রক্ত
রক্ত একটি ঈষৎ ক্ষারীয়, লবণাক্ত, লাল রঙের তরল যোজক টিস্যু। এর দুটি অংশ: প্লাজমা (প্রায় ৫৫%) আর রক্তকণিকা (প্রায় ৪৫%)। হৃৎপিণ্ডের পাম্পে রক্ত ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকার বন্ধ পথে ঘুরে অক্সিজেন, খাদ্য, হরমোন ও বর্জ্য পরিবহন করে।
লসিকা
দেহকোষের ফাঁকে ফাঁকে যে হলুদাভ, সামান্য ক্ষারীয় তরল জমে, তাকে লসিকা বলে। সূক্ষ্ম নালিগুলো এই তরল সংগ্রহ করে একটি আলাদা তন্ত্র গড়ে, যার নাম লসিকাতন্ত্র। লসিকায় লিম্ফোসাইট নামের শ্বেত কণিকা থাকে, যারা রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রতিটি ভিলাসের মাঝখানে একটি লসিকানালি থাকে; পরিপাক হওয়া চর্বি (ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারল) প্রথমে এই লসিকায় শোষিত হয়, পরে রক্তে মেশে।
মিল কোথায়
- দুটিই তরল যোজক টিস্যু, আর দুটিই সামান্য ক্ষারীয়।
- দুটিতেই শ্বেত কণিকা আছে, তাই দুটিই রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
- লসিকা শেষ পর্যন্ত রক্তেই মেশে, তাই দুটি মিলে দেহের সংবহন সম্পূর্ণ হয়।
সাধারণ ভুল
- "লসিকায় কোনো কণিকা নেই" লেখা। লসিকায় লোহিত রক্তকণিকা নেই, কিন্তু লিম্ফোসাইট আছে।
- লসিকা রক্তের মতো চক্রাকারে ঘোরে বলে ভাবা। লসিকা একমুখে চলে রক্তে গিয়ে মেশে।