পড়ার নোট
ইন্টারনেট নিরাপদে ব্যবহার করতে এবং ব্যক্তিগত তথ্য ও ডিভাইস রক্ষা করতে কিছু নিরাপত্তা কৌশল মানতে হয়:
- টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করা
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা এবং সব প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড না দেওয়া
- কম্পিউটার সফটওয়্যার ও মোবাইল অ্যাপ নিয়মিত আপডেট করা
- সোশ্যাল মিডিয়ায় একান্ত ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য শেয়ার না করা
- পিন কোড বা পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার না করা
- ডিভাইসে এন্টিভাইরাস ও ফায়ারওয়াল ইনস্টল করা
পাসওয়ার্ড
পাসওয়ার্ড হলো অ্যাকাউন্ট বা ডিভাইসে ঢোকার গোপন সংকেত। এটি ইউনিক ও শক্তিশালী হওয়া চাই। ভালো পাসওয়ার্ড লম্বা হয় এবং বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন মিশিয়ে বানানো হয়। নিজের নাম, জন্মতারিখ বা মোবাইল নম্বর পাসওয়ার্ড করা উচিত নয়। একই পাসওয়ার্ড সব জায়গায় দিলে একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে বাকিগুলোও ঝুঁকিতে পড়ে। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক ঠেকাতেও সাহায্য করে।
এন্টিভাইরাস
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার ও স্পাইওয়্যারের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি নিয়মিত আপডেট করতে হয় এবং ফায়ারওয়ালের সঙ্গে ব্যবহার করলে নিরাপত্তা আরও বাড়ে।
টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA)
আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢোকার পর ফোনে বা ইমেইলে ছয় ডিজিটের একটি OTP (One Time Password) আসে। সেটি ঠিকভাবে দিলে তবেই অ্যাকাউন্টে ঢোকা যায়। OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয় এবং একবার ব্যবহারের পর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাই পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও সাইবার অপরাধীর পক্ষে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা অনেক কঠিন। বিকাশ বা নগদে টাকা পাঠানোর সময় আসা OTP-ও এই ধারণারই উদাহরণ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া তথ্য থেকে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতারকরা টাকা হাতিয়ে নিতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
মনে রাখো: শক্তিশালী ইউনিক পাসওয়ার্ড, এন্টিভাইরাস ও 2FA একসঙ্গে ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট ও ডিভাইস অনেক বেশি নিরাপদ থাকে।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।