পড়ার নোট
বিজ্ঞানে কখনো একটি গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয়, আবার কখনো নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ, প্রায় m। এত বিশাল পার্থক্যের সংখ্যা সবসময় একইভাবে লেখা সুবিধাজনক নয়। তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু SI উপসর্গ বা গুণিতক ঠিক করা হয়েছে, যা এককের আগে বসিয়ে অনেক বড়ো বা অনেক ছোট সংখ্যা সংক্ষেপে বোঝানো যায়। দৈনন্দিন জীবনেও আমরা এগুলো ব্যবহার করি: এক হাজার মিটার না বলে এক কিলোমিটার বলি।
| উপসর্গ | প্রতীক | মান | উপসর্গ | প্রতীক | মান |
|---|---|---|---|---|---|
| ডেকা | da | ডেসি | d | ||
| হেক্টো | h | সেন্টি | c | ||
| কিলো | k | মিলি | m | ||
| মেগা | M | মাইক্রো | |||
| গিগা | G | ন্যানো | n | ||
| টেরা | T | পিকো | p | ||
| পেটা | P | ফেমটো | f | ||
| এক্সা | E | এটো | a |
বাম পাশেরগুলো এককের চেয়ে বড়ো মান বোঝায় (গুণিতক), ডান পাশেরগুলো ছোট মান (উপগুণিতক)। উপসর্গ এককের সঙ্গে ফাঁক ছাড়া লেখা হয়, যেমন km, MHz। কিলো থেকে বড়ো সব উপসর্গের প্রতীক বড়ো হাতের অক্ষর (M, G, T)।
উদাহরণ:
- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব যদি km হয়, তবে মিটারে m।
- সবুজ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় nm m m।
- একটি ওষুধের ট্যাবলেটে mg উপাদান থাকলে তা g g।
সাধারণ ভুল হলো m (মিলি) ও M (মেগা) গুলিয়ে ফেলা। ছোট হাতের m মানে , বড়ো হাতের M মানে ; একটি অক্ষরের ভুলে মান গুণ বদলে যায়।
মনে রাখো: উপসর্গ এককের আগে বসে তাকে এর কোনো ঘাত দিয়ে গুণ করে; k , M , m , , n ।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।