পড়ার নোট
বিপরীত চার্জ আকর্ষণ আর সমধর্মী চার্জ বিকর্ষণ করে, কিন্তু বল কতখানি, তা দেয় কুলম্বের সূত্র। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র এ ভরের জায়গায় চার্জ বসালে প্রায় একই রূপ পাওয়া যায়। দূরত্বে থাকা দুটি বিন্দু চার্জ ও এর মধ্যে বল
এখানে বল (N), ও চার্জ (C), দূরত্ব (m) এবং N m C। অর্থাৎ বল চার্জ দুটির গুণফলের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
মহাকর্ষে ভর একরকম বলে শুধু আকর্ষণ হয়; কিন্তু চার্জ দুই রকম, তাই বল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ দুটিই হতে পারে। হিসাবে ঋণাত্মক এলে বলটি আকর্ষণ, ধনাত্মক এলে বিকর্ষণ।
উদাহরণ: C ও C দুটি ধনাত্মক চার্জ m দূরে আছে। C C।
- C।
- m।
- N, ধনাত্মক, তাই বিকর্ষণ।
দূরত্ব দ্বিগুণ করে m করলে চার গুণ হয়, তাই বল হবে এক-চতুর্থাংশ, N।
আরেকটি ধারণা: C ও C চার্জ m দূরে থাকলে তাদের মাঝের রেখায় এমন একটি বিন্দু আছে যেখানে তৃতীয় একটি চার্জ কোনো নিট বল অনুভব করে না; সেখানে তৃতীয় চার্জের ওপর দুই দিকের বল সমান ও বিপরীত; তৃতীয় চার্জ ধনাত্মক হলে বল দুটি বিকর্ষণমূলক, ঋণাত্মক হলে আকর্ষণমূলক।
সাধারণ ভুল হলো দূরত্বকে বর্গ না করে সূত্রে বসানো, অথবা সেন্টিমিটার বা মাইক্রোকুলম্বকে মিটার ও কুলম্বে রূপান্তর না করা।
মনে রাখো: কুলম্বের সূত্রে , N m C; দূরত্ব দ্বিগুণ হলে বল এক-চতুর্থাংশ হয়।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।