π/2-এর পূর্ণসংখ্যা গুণিতক নয় এমন কোণকে (n×2π±θ) আকারে লেখা যায়, যেখানে n পূর্ণসংখ্যা এবং θ সূক্ষ্মকোণ। এর অনুপাত বের করার তিনটি ধাপ:
- ধাপ ১: কোণটিকে n×2π±θ আকারে লেখো।
- ধাপ ২: n জোড় হলে অনুপাতের নাম একই থাকে (sin থাকে sin, cos থাকে cos)। n বিজোড় হলে sin↔cos, tan↔cot, sec↔cosec হয়ে যায়।
- ধাপ ৩: কোণটি যে চতুর্ভাগে থাকে (θ সূক্ষ্মকোণ ধরে), সেখানে মূল অনুপাতের যে চিহ্ন, ফলাফলের আগে সেই চিহ্ন বসাও।
যেমন:
sin(2π+θ)=cosθ,cos(2π+θ)=−sinθ
sin(23π−θ)=−cosθ,tan(23π−θ)=cotθ
sin(23π+θ)=−cosθ,tan(23π+θ)=−cotθ
উদাহরণ ১: cos(25π−θ)। এখানে n=5 বিজোড়, তাই cos হবে sin। কোণটি প্রথম চতুর্ভাগে (পূর্ণ ঘূর্ণনের পর 2π−θ), সেখানে cos ধনাত্মক। উত্তর sinθ।
উদাহরণ ২: tan(27π+θ)। n=7 বিজোড়, তাই tan হবে cot। 27π+θ চতুর্থ চতুর্ভাগে, সেখানে tan ঋণাত্মক। উত্তর −cotθ।
উদাহরণ ৩: cos317π। 317π=12×2π−3π, n=12 জোড়, কোণটি চতুর্থ চতুর্ভাগে যেখানে cos ধনাত্মক। মান cos3π=21।
n জোড় হলে nπ/2 কোণের প্রান্তিক রশ্মি x-অক্ষে এবং বিজোড় হলে y-অক্ষে থাকে। সেখান থেকে θ যোগ বা বিয়োগ করে আলোচ্য কোণ পাওয়া যায়।
সাধারণ ভুল হলো চিহ্ন ঠিক করতে নতুন অনুপাত দেখা। যেমন cos(2π+θ) এ নাম বদলে sin হয়, কিন্তু চিহ্ন ঠিক হয় মূল অনুপাত cos দেখে: 2π+θ দ্বিতীয় চতুর্ভাগে, সেখানে cos ঋণাত্মক, তাই উত্তর −sinθ। আবার n জোড় হলে নাম একই থাকে, যেমন sin(π+θ)=−sinθ, কারণ π+θ তৃতীয় চতুর্ভাগে এবং সেখানে sin ঋণাত্মক।
মনে রাখো: n বিজোড় হলে নাম বদলায়, জোড় হলে বদলায় না; চিহ্ন আসে মূল অনুপাতের চতুর্ভাগ থেকে।