পড়ার নোট
কোনো পদার্থে তাপ দিলে তাপমাত্রা কত বাড়বে তা তার তাপ ধারণ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো পরিবাহী ব্যবস্থায় চার্জ দিলে বিভব কত বাড়বে, তা ঐ ব্যবস্থার একটি বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে; একে ধারকত্ব বলে, আর এমন ব্যবস্থাকে ধারক বা ক্যাপাসিটর বলে। ধারকত্বের একক ফ্যারাড (F)।
, অর্থাৎ
এখানে চার্জ (C), বিভব (V) এবং ধারকত্ব (F)। ধারকত্ব বেশি হলে অনেক চার্জ দিলেও বিভব অল্প বাড়ে; কম হলে অল্প চার্জেই বিভব অনেক বেড়ে যায়। ব্যাসার্ধের ধাতব গোলকের জন্য ।
সমান্তরাল পাত ধারক: সবচেয়ে পরিচিত ধারক তৈরি হয় দুটি ধাতব পাত পাশাপাশি রেখে। একটি পাতে ধনাত্মক ও অন্যটিতে ঋণাত্মক চার্জ রাখলে মাঝখানে তড়িৎ ক্ষেত্র তৈরি হয়, এবং সেই তড়িৎ ক্ষেত্রে শক্তি সঞ্চিত থাকে:
শক্তির একক জুল (J)।
উদাহরণ: একটি F ধারক V এ চার্জ করা হলো।
- F।
- সঞ্চিত চার্জ C।
- সঞ্চিত শক্তি J।
একই ধারকে ভোল্টেজ দ্বিগুণ করে V দিলে শক্তি চার গুণ হয়, কারণ শক্তি এর সমানুপাতিক।
সাধারণ ভুল হলো মাইক্রোফ্যারাডকে ফ্যারাডে রূপান্তর না করেই সূত্রে বসানো। F F; না বদলালে উত্তর দশ লক্ষ গুণ ভুল হয়।
মনে রাখো: ধারক চার্জ ও শক্তি জমা রাখে; , ধারকত্বের একক ফ্যারাড, আর সঞ্চিত শক্তি ।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।