পড়ার নোট
কোণ মাপার একটি পদ্ধতি হলো বৃত্তীয় পদ্ধতি, যার একক রেডিয়ান।
যেকোনো বৃত্তে যে চাপের দৈর্ঘ্য ব্যাসার্ধের সমান, সেই চাপ কেন্দ্রে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে ১ রেডিয়ান বলে। লেখা হয় । বৃত্ত ছোট হোক বা বড়, এই কোণের মান একই থাকে। তাই রেডিয়ান একটি ধ্রুব কোণ। এর কারণ, কেন্দ্রস্থ কোণ চাপের সমানুপাতিক, আর ১ রেডিয়ান সমকোণ, যেখানে দুটিই ধ্রুবক।
যেকোনো কোণের বৃত্তীয় পরিমাপ বের করতে হলে চাপকে ব্যাসার্ধ দিয়ে ভাগ করতে হয়:
- = চাপের দৈর্ঘ্য
- = ব্যাসার্ধ (দুটির একক একই হতে হবে)
- = কেন্দ্রস্থ কোণ, রেডিয়ানে
হলো একই এককে মাপা দুটি দৈর্ঘ্যের অনুপাত; এটি কোণের রেডিয়ান পরিমাপ দেয়। রেডিয়ান হলো কোণ পরিমাপের একক।
উদাহরণ: পুকুরের চারপাশে বৃত্তাকার পথের ব্যাসার্ধ ২০ মিটার। কেউ যদি ৫০ মিটার চাপ হেঁটে যায়, তবে কেন্দ্রে কত কোণ উৎপন্ন হবে?
- ,
কোণটি ২.৫ রেডিয়ান। উল্টো দিক থেকে, রেডিয়ান হলে মিটার।
সূত্রে চাপ ও ব্যাসার্ধ একই এককে নিতে হয়; দৈর্ঘ্যের SI একক মিটার (m)। কোণ রেডিয়ানে থাকলে তবেই সূত্রটি খাটে।
সাধারণ ভুল হলো ডিগ্রিতে দেওয়া কোণ সরাসরি এ বসানো। যেমন cm ও কোণ হলে cm লেখা ভুল। আগে রেডিয়ানে রূপান্তর করলে cm।
মনে রাখো: চাপ ব্যাসার্ধের সমান হলে কেন্দ্রস্থ কোণ ১ রেডিয়ান, আর যেকোনো কোণে (θ রেডিয়ানে)।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।