পড়ার নোট
ও অক্ষ সমতলকে চারটি চতুর্ভাগে ভাগ করে। আদি রশ্মি থেকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে ঘূর্ণায়মান রশ্মি প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ চতুর্ভাগ পার হয়। বিপরীত দিকে ঘুরলে কোণ ঋণাত্মক হয়।
কোণ কোন চতুর্ভাগে আছে বের করতে:
- ধনাত্মক কোণ হলে – প্রথম, – দ্বিতীয়, – তৃতীয়, – চতুর্থ চতুর্ভাগে।
- এর বেশি হলে পূর্ণ ঘূর্ণন বাদ দিয়ে বাকি অংশ দেখো।
- ঋণাত্মক কোণ হলে ঘড়ির কাঁটার দিকে মাপো।
ঘূর্ণায়মান রশ্মির উপর বিন্দু নিলে সবসময় ধনাত্মক। কিন্তু ও এর চিহ্ন চতুর্ভাগ অনুযায়ী বদলায়। ফলে অনুপাতের চিহ্নও বদলায়:
| চতুর্ভাগ | ধনাত্মক অনুপাত | ||
|---|---|---|---|
| প্রথম | + | + | সবগুলো |
| দ্বিতীয় | − | + | , |
| তৃতীয় | − | − | , |
| চতুর্থ | + | − | , |
বাকি অনুপাতগুলো ওই চতুর্ভাগে ঋণাত্মক। , , এর চিহ্ন যথাক্রমে , , এর মতোই।
উদাহরণ: কোন চতুর্ভাগে? , দুই পূর্ণ ঘূর্ণনের পর , তাই প্রথম চতুর্ভাগ। কোথায়? , তাই দ্বিতীয় চতুর্ভাগ; সেখানে ধনাত্মক, ঋণাত্মক।
আরেকটি উদাহরণ: এবং দ্বিতীয় চতুর্ভাগে হলে , ধরা যায়; তখন , কারণ দ্বিতীয় চতুর্ভাগে ঋণাত্মক। তাই এবং ।
সাধারণ ভুল হলো কেও ঋণাত্মক ধরা। দূরত্ব, তাই সবসময় ধনাত্মক; চিহ্ন আসে কেবল ও থেকে।
মনে রাখো: প্রথমে সব, দ্বিতীয়ে ও , তৃতীয়ে ও , চতুর্থে ও ধনাত্মক।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।