দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত বীজগাণিতিক রাশিকে দ্বিপদী রাশি বলে। a + b, x - y, 1 + x, 1 - x² সবই দ্বিপদী রাশি। (1 + y)ⁿ কে বিস্তৃত করার মানে এটিকে y এর বিভিন্ন ঘাতের যোগফল হিসেবে লেখা।
(1 + y)ⁿ এর দ্বিপদী সহগগুলো n = 0, 1, 2, … এর জন্য সারি করে সাজালে একটি ত্রিভুজ পাওয়া যায়। Blaise Pascal এই কৌশল প্রথম ব্যবহার করেন, তাই একে প্যাসকেলের ত্রিভুজ বলা হয়।
(x + y)ⁿ এর বিস্তৃতি, যেখানে n ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা, সাধারণভাবে দ্বিপদী উপপাদ্য নামে পরিচিত। (1 + y)ⁿ এর বিস্তৃতি থেকেই এটি পাওয়া যায়: (x + y)ⁿ = xⁿ(1 + y/x)ⁿ লিখে বন্ধনী বিস্তৃত করা হয়।
1 থেকে n পর্যন্ত সব স্বাভাবিক সংখ্যার গুণফলকে n! লেখা হয় এবং পড়া হয় "ফ্যাক্টোরিয়াল n": n! = n(n-1)(n-2) ⋯ 3 · 2 · 1 যেমন 3! = 3 · 2 · 1 = 6, 4! = 24, 5! = 120। লক্ষ করো, 5! = 5 · 4!, অর্থাৎ n! = n · (n-1)!।
এই অধ্যায়ের বেশিরভাগ সমস্যায় চারটির যেকোনো একটি করতে বলা হয়: প্রথম কয়েকটি পদ নির্ণয়, নির্দিষ্ট কোনো পদ বা সহগ নির্ণয়, আসন্ন মান নির্ণয়, অথবা দেওয়া শর্ত থেকে অজানা মান নির্ণয়। ১.
পদ্মা বহুমুখী সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের গতিশীলতা ও চাপ বিশ্লেষণের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (BRTA) গবেষক দল দুটি দ্বিপদী মডেল বিবেচনা করেন:
রাশি ১: A=(১+kx)৫
রাশি ২: B=(x২+x২)৬
ক
প্যাসকেলের ত্রিভুজ ব্যবহার করে (১−২x)৪-এর বিস্তৃতি নির্ণয় করো।
উত্তর দেখাও
প্যাসকেলের ত্রিভুজ থেকে ঘাত n=৪-এর জন্য সহগসমূহ হলো: ১, ৪, ৬, ৪, ১।
অতএব, (১−২x)৪=১(১)৪+৪(১)৩(−২x)+৬(১)২(−২x)২+৪(১)(−২x)৩+১(−২x)৪=১−৪(২x)+৬(৪x২)−৪(৮x৩)+১৬x৪=১−২x+২৩x২−২১x৩+১৬x৪।
খ
রাশি ১-এ A-এর বিস্তৃতিতে x২-এর সহগ ৪০ হলে, k-এর ধনাত্মক মান কত? এই মানের সাহায্যে বিস্তৃতিটিতে x৩-এর সহগ নির্ণয় করো।