পড়ার নোট
চলকের যে মান বা মানগুলোর জন্য সমীকরণের উভয় পক্ষ সমান হয়, সেগুলোকে সমীকরণের মূল বলে। এক চলকের দ্বিঘাত সমীকরণের আদর্শরূপ , যেখানে , , বাস্তব সংখ্যা এবং । মূলগুলো মূলদ হলে বামপক্ষকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করেই সমাধান করা যায়, কিন্তু সব রাশিকে সহজে উৎপাদকে ভাঙা যায় না। তাই একটি সাধারণ পদ্ধতি দরকার।
উভয় পক্ষকে দিয়ে গুণ করে পূর্ণবর্গ বানালে পাওয়া যায় । এরপর বর্গমূল নিয়ে সাজালে
এখানে কে নিশ্চায়ক বলে, কারণ এটি মূলদ্বয়ের ধরন ও প্রকৃতি নির্ণয় করে:
- , , মূলদ এবং কোনো মূলদ সংখ্যার বর্গ হলে মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ।
- কিন্তু পূর্ণবর্গ না হলে মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ।
- হলে মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান, ।
- হলে বাস্তব মূল নেই।
উদাহরণ ১: । এখানে , , । নিশ্চায়ক , যা ধনাত্মক ও পূর্ণবর্গ; তাই মূল দুটি মূলদ। , অর্থাৎ বা । যাচাই: হলে ।
উদাহরণ ২: এ নিশ্চায়ক , তাই এর কোনো বাস্তব মূল নেই।
এখানে , , ও বিশুদ্ধ সংখ্যা, তাই কোনো একক নেই।
সাধারণ ভুল হলো ঋণাত্মক হলে এর চিহ্ন ভুল করা, অথবা দিয়ে শুধু বর্গমূলের অংশটি ভাগ করা। পুরো লব কে দিয়ে ভাগ করতে হয়।
মনে রাখো: এর মূল ; নিশ্চায়ক দেখে আগেই মূলের প্রকৃতি বোঝা যায়।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।