পড়ার নোট
একটি দেশের অর্থনৈতিক বিকাশ ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বাণিজ্যের কোনো বিকল্প নেই। ডিজিটাল প্রযুক্তি, ইন্টারনেট এবং কাগজের মুদ্রার বাইরে ইলেকট্রনিক বিনিময় প্রথা চালু হওয়ায় বাণিজ্যে পরিবর্তন এসেছে। ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাণিজ্য করাকে বলে ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য।
বাণিজ্যের জন্য দুটি জিনিস লাগে: বিক্রেতার কাছে পণ্য থাকা এবং ক্রেতা কর্তৃক মূল্য পরিশোধ। ই-কমার্সে বিক্রেতা ওয়েবসাইটে পণ্যের ছবি ও ভিডিয়ো দিয়ে ইন্টারনেটেই তার 'দোকান' খুলে বসেন। ক্রেতা অনলাইনে পণ্য বাছাই করে মূল্য পরিশোধ করেন। মূল্য দেওয়ার উপায়:
- ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড
- মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ, নগদ)
- ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD): ক্রেতা ওয়েবসাইটে অর্ডার দেন, বিক্রেতা পণ্য পাঠান, ক্রেতা পণ্য হাতে পেয়ে বিল পরিশোধ করেন
মূল্য পাওয়ার পর বিক্রেতা নিজে অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ক্রেতার ঠিকানায় পণ্য পাঠান।
২০১১-১২ সাল থেকে বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে ই-কমার্সের প্রসার হচ্ছে। বই, জামা, কাপড়, খাবার, শৌখিন সামগ্রী সবই এখন অনলাইনে কেনাবেচা হয়। প্রচলিত বাণিজ্যের মতো এখানেও দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান আছে: কেউ কেবল নিজেদের পণ্য বিক্রি করে, কেউ অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রি করে। ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টেলিভিশন ও পত্রিকায় এদের বিজ্ঞাপন তোমরা দেখেছ।
একটি সহজ উদাহরণ: অনলাইনে বই অর্ডার করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দাম দেওয়া এবং কুরিয়ারে বাড়িতে বুঝে নেওয়া।
মনে রাখো: ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কেনাবেচা, যেখানে মূল্য কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে দেওয়া যায়।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।