offSchoolবেটা

উচ্চতর গণিত · অধ্যায় ১০

দ্বিপদী বিস্তৃতি

SSC Higher Math Chapter 10

  • ৫টি টপিক
  • ২টি সিমুলেশন
  • ৭ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. দ্বিপদী বিস্তৃতি

    পড়ে নাও

    দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত বীজগাণিতিক রাশিকে দ্বিপদী রাশি বলে। a + b, x - y, 1 + x, 1 - x² সবই দ্বিপদী রাশি। (1 + y)ⁿ কে বিস্তৃত করার মানে এটিকে y এর বিভিন্ন ঘাতের যোগফল হিসেবে লেখা।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. প্যাসকেল ত্রিভুজ গঠন

    পড়ে নাও

    (1 + y)ⁿ এর দ্বিপদী সহগগুলো n = 0, 1, 2, … এর জন্য সারি করে সাজালে একটি ত্রিভুজ পাওয়া যায়। Blaise Pascal এই কৌশল প্রথম ব্যবহার করেন, তাই একে প্যাসকেলের ত্রিভুজ বলা হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. সাধারণ ঘাতের জন্য দ্বিপদী বিস্তৃতি

    পড়ে নাও

    (x + y)ⁿ এর বিস্তৃতি, যেখানে n ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা, সাধারণভাবে দ্বিপদী উপপাদ্য নামে পরিচিত। (1 + y)ⁿ এর বিস্তৃতি থেকেই এটি পাওয়া যায়: (x + y)ⁿ = xⁿ(1 + y/x)ⁿ লিখে বন্ধনী বিস্তৃত করা হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. n! ও nCr এর মান

    পড়ে নাও

    1 থেকে n পর্যন্ত সব স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফলকে n! লেখা হয় এবং পড়া হয় "ফ্যাক্টোরিয়াল n": n! = n(n-1)(n-2) ⋯ 3 · 2 · 1 যেমন 3! = 3 · 2 · 1 = 6, 4! = 24, 5! = 120। লক্ষ করো, 5! = 5 · 4!, অর্থাৎ n! = n · (n-1)!।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. গাণিতিক সমস্যা সমাধান

    পড়ে নাও

    এই অধ্যায়ের বেশিরভাগ সমস্যায় চারটির যেকোনো একটি করতে বলা হয়: প্রথম কয়েকটি পদ নির্ণয়, নির্দিষ্ট কোনো পদ বা সহগ নির্ণয়, আসন্ন মান নির্ণয়, অথবা দেওয়া শর্ত থেকে অজানা মান নির্ণয়। ১.

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • দ্বিপদী বিস্তৃতি বর্ণনা করতে পারবে।
  • প্যাসকেল ত্রিভুজ গঠন করতে পারবে।
  • স্বাভাবিক সংখ্যার ঘাতের জন্য দ্বিপদী বিস্তৃতি বর্ণনা করতে পারবে।
  • n! ওnCr এর মান নির্ণয় করতে পারবে।
  • দ্বিপদী বিস্তৃতি ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারবে।

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • দ্বিপদী বিস্তৃতি ও সাধারণ পদ Tᵣ₊₁ = ⁿCᵣ aⁿ⁻ʳ bʳ
    (a+b)n=∑r=0n(nr)an−rbr,Tr+1=(nr)an−rbr(a + b)^n = \sum_{r=0}^n \binom{n}{r} a^{n-r} b^r, \quad T_{r+1} = \binom{n}{r} a^{n-r} b^r
    সিমুলেশনে দেখো →
  • প্যাসকেলের ত্রিভুজ ও দ্বিপদী বিস্তৃতি
    (a+b)n=∑r=0n(nr)an−rbr,(nr)=n!r!(n−r)!(a + b)^n = \sum_{r=0}^n \binom{n}{r} a^{n-r} b^r, \quad \binom{n}{r} = \frac{n!}{r!(n-r)!}
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

পদ্মা বহুমুখী সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের গতিশীলতা ও চাপ বিশ্লেষণের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (BRTA) গবেষক দল দুটি দ্বিপদী মডেল বিবেচনা করেন: রাশি ১: A=(১+kx)৫A = (১ + kx)^৫ রাশি ২: B=(x২+২x)৬B = (x^২ + \frac{২}{x})^৬

  1. ক

    প্যাসকেলের ত্রিভুজ ব্যবহার করে (১−x২)৪(১ - \frac{x}{২})^৪-এর বিস্তৃতি নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    প্যাসকেলের ত্রিভুজ থেকে ঘাত n=৪n = ৪-এর জন্য সহগসমূহ হলো: ১, ৪, ৬, ৪, ১। অতএব, (১−x২)৪=১(১)৪+৪(১)৩(−x২)+৬(১)২(−x২)২+৪(১)(−x২)৩+১(−x২)৪(১ - \frac{x}{২})^৪ = ১(১)^৪ + ৪(১)^৩(-\frac{x}{২}) + ৬(১)^২(-\frac{x}{২})^২ + ৪(১)(-\frac{x}{২})^৩ + ১(-\frac{x}{২})^৪ =১−৪(x২)+৬(x২৪)−৪(x৩৮)+x৪১৬= ১ - ৪(\frac{x}{২}) + ৬(\frac{x^২}{৪}) - ৪(\frac{x^৩}{৮}) + \frac{x^৪}{১৬} =১−২x+৩২x২−১২x৩+x৪১৬= ১ - ২x + \frac{৩}{২}x^২ - \frac{১}{২}x^৩ + \frac{x^৪}{১৬}।

  2. খ

    রাশি ১-এ AA-এর বিস্তৃতিতে x২x^২-এর সহগ ৪০ হলে, kk-এর ধনাত্মক মান কত? এই মানের সাহায্যে বিস্তৃতিটিতে x৩x^৩-এর সহগ নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    রাশি ১: A=(১+kx)৫=১+(৫১)(kx)+(৫২)(kx)২+(৫৩)(kx)৩+…A = (১ + kx)^৫ = ১ + \binom{৫}{১}(kx) + \binom{৫}{২}(kx)^২ + \binom{৫}{৩}(kx)^৩ + \dots এখানে x২x^২-এর সহগ = (৫২)k২=৫×৪২k২=১০k২\binom{৫}{২} k^২ = \frac{৫ \times ৪}{২} k^২ = ১০ k^২। শর্তমতে, ১০k২=৪০  ⟹  k২=৪  ⟹  k=২১০ k^২ = ৪০ \implies k^২ = ৪ \implies k = ২ (যেহেতু k>০k > ০)। এখন, বিস্তৃতিটিতে x৩x^৩-এর সহগ = (৫৩)k৩=৫×৪×৩৩×২×১×২৩=১০×৮=৮০\binom{৫}{৩} k^৩ = \frac{৫ \times ৪ \times ৩}{৩ \times ২ \times ১} \times ২^৩ = ১০ \times ৮ = ৮০।

  3. গ

    রাশি ২-এর বিস্তৃতিতে মধ্যপদ এবং xx-বর্জিত পদ উভয়ই নির্ণয় করো। পদ দুটির সাংখ্যিক সহগের তুলনা করে কোনটি বৃহত্তর তা গাণিতিক যুক্তিসহ দেখাও।

    উত্তর দেখাও

    রাশি ২: B=(x২+২x)৬B = (x^২ + \frac{২}{x})^৬। এখানে ঘাত n=৬n = ৬ হওয়ায় মোট পদসংখ্যা ৬+১=৭৬ + ১ = ৭টি। মধ্যপদটি হলো (৬২+১)=৪(\frac{৬}{২} + ১) = ৪র্থ পদ (r=৩r = ৩)। সাধারণ পদ: Tr+১=(৬r)(x২)৬−r(২x)r=(৬r)২rx১২−৩rT_{r+১} = \binom{৬}{r} (x^২)^{৬-r} (\frac{২}{x})^r = \binom{৬}{r} ২^r x^{১২ - ৩r}। মধ্যপদ T৪=(৬৩)২৩x১২−৯=২০×৮x৩=১৬০x৩T_৪ = \binom{৬}{৩} ২^৩ x^{১২ - ৯} = ২০ \times ৮ x^৩ = ১৬০ x^৩। অতএব মধ্যপদের সাংখ্যিক সহগ = ১৬০। আবার, xx-বর্জিত পদের জন্য xx-এর ঘাত শূন্য হবে: ১২−৩r=০  ⟹  ৩r=১২  ⟹  r=৪১২ - ৩r = ০ \implies ৩r = ১২ \implies r = ৪। সুতরাং xx-বর্জিত পদটি হলো (৪+১)=৫(৪ + ১) = ৫ম পদ (T৫T_৫)। T৫=(৬৪)২৪x১২−১২=১৫×১৬×১=২৪০T_৫ = \binom{৬}{৪} ২^৪ x^{১২ - ১২} = ১৫ \times ১৬ \times ১ = ২৪০। অতএব xx-বর্জিত পদের সাংখ্যিক মান = ২৪০। তুলনা করে দেখা যায়: ২৪০ > ১৬০। অর্থাৎ, xx-বর্জিত পদের সাংখ্যিক মান মধ্যপদের সাংখ্যিক সহগের চেয়ে বৃহত্তর।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →