offSchoolবেটা

পদার্থবিজ্ঞান · অধ্যায় ১০

স্থির বিদ্যুৎ

SSC Physics Chapter 10

  • ৮টি টপিক
  • ৫টি সিমুলেশন
  • ১২ পিরিয়ড

সিমুলেশন

টপিক

  1. স্থির তড়িৎ সৃষ্টি

    ঘর্ষণ প্রক্রিয়ায় · আবেশ প্রক্রিয়ায়

    পড়ে নাও

    সব বস্তু পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক চার্জের প্রোটন এবং বাইরে ঋণাত্মক চার্জের ইলেকট্রন থাকে; দুটির চার্জের মান সমান, 1.6×10⁻¹⁹ C।

    পুরো টপিক পড়ো →

  2. চার্জ শনাক্তকরণ: তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের ব্যবহার

    পড়ে নাও

    তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বা ইলেকট্রোস্কোপ দিয়ে কোনো বস্তুতে চার্জ আছে কি না এবং থাকলে তা ধনাত্মক না ঋণাত্মক, তা বোঝা যায়। এতে সোনা, অ্যালুমিনিয়াম বা অন্য ধাতুর খুব হালকা দুটি পাত থাকে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  3. তড়িৎ বলের পরিমাপ-কুলম্বের সূত্র

    পড়ে নাও

    বিপরীত চার্জ আকর্ষণ আর সমধর্মী চার্জ বিকর্ষণ করে, কিন্তু বল কতখানি, তা দেয় কুলম্বের সূত্র। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র F=Gm₁m₂/r² এ ভরের জায়গায় চার্জ বসালে প্রায় একই রূপ পাওয়া যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  4. তড়িৎ বলরেখার মাধ্যমে তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রাবল্য ও এর দিক ব্যাখ্যা

    পড়ে নাও

    প্রতিবার কুলম্বের সূত্র থেকে বল বের না করে একটি নতুন রাশি, তড়িৎ ক্ষেত্র E, ব্যবহার করা যায়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  5. তড়িৎ বিভব

    পড়ে নাও

    ধনাত্মক চার্জ q এর দিকে একটি ক্ষুদ্র ধনাত্মক টেস্ট চার্জ q₀ আনতে বিকর্ষণের বিপরীতে কাজ করতে হয়; যত কাছে আনা হয়, কাজ তত বেশি। অসীম দূরত্বে বল শূন্য।

    পুরো টপিক পড়ো →

  6. তড়িৎ শক্তি সংরক্ষণ: ধারক

    পড়ে নাও

    কোনো পদার্থে তাপ দিলে তাপমাত্রা কত বাড়বে তা তার তাপ ধারণ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।

    পুরো টপিক পড়ো →

  7. স্থির তড়িতের ব্যবহার

    পড়ে নাও

    দৈনন্দিন জীবনে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চলবিদ্যুৎ ব্যবহার করি, তবে কিছু বিশেষ কাজে এখনো স্থির বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়।

    পুরো টপিক পড়ো →

  8. স্থির তড়িতের ঝুঁকি এবং নিরাপত্তা কৌশল

    পড়ে নাও

    স্থির বিদ্যুৎ কাজে লাগলেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে জমা হলে তা বিপজ্জনক হতে পারে। প্রতিটি ঝুঁকির সঙ্গে নিরাপত্তার কৌশলও আছে।

    পুরো টপিক পড়ো →

শিখনফল

  • পরমাণু গঠনের ভিত্তিতে স্থির তড়িৎ সৃষ্টির মৌলিক কারণ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ঘর্ষণ ও আবেশ প্রক্রিয়ায় স্থির তড়িৎ সৃষ্টি ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে চার্জ শনাক্তকরণ করতে পারবে।
  • কুলম্বের সূত্র ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক বল পরিমাপ করতে পারবে।
  • তড়িৎ বলরেখার মাধ্যমে তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রাবল্য ও এর দিক ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তড়িৎ বিভব ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • তড়িৎ শক্তি সংরক্ষণে ধারকের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • স্থির তড়িৎ ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • স্থির তড়িৎ বিপদজনক ঝুঁকি হতে রক্ষার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারবে।
  • ঘর্ষণ ও আবেশ প্রক্রিয়ায় চার্জ সৃষ্টি প্রদর্শন করতে পারবে।
  • আমাদের জীবনে স্থির তড়িতের অবদান প্রশংসা করবে।

এই অধ্যায়ের সূত্র

  • বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয়: ধারক
    C=ε0εrAd,Q=CV,E=12CV2C = \frac{\varepsilon_0 \varepsilon_r A}{d},\quad Q = CV,\quad E = \tfrac{1}{2}CV^2
    সিমুলেশনে দেখো →
  • কুলম্বের সূত্র ও দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক বর্গীয় নিয়ম
    F=k∣q1q2∣r2F = k \frac{|q_1 q_2|}{r^2}
    সিমুলেশনে দেখো →
  • তড়িৎ বিভব একটি স্কেলার রাশি
    V=k(q1r1+q2r2)V = k \left( \frac{q_1}{r_1} + \frac{q_2}{r_2} \right)
    সিমুলেশনে দেখো →
  • তড়িৎ ক্ষেত্র, বলরেখা ও নিরপেক্ষ বিন্দু
    E=Fq=kQr2E = \frac{F}{q} = k\frac{Q}{r^2}
    সিমুলেশনে দেখো →

এই বিষয়ের সব সূত্র →

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিয়ান পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারে স্থির তড়িৎ নিয়ে একটি পরীক্ষা করছিল। সে বাতাসের মধ্যে পরস্পর থেকে ৬০ cm দূরত্বে দুটি ক্ষুদ্র পরিবাহী গোলক A ও B স্থাপন করল। গোলকদ্বয়ের চার্জের মান যথাক্রমে +১০ µC এবং +৪০ µC। পরীক্ষাগারে কুলম্বের ধ্রুবকের মান k = ৯ × ১০⁹ N m²/C² বিবেচনা করা হলো।

  1. ক

    তড়িৎ তীব্রতা (electric field intensity) কাকে বলে?

    উত্তর দেখাও

    তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক চার্জ স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে, তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ তীব্রতা বা তড়িৎ প্রাবল্য বলে।

  2. খ

    দুটি তড়িৎ বলরেখা কখনো পরস্পরকে ছেদ করতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা করো।

    উত্তর দেখাও

    তড়িৎ বলরেখার যেকোনো বিন্দুতে অঙ্কিত স্পর্শক ঐ বিন্দুতে লব্ধি তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতার দিক নির্দেশ করে। যদি দুটি বলরেখা পরস্পরকে ছেদ করত, তবে তাদের ছেদবিন্দুতে দুটি ভিন্ন স্পর্শক আঁকা যেত, যা একই বিন্দুতে তড়িৎ তীব্রতার দুটি ভিন্ন দিক নির্দেশ করত। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে তড়িৎ তীব্রতার কেবল একটি অনন্য লব্ধি দিক থাকতে পারে; দুটি ভিন্ন দিক থাকা বাস্তবসম্মত নয়। তাই দুটি বলরেখা কখনো পরস্পরকে ছেদ করতে পারে না।

  3. গ

    উদ্দীপকে গোলক দুটির মধ্যকার পারস্পরিক তড়িৎ বিকর্ষণ বলের মান নির্ণয় করো।

    উত্তর দেখাও

    কুলম্বের সূত্রানুসারে, F = k × (q_A × q_B) / d²। এখানে, গোলক A-এর চার্জ, q_A = +১০ µC = ১০ × ১০⁻⁶ C গোলক B-এর চার্জ, q_B = +৪০ µC = ৪০ × ১০⁻⁶ C মধ্যবর্তী দূরত্ব, d = ৬০ cm = ০.৬ m কুলম্বের ধ্রুবক, k = ৯ × ১০⁹ N m²/C²

    মান বসিয়ে পাই, F = [৯ × ১০⁹ × (১০ × ১০⁻⁶) × (৪০ × ১০⁻⁶)] / (০.৬)² = (৯ × ১০⁹ × ৪ × ১০⁻¹⁰) / ০.৩৬ = ৩.৬ / ০.৩৬ = ১০ N।

    অতএব, গোলকদ্বয়ের মধ্যকার পারস্পরিক বিকর্ষণ বলের মান ১০ N।

  4. ঘ

    গোলকদ্বয়ের সংযোগকারী সরলরেখার কোন বিন্দুতে লব্ধি তড়িৎ তীব্রতা শূন্য হবে? গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ধারণ করো।

    উত্তর দেখাও

    যেহেতু A ও B উভয় গোলকই সমধর্মী (ধনাত্মক) চার্জে চার্জিত, তাই সংযোগকারী সরলরেখার বাইরে কোনো বিন্দুতে উভয় চার্জের দরুন তড়িৎ তীব্রতা একই দিকে ক্রিয়া করবে, ফলে বাইরে লব্ধি তীব্রতা কখনো শূন্য হতে পারবে না। সুতরাং নিরপেক্ষ বিন্দুটি অবশ্যই গোলক দুটির সংযোগকারী সরলরেখার মধ্যবর্তী কোনো বিন্দুতে অবস্থিত হবে।

    ধরি, গোলক A থেকে x দূরত্বে অবস্থিত P বিন্দুতে লব্ধি তড়িৎ তীব্রতা শূন্য হবে। তাহলে গোলক B থেকে P বিন্দুর দূরত্ব হবে (০.৬ − x) m।

    P বিন্দুতে গোলক A-এর চার্জের জন্য তড়িৎ তীব্রতা, E_A = k × q_A / x² (দিক: A থেকে B-এর অভিমুখে)

    P বিন্দুতে গোলক B-এর চার্জের জন্য তড়িৎ তীব্রতা, E_B = k × q_B / (০.৬ − x)² (দিক: B থেকে A-এর অভিমুখে)

    লব্ধি তড়িৎ তীব্রতা শূন্য হওয়ার শর্তানুসারে, E_A = E_B ⇒ k × q_A / x² = k × q_B / (০.৬ − x)² ⇒ q_A / x² = q_B / (০.৬ − x)² ⇒ (১০ × ১০⁻⁶) / x² = (৪০ × ১০⁻⁶) / (০.৬ − x)² ⇒ ১ / x² = ৪ / (০.৬ − x)²

    যেহেতু ০ < x < ০.৬, উভয় পক্ষে ধনাত্মক বর্গমূল নিয়ে পাই, ১ / x = ২ / (০.৬ − x) ⇒ ০.৬ − x = ২x ⇒ ৩x = ০.৬ ⇒ x = ০.২ m = ২০ cm।

    অতএব, গোলক A থেকে গোলক B-এর সংযোগকারী সরলরেখা বরাবর ২০ cm (অথবা গোলক B থেকে ৪০ cm) দূরত্বে লব্ধি তড়িৎ তীব্রতা শূন্য হবে।

সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার নিয়ম →