পড়ার নোট
বাস্তব সমস্যায় প্রথমে বস্তুটি কোন ঘনবস্তু তা চিনে নিতে হয়, তারপর সূত্র বসাতে হয়। কয়েকটি সাধারণ ধরন:
- গলিয়ে নতুন আকৃতি: লোহা বা সীসার একটি বস্তু গলিয়ে অন্য আকৃতি বানালে আয়তন একই থাকে। তাই (আগের আয়তন) (নতুন আয়তন)। কয়টি ছোট বস্তু হবে জানতে বড়টির আয়তনকে ছোটটির আয়তন দিয়ে ভাগ করো।
- ফাঁপা বস্তু: ফাঁপা গোলকের বাইরের ব্যাসার্ধ ও বেধ হলে ভিতরের ব্যাসার্ধ । ব্যবহৃত লোহার আয়তন । কাঠের বাক্সেও ভিতরের মাপ পেতে দুই পাশের বেধ বাদ দিতে হয়।
- ধারণক্ষমতা ও রং করা: ট্যাংকের ধারণক্ষমতা আয়তন থেকে, রং বা প্লাস্টারের খরচ তলের ক্ষেত্রফল থেকে আসে।
- তাঁবু: কোণক আকৃতির তাঁবুর কাপড় লাগে বক্রতলের জন্য, অর্থাৎ ।
- ইটের দেয়াল: দেয়ালের আয়তনকে একটি ইটের আয়তন দিয়ে ভাগ করলে ইটের সংখ্যা মেলে।
মাপের একক সব এক করে নাও, যেমন মিটার ও সে.মি. মেশালে ভুল হয়।
উদাহরণ: সে.মি. ব্যাসার্ধের একটি নিরেট লোহার গোলক গলিয়ে সে.মি. ব্যাসার্ধের ছোট গোলক বানানো হলো। কয়টি হবে?
- বড় গোলকের আয়তন
- একটি ছোট গোলকের আয়তন
- সংখ্যা
গোলকটি ঘনক আকৃতির বাক্সে ঠিকভাবে এঁটে গেলে ঘনকের বাহু গোলকের ব্যাস। বাক্সের ফাঁকা অংশ ঘনকের আয়তন গোলকের আয়তন।
আরেকটি উদাহরণ: মি. লম্বা, মি. পুরু ও মি. উঁচু একটি দেয়াল গাঁথতে সে.মি. সে.মি. সে.মি. মাপের কয়টি ইট লাগবে (গাঁথুনির মসলা বাদে)? প্রথমে সব মাপ মিটারে আনি। দেয়ালের আয়তন ঘন মি.। একটি ইটের আয়তন ঘন মি.। ইটের সংখ্যা , অর্থাৎ অন্তত টি ইট লাগবে, কারণ ইট ভগ্নাংশে কেনা যায় না।
সাধারণ ভুল হলো ব্যাসকে ব্যাসার্ধ ধরে সূত্রে বসানো; ব্যাস দেওয়া থাকলে আগে অর্ধেক করে নিতে হয়।
মনে রাখো: গলালে আয়তন অপরিবর্তিত থাকে, তাই দুই পক্ষের আয়তন সমান করে সমীকরণ বানাও।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।