পড়ার নোট
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক, এবং যেদিকে বল প্রয়োগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।
পাওয়া
একটি বস্তুর আদি বেগ , সময় পর বেগ । ভর না বদলালে ভরবেগের পরিবর্তনের হার
কারণ হলো ত্বরণ। তাই , অর্থাৎ । বলকে এর আগে কোথাও মাপা হয়নি, তাই সমানুপাতিক ধ্রুবক ধরে বলের পরিমাপ সংজ্ঞায়িত করা হয়:
এখানে বল, ভর (kg), ত্বরণ (m/s²)। বলের একক নিউটন (N) এবং মাত্রা । 1 kg ভরে 1 m/s² ত্বরণ সৃষ্টিকারী বল 1 N।
সূত্রটি যেকোনো গতির জন্য সত্য, তবে এ বইয়ে রৈখিক গতিতে সীমাবদ্ধ। বল জানলে থেকে ত্বরণ, আর ত্বরণ থেকে গতির সমীকরণ দিয়ে বেগ ও দূরত্ব বের করা যায়। উল্টোভাবে ত্বরণ ও ভর জানলে বল বের করা যায়।
উদাহরণ ১: 4 kg ভরের একটি স্থির বস্তুর উপর 20 N বল 5 s ধরে প্রয়োগ করা হলো, তারপর বল সরিয়ে নেওয়া হলো (ঘর্ষণ নেই)।
- ত্বরণ m/s²।
- 5 s পর বেগ m/s।
- প্রথম 5 s এ দূরত্ব m।
- পরের 5 s এ বল নেই, বেগ 25 m/s স্থির; দূরত্ব m।
- 10 s এ মোট দূরত্ব m।
উদাহরণ ২: স্থির অবস্থা থেকে 5 s এ 50 m যেতে একটি বস্তুকে 12 N বল দিতে হলো। ভর কত? থেকে m/s²। তাই kg।
সাধারণ ভুল হলো বল সরিয়ে নেওয়ার পরও ত্বরণ চলছে ধরা। বল না থাকলে ত্বরণ শূন্য; বস্তু শেষ বেগে সমবেগে চলে।
মনে রাখো: ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বলের দিকে; ভর স্থির থাকলে , একক নিউটন।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।