পড়ার নোট
সমমাত্রিক, প্রতিসম ও চক্র-ক্রমিক রাশি (অনুর্ধ্ব তিন চলক)
সমমাত্রিক রাশি: একটি বহুপদী রাশি সমমাত্রিক হবে যদি এর প্রতিটি পদের মাত্রা সমান হয়। যেমন, একটি দ্বিমাত্রিক সমমাত্রিক রাশি। আবার হলো ত্রিমাত্রিক সমমাত্রিক রাশি।
প্রতিসম রাশি: যদি কোনো রাশিতে চলকগুলোর স্থান পরস্পর বদলালে রাশির কোনো পরিবর্তন না হয়, তবে তাকে প্রতিসম রাশি বলে। যেমন, বা প্রতিসম, কারণ এর যেকোনো দুটি বদলালে রাশি একই থাকে।
চক্র-ক্রমিক রাশি: যদি চলকগুলোকে চক্রাকারে বদলালে (যেমন ) রাশি অপরিবর্তিত থাকে, তবে তাকে চক্র-ক্রমিক রাশি বলে। যেমন, চক্র-ক্রমিক। কিন্তু এটি প্রতিসম নয়, কারণ ও বদলালে রাশি বদলে যায়।
উৎপাদক নির্ণয়: এ ধরনের রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণে বিশেষ কৌশল লাগে। প্রথমে উৎপাদক উপপাদ্য ব্যবহার করে একটি উৎপাদক খুঁজে নেওয়া হয়। তারপর রাশির ধরন (সমমাত্রিক, চক্র-ক্রমিক) দেখে বাকি উৎপাদকের আকার অনুমান করা হয়। ধ্রুবক নির্ণয়ের জন্য চলকের সুবিধাজনক মান বসানো হয়।
উদাহরণ: কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করো।
ধরি ।
→ উৎপাদক।
রাশিটি ত্রিমাত্রিক সমমাত্রিক চক্র-ক্রমিক। একটি উৎপাদক , তাই অপর উৎপাদক দ্বিমাত্রিক সমমাত্রিক চক্র-ক্রমিক হবে: ।
সমীকরণ গঠন করে ও বসিয়ে পাই ।
সুতরাং, রাশি = ।
মনে রাখো: চক্র-ক্রমিক রাশির উৎপাদকও সাধারণত চক্র-ক্রমিক হয়।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।