offSchoolবেটা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি · অধ্যায় ১

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ

SSC ICT Chapter 1

  • ১০টি টপিক
  • ২টি সিমুলেশন
  • ১০ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. একুশ শতক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

    পড়ে নাও

    গত শতাব্দীতে কৃষি, খনিজসম্পদ, শক্তি ও শিল্পকে সম্পদ ধরা হতো। একুশ শতকে প্রধান সম্পদ হলো জ্ঞান, আর সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বড়ো সম্পদ, কারণ মানুষ জ্ঞান অন্বেষণ, ধারণ ও ব্যবহার করতে পারে। তাই অর্থনীতি এখন জ্ঞানভিত্তিক।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. তথ্য ও যোগাযোগের প্রযুক্তি বিকাশে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

    মার্কনি ও জগদীশ চন্দ্র বসু · চার্লস ব্যাবেজ · অ্যাডা বায়রন · রে স্যামুয়েল টমলিন · স্যার টিমোথি জন বার্নাস লি · স্টীভ জবস্ · বিল গেটস · মার্ক জুকারবার্গ

    পড়ে নাও

    তার যুক্ত ও তার বিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশের ফলে আইসিটি আজকের অবস্থায় এসেছে। এর পেছনে অনেক বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর অবদান আছে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. ই-লার্নিং ও বাংলাদেশ

    পড়ে নাও

    ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক লার্নিং-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, অর্থাৎ সিডি রম, ইন্টারনেট, ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক বা টেলিভিশন চ্যানেল ব্যবহার করে পাঠদান করার পদ্ধতি। এটি প্রচলিত পাঠদানের বিকল্প নয়, পরিপূরক।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. ই-গভর্নেন্স ও বাংলাদেশ

    পড়ে নাও

    সুশাসনের জন্য দরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। শাসনব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হলো ই-গভর্ন্যান্স। এতে সরকারি ব্যবস্থা আধুনিক হয়, নাগরিকের হয়রানি কমে এবং সেবা দ্রুত পাওয়া যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. ই-সার্ভিস ও বাংলাদেশ

    পড়ে নাও

    সরকারি ও বেসরকারি অনেক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান জনগণকে সেবা দেয়, যেমন যাতায়াত বা জমির দলিলের নকল সরবরাহ। ডিজিটাল পদ্ধতির আগে সেবাগ্রহীতাকে সেবাদাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হতো।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. ই-কমার্স ও বাংলাদেশ

    পড়ে নাও

    একটি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাণিজ্যের কোনো বিকল্প নেই। ডিজিটাল প্রযুক্তি, ইন্টারনেট এবং কাগজের মুদ্রার বাইরে ইলেকট্রনিক বিনিময় প্রথা চালু হওয়ায় বাণিজ্যে পরিবর্তন এসেছে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে আইসিটি

    পড়ে নাও

    অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রেও আইসিটির বহুমুখী ব্যবহার ও প্রভাব দেখা যায়, এবং তা ক্রমশ বাড়ছে। প্রভাব দুই রকম। ১.

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. সামাজিক যোগাযোগ ও আইসিটি

    ফেসবুক · টুইটার

    পড়ে নাও

    মানুষে মানুষে যোগাযোগ সমাজের অগ্রগতির জন্য জরুরি। সামাজিক যোগাযোগ মানে ভার্চুয়াল যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের মিথস্ক্রিয়া।

    পুরো টপিক পড়ো →

  9. বিনোদন ও আইসিটি

    পড়ে নাও

    তথ্যপ্রযুক্তি বিনোদনে দুই ভাবে নতুন যুগ এনেছে: বিনোদন গ্রহণের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এবং বিনোদনের বিষয়গুলোতে পরিবর্তন। বিনোদন গ্রহণের নতুন উপায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  10. ডিজিটাল বাংলাদেশ

    পড়ে নাও

    অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ দেরিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ শুরু করেছে, তাই কিছু ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অবদান বর্ণনা করতে পারবে।
  • বাংলাদেশে ই-লার্নিংয়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্সের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বাংলাদেশে ই-সার্ভিসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বাংলাদেশে ই-কমার্সের গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারবে।
  • বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করতে পারবে।
  • সামাজিক যোগাযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • বিনোদনের ক্ষেত্রে আইসিটির ইতিবাচক দিকগুলো ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বরূপ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ' বিষয়ক একটি পোস্টার ডিজাইন করতে পারবে।
  • বাংলাদেশের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হবে।
  • পোস্টার ডিজাইন শীর্ষক দলগত কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হবে।

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা সাজিদ স্থানীয় কৃষকদের আম বিক্রির জন্য একটি অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন। কৃষকরা এখন ঘরে বসেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফসলের অগ্রিম মূল্য পাচ্ছেন। এছাড়া সাজিদ এলাকার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC) থেকে জমির খতিয়ান সংগ্রহের জন্য অনলাইনে আবেদন করেন এবং মাত্র তিন দিনে জমিটির ডিজিটাল ই-পর্চা হাতে পান। বর্তমানে সাজিদ তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন।

  1. ক

    ই-সার্ভিস (e-service) কী?

    উত্তর দেখাও

    ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ইন্টারনেট বা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণকে স্বল্প খরচে, দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে সরকারি বা বেসরকারি সেবা প্রদান করার প্রক্রিয়াই হলো ই-সার্ভিস।

  2. খ

    ই-গভর্নেন্স চালুর ফলে সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় কেন—ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    ই-গভর্নেন্স হলো শাসনব্যবস্থা ও সরকারি কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সমন্বিত প্রয়োগ। পূর্বে সরকারি ফাইলে কোনো তথ্য বা সিদ্ধান্ত জানতে জনগণকে সরাসরি দপ্তরে গিয়ে দীর্ঘসূত্রতা ও মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানির শিকার হতে হতো; কিন্তু ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে সেবা, ফলাফল, বাজেট ও সিদ্ধান্তসমূহ সরাসরি অনলাইন পোর্টালে উন্মুক্ত করায় যেকোনো নাগরিক তা তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পারে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং দুর্নীতির সুযোগ হ্রাস পেয়ে কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়ে।

  3. গ

    উদ্দীপকে সাজিদের জমির ডিজিটাল খতিয়ান (পর্চা) প্রাপ্তিতে কোন ই-সেবাটি প্রতিফলিত হয়েছে? এর সুবিধা বর্ণনা করো।

    উত্তর দেখাও

    উদ্দীপকে সাজিদের জমির খতিয়ান পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সরকারের 'ই-পর্চা' (e-Parcha) সেবাটি প্রতিফলিত হয়েছে। পূর্বে জমির পর্চা বা খতিয়ানের অনুলিপি সংগ্রহ করতে সেবাগ্রহীতাকে সশরীরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুমে যেতে হতো এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন করে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য। ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে দেশের নাগরিকরা এখন যেকোনো স্থান বা স্থানীয় ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (UDC) থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে দ্রুততম সময়ে ডাকযোগে বা ডিজিটাল অনুলিপি আকারে পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন। ফলে সময়, অর্থ ও যাতায়াতের দুর্ভোগ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।

  4. ঘ

    "তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ সাজিদের মতো তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সনাতন ধারণাকে বদলে দিয়েছে"—উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

    উত্তর দেখাও

    উক্তিটি যথার্থ। সনাতন ধারণায় কর্মসংস্থান বলতে নির্দিষ্ট কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আট ঘণ্টার চাকরি অথবা স্থানীয় বাজারে ভৌগোলিক সীমানায় আবদ্ধ ব্যবসাই বোঝাত। উদ্দীপকে সাজিদ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কেবল নিজ এলাকার কৃষকদের আম সরাসরি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেননি, বরং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সাহায্যে আর্থিক লেনদেনও সহজ করেছেন, যা স্থানীয় পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ ও উদ্যোক্তা তৈরি করেছে। অধিকন্তু, ইন্টারনেটের বৈশ্বিক সংযোগ কাজে লাগিয়ে সাজিদ সফটওয়্যার তৈরি ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করছেন, যেখানে ভৌগোলিক দূরত্ব বা প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির শর্ত ছাড়াই সরাসরি মেধাভিত্তিক উপার্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ তথ্যপ্রযুক্তির ফলে বাংলাদেশের তরুণরা এখন শুধু চাকরিপ্রার্থী না হয়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী উদ্যোক্তা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বৈশ্বিক কর্মীতে পরিণত হচ্ছে, যা সনাতন কর্মসংস্থানের ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →