পড়ার নোট
শব্দও একটি তরঙ্গ, তাই এর বেগ, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের মধ্যে তরঙ্গের সাধারণ সম্পর্কটিই খাটে:
এখানে শব্দের বেগ (m/s), কম্পাঙ্ক (Hz), তরঙ্গদৈর্ঘ্য (m)। এক পর্যায়কালে শব্দ দূরত্ব যায়, আর প্রতি সেকেন্ডে টি পর্যায়কাল থাকে, তাই প্রতি সেকেন্ডে যায় ।
গুরুত্বপূর্ণ দিক
- কম্পাঙ্ক উৎসের উপর নির্ভর করে। একটি সুরশলাকা যে কম্পাঙ্কে কাঁপে, শব্দের কম্পাঙ্কও তাই; মাধ্যম বদলালেও কম্পাঙ্ক বদলায় না।
- বেগ মাধ্যমের উপর নির্ভর করে। বাতাসে কম, পানিতে বেশি, লোহায় আরও বেশি।
- তাই একই কম্পাঙ্কের শব্দ ভিন্ন মাধ্যমে গেলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলায়: । যে মাধ্যমে বেগ বেশি, সেখানে তরঙ্গদৈর্ঘ্যও বেশি।
- একই মাধ্যমে বেগ মোটামুটি স্থির, তাই সেখানে কম্পাঙ্ক যত বেশি, তরঙ্গদৈর্ঘ্য তত কম।
উদাহরণ ১: 512 Hz এর একটি সুরশলাকার শব্দ বাতাস (330 m/s), পানি (1493 m/s) ও লোহার (5130 m/s) মধ্য দিয়ে গেলে প্রতিটিতে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত?
- বাতাসে: m
- পানিতে: m
- লোহায়: m
তিন মাধ্যমেই কম্পাঙ্ক 512 Hz, শুধু তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলেছে।
উদাহরণ ২: বাতাসে মানুষের শ্রাব্য শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমা কত? সবচেয়ে কম কম্পাঙ্ক 20 Hz এ m; সবচেয়ে বেশি 20000 Hz এ m। অর্থাৎ শ্রাব্য শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় 1.65 cm থেকে 16.5 m।
উদাহরণ ৩: বাতাসে একটি শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 1.1 m হলে কম্পাঙ্ক Hz।
সাধারণ ভুল হলো ভাবা যে শব্দ পানিতে ঢুকলে কম্পাঙ্ক বদলায়। কম্পাঙ্ক উৎস ঠিক করে, মাধ্যম নয়; মাধ্যম বদলালে বেগ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলায়।
মনে রাখো: শব্দের বেগ ; কম্পাঙ্ক উৎসের উপর আর বেগ মাধ্যমের উপর নির্ভর করে, তাই মাধ্যম বদলালে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলায়।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।