পড়ার নোট
ওয়েবের সাইটকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়। পার্থক্যটি জানা থাকলে নিরাপদ থাকা সহজ হয়।
| সাধারণ সাইট | সামাজিক সাইট | |
|---|---|---|
| উদ্দেশ্য | তথ্য বা সেবা দেওয়া: সংবাদ, পড়ার উপকরণ, ফলাফল, সরকারি পোর্টাল, অনলাইন দোকান | মানুষের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, পোস্ট ও মতামত দেওয়া: ফেসবুক, টুইটার (এক্স), ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন |
| বিষয়বস্তু | মালিক তৈরি করে, ব্যবহারকারী প্রধানত পড়ে | বেশিরভাগ ব্যবহারকারীরাই ছবি, ভিডিয়ো ও মত শেয়ার করে |
| যোগাযোগ | সাধারণত একমুখী | দ্বিমুখী: বন্ধু, বার্তা, লাইক, মন্তব্য |
| প্রধান ঝুঁকি | ভুয়া বা অনিরাপদ সাইট, ম্যালওয়্যার ডাউনলোড | অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ, সাইবার বুলিং, ফেইক নিউজ, আসক্তি |
সামাজিক সাইটে নিরাপদ থাকার উপায়:
- একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, পিন কোড বা পাসওয়ার্ড শেয়ার করবে না। হ্যাকাররা পোস্ট থেকে তথ্য নিয়ে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করতে পারে।
- অপরিচিত বন্ধুর সংখ্যা কমিয়ে রাখো।
- ছবি বা তথ্য একবার প্রকাশ করলে মুছে ফেলা প্রায় অসম্ভব হয়।
- খবর যাচাই না করে বিশ্বাস বা শেয়ার করবে না; ফেইক নিউজ বিদ্বেষ ছড়ায়।
- অনলাইনে ইচ্ছাকৃতভাবে বারবার কাউকে কষ্ট দেওয়া সাইবার বুলিং, বাংলাদেশের তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে এটি শাস্তিযোগ্য।
বয়সোপযোগী সাইট। নিজের বয়সের উপযোগী সাইট বেছে নাও। কম বয়সীরা শিশুবান্ধব ও শিক্ষামূলক সাইট ব্যবহার করবে, কী দেখছে তা অভিভাবককে জানাবে এবং সহিংস, অশ্লীল বা ক্ষতিকর বিষয়ের সাইট এড়িয়ে চলবে। অনেক সামাজিক সাইটে যোগ দেওয়ার ন্যূনতম বয়সও নির্দিষ্ট থাকে।
মনে রাখো: তথ্যের জন্য সাধারণ সাইট, আর সামাজিক সাইটে ব্যক্তিগত তথ্য না দিয়ে সতর্কভাবে চলো; সবসময় নিজের বয়সের উপযোগী সাইট ব্যবহার করো।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।