পড়ার নোট
ত্রিকোণমিতিক সমীকরণ হলো এমন সমীকরণ যেখানে অজানা কোণ এর অনুপাত থাকে। সমাধান মানে, দেওয়া ব্যবধির মধ্যে (যেমন ) সমীকরণ সিদ্ধ করে এমন সব বের করা।
ধাপসমূহ:
- সমীকরণকে একটি অনুপাতে আনো। দরকার হলে বা ব্যবহার করো।
- দ্বিঘাত হলে উৎপাদকে ভাঙো।
- প্রতিটি উৎপাদক শূন্য ধরে অনুপাতের মান বের করো।
- অনুপাতের চিহ্ন দেখে কোন কোন চতুর্ভাগে কোণ হবে ঠিক করো।
- ইত্যাদি প্রমিত কোণের সাহায্যে প্রতিটি চতুর্ভাগের কোণ লেখো, যেমন , , ।
- যে মানগুলো ব্যবধির মধ্যে পড়ে শুধু সেগুলো রাখো।
বর্গ করে সমাধান করলে বাড়তি মান আসতে পারে। তাই পাওয়া মান মূল সমীকরণে বসিয়ে যাচাই করো।
উদাহরণ ১: ব্যবধিতে সমাধান করো।
- উৎপাদকে ভেঙে পাই
- হলে ধনাত্মক, তাই প্রথম ও দ্বিতীয় চতুর্ভাগ: বা
- হলে
সমাধান: ।
উদাহরণ ২: , । ঋণাত্মক, তাই দ্বিতীয় বা চতুর্থ চতুর্ভাগ। বলে বা ।
সাধারণ ভুল হলো শুধু প্রথম চতুর্ভাগের মান লিখে থেমে যাওয়া। যেমন হলে ছাড়াও দ্বিতীয় চতুর্ভাগে আছে। আবার উৎপাদক থেকে পাওয়া কোনো মান ব্যবধির বাইরে পড়লে, কিংবা এর মতো অসম্ভব মান এলে (কারণ ), সেটি বাদ দিতে হয়।
মনে রাখো: অনুপাতের চিহ্ন দেখে চতুর্ভাগ ঠিক করো, প্রমিত কোণ থেকে মান লেখো, তারপর ব্যবধির বাইরের মান বাদ দাও।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।