x_1y_2 + x_2y_3 + x_3y_4 + x_4y_1 - x_2y_1 - x_3y_2 - x_4y_3 - x_1y_4\right) ক্ষেত্রফল = 2 1 ( x 1 y 2 + x 2 y 3 + x 3 y 4 + x 4 y 1 − x 2 y 1 − x 3 y 2 − x 4 y 3 − x 1 y 4 )
পঞ্চভুজ বা অন্য বহুভুজেও একই নিয়ম চলে। উদাহরণ: ( 0 , 0 ) (0,0) ( 0 , 0 ) , ( 4 , 0 ) (4,0) ( 4 , 0 ) , ( 4 , 3 ) (4,3) ( 4 , 3 ) , ( 0 , 3 ) (0,3) ( 0 , 3 ) । যোগ: 0 + 12 + 12 + 0 = 24 0 + 12 + 12 + 0 = 24 0 + 12 + 12 + 0 = 24 ; বিয়োগ: 0 0 0 । ক্ষেত্রফল = 24 2 = 12 = \dfrac{24}{2} = 12 = 2 24 = 12 বর্গ একক, যা 4 × 3 4 \times 3 4 × 3 -এর সমান।
মনে রাখো: বাহুর দৈর্ঘ্য জানা থাকলে s ( s − a ) ( s − b ) ( s − c ) \sqrt{s(s-a)(s-b)(s-c)} s ( s − a ) ( s − b ) ( s − c ) , শীর্ষের স্থানাঙ্ক জানা থাকলে ক্রস গুণফলের সূত্র; চতুর্ভুজকে ভেঙে দুই ত্রিভুজ করা যায়।