পড়ার নোট
মানুষে মানুষে যোগাযোগ সমাজের অগ্রগতির জন্য জরুরি। সামাজিক যোগাযোগ মানে ভার্চুয়াল যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের মিথস্ক্রিয়া। ইন্টারনেট ও আইসিটি ব্যবহার করে নিজেকে প্রকাশ ও পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মানুষ যা তৈরি ও বিনিময় করে, তাকে বলে সামাজিক নেটওয়ার্কিং। ইন্টারনেট, ই-মেইল, মোবাইল ফোন, মেসেজিং ও ব্লগিংয়ের ফলে এই যোগাযোগ সহজ, সাশ্রয়ী ও সাধারণত নিরাপদ হয়েছে। ইন্টারনেটে যুক্ত প্ল্যাটফর্মগুলোকে বলে সামাজিক নেটওয়ার্ক, যেমন ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন, ইনস্টাগ্রাম। সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি হলো ফেসবুক ও টুইটার।
ফেসবুক
ফেসবুক সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, মার্ক জাকারবার্গ ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু এটি চালু করেন। কোনো চাঁদা ছাড়াই যে কেউ সদস্য হতে পারেন। ব্যবহারকারীরা:
- বন্ধু যোগ করতে ও বার্তা পাঠাতে পারেন
- নিজের তথ্য হালনাগাদ করতে ও স্ট্যাটাস দিতে পারেন
- তথ্য, অডিয়ো ও ভিডিয়ো শেয়ার করতে পারেন
যেকোনো প্রতিষ্ঠান ফেসবুকে পেজ খুলতে পারে, সমমনা মানুষ গ্রুপও তৈরি করতে পারে।
টুইটার (এখন এক্স নামেও পরিচিত)
টুইটারও একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক, তবে এখানে নিজের কথা ও মত বিনিময় করতে হয় ২৮০ অক্ষরের মধ্যে, তাই একে মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট বলা যায়। এই বার্তাকে বলে টুইট, যা সদস্যের প্রোফাইল পাতায় দেখা যায়। অন্য সদস্যের টুইট পড়তে তাঁকে ফলো করতে হয়; যারা ফলো করেন তাঁদের বলে ফলোয়ার।
মনে রাখো: ফেসবুকে স্বাধীনভাবে যুক্ত হওয়া ও শেয়ার করা যায়, আর টুইটার ২৮০ অক্ষরের মাইক্রোব্লগিং, যেখানে ফলোয়াররা টুইট পড়েন।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।