নিউটন আসলে কী দিয়ে তৈরি?
মান বদলাও, চালাও, আর দেখো কী ঘটে।
সাকিব জানে দৈর্ঘ্য, ভর, সময় মৌলিক রাশি, আর বেগ (দৈর্ঘ্য ÷ সময়) তাদের থেকে তৈরি লব্ধ রাশি। বল = ভর × ত্বরণ, আর এর একক নিউটন। ভর (M), দৈর্ঘ্য (L) আর সময় (T) দিয়ে বলের মাত্রা কী?
বলের মাত্রা কী?
- [MLT⁻²]: ভর × (দৈর্ঘ্য ÷ সময়²)
- [MLT⁻¹], ভর × বেগ
- [ML²T⁻²]
- [N], নিউটন নিজেই মৌলিক
যা বদলাতে পারবে
- রাশি: বেগ, ত্বরণ, বল, ভরবেগ, কাজ, ক্ষমতা, চাপ, ঘনত্ব, ক্ষেত্রফল, কম্পাঙ্ক
যা মেপে দেখাবে
- মাত্রা
- SI একক
- M এর ঘাত
- L এর ঘাত
- T এর ঘাত
চালানোর সময় খেয়াল করো
- আগে ত্বরণের মাত্রা দেখো, তারপর ভর দিয়ে গুণ করো।
নিজে করে দেখো
- এমন রাশি খুঁজে বের করো যার মাত্রা শক্তির মতো [ML²T⁻²]।
ইঙ্গিত
বল × সরণ।
- ভর আছে কিন্তু সময় নেই এমন রাশি খুঁজে বের করো।
ইঙ্গিত
ভর ÷ আয়তন।
ধারণাটা কী?আগে নিজে চালিয়ে দেখো, তারপর খোলো।
মৌলিক ও লব্ধ রাশি এবং তাদের মাত্রা
যে রাশিগুলো অন্য রাশির ওপর নির্ভর করে না সেগুলো মৌলিক রাশি; SI তে সাতটি: দৈর্ঘ্য (m), ভর (kg), সময় (s), তাপমাত্রা (K), তড়িৎ প্রবাহ (A), দীপন তীব্রতা (cd) আর পদার্থের পরিমাণ (mol)। বাকি সব রাশি এদের গুণ-ভাগে তৈরি, তাই লব্ধ রাশি: বেগ = দৈর্ঘ্য ÷ সময়, ঘনত্ব = ভর ÷ আয়তন। কোনো রাশিতে কোন মৌলিক রাশি কত ঘাতে আছে তা হলো তার মাত্রা, বর্গবন্ধনীতে লেখা হয়: বেগ [LT⁻¹], ত্বরণ [LT⁻²], বল [MLT⁻²], কাজ ও শক্তি [ML²T⁻²]। মাত্রা থেকেই একক পাওয়া যায় (বল: kg m s⁻² = N), আর সমীকরণের দুই পাশের মাত্রা মিলিয়ে দেখা যায় সমীকরণটি শুদ্ধ কি না।
অন্য উত্তরগুলো কেন ভুল
বল = ভর × ত্বরণ, আর ত্বরণ = দৈর্ঘ্য ÷ সময়², তাই [MLT⁻²]। ভর × বেগ হলো ভরবেগ [MLT⁻¹], আর বল × দূরত্ব হলো কাজ [ML²T⁻²]।
যেসব ভুল ধারণা হয়
- বল আর ভরবেগের মাত্রা একই
- বল আর শক্তি একই রাশি
- নিউটন একটি মৌলিক একক
বাস্তবে কোথায় দেখা যায়
- প্রকৌশলীরা নতুন সূত্র লিখে আগে মাত্রা মিলিয়ে দেখেন; মাত্রা না মিললে সূত্রটি ভুল।