offSchoolবেটা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি · অধ্যায় ১ · টপিক ৮

সামাজিক যোগাযোগ ও আইসিটি

  • ফেসবুক
  • টুইটার

পড়ার নোট

মানুষে মানুষে যোগাযোগ সমাজের অগ্রগতির জন্য জরুরি। সামাজিক যোগাযোগ মানে ভার্চুয়াল যোগাযোগ ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের মিথস্ক্রিয়া। ইন্টারনেট ও আইসিটি ব্যবহার করে নিজেকে প্রকাশ ও পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মানুষ যা তৈরি ও বিনিময় করে, তাকে বলে সামাজিক নেটওয়ার্কিং। ইন্টারনেট, ই-মেইল, মোবাইল ফোন, মেসেজিং ও ব্লগিংয়ের ফলে এই যোগাযোগ সহজ, সাশ্রয়ী ও সাধারণত নিরাপদ হয়েছে। ইন্টারনেটে যুক্ত প্ল্যাটফর্মগুলোকে বলে সামাজিক নেটওয়ার্ক, যেমন ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন, ইনস্টাগ্রাম। সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি হলো ফেসবুক ও টুইটার।

ফেসবুক

ফেসবুক সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, মার্ক জাকারবার্গ ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু এটি চালু করেন। কোনো চাঁদা ছাড়াই যে কেউ সদস্য হতে পারেন। ব্যবহারকারীরা:

  • বন্ধু যোগ করতে ও বার্তা পাঠাতে পারেন
  • নিজের তথ্য হালনাগাদ করতে ও স্ট্যাটাস দিতে পারেন
  • তথ্য, অডিয়ো ও ভিডিয়ো শেয়ার করতে পারেন

যেকোনো প্রতিষ্ঠান ফেসবুকে পেজ খুলতে পারে, সমমনা মানুষ গ্রুপও তৈরি করতে পারে।

টুইটার (এখন এক্স নামেও পরিচিত)

টুইটারও একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক, তবে এখানে নিজের কথা ও মত বিনিময় করতে হয় ২৮০ অক্ষরের মধ্যে, তাই একে মাইক্রোব্লগিং ওয়েবসাইট বলা যায়। এই বার্তাকে বলে টুইট, যা সদস্যের প্রোফাইল পাতায় দেখা যায়। অন্য সদস্যের টুইট পড়তে তাঁকে ফলো করতে হয়; যারা ফলো করেন তাঁদের বলে ফলোয়ার।

মনে রাখো: ফেসবুকে স্বাধীনভাবে যুক্ত হওয়া ও শেয়ার করা যায়, আর টুইটার ২৮০ অক্ষরের মাইক্রোব্লগিং, যেখানে ফলোয়াররা টুইট পড়েন।

২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।

চালিয়ে দেখো

  • যাচাই করে শেয়ার করলে গুজব কি থামে?চালিয়ে দেখো

    ফেসবুকে একটি ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে: 'কাল থেকে সব স্কুল বন্ধ'। যে শেয়ার করে, তার ৬ জন বন্ধু খবরটি দেখে, আর তাদের প্রায় ৩০% আবার শেয়ার করে। ক্লাসের সবাই ঠিক করল, শেয়ারের আগে অর্ধেক মানুষ সরকারি সূত্রে যাচাই করবে। গুজবের কী হবে?

এই টপিক নিয়ে প্রশ্ন আছে?

মেন্টরকে বাংলায় বা ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করো, বা খাতার ছবি দাও। সিমুলেশন চালিয়ে বুঝিয়ে দেবে।

মেন্টরকে জিজ্ঞেস করো