যে সংখ্যাকে বারবার গুণ করা হয় তা ভিত্তি, আর কতবার গুণ করা হবে তা সূচক। an=a⋅a⋯a (n সংখ্যক উৎপাদক) এবং সংজ্ঞা অনুযায়ী a1=a।
শূন্য ও ঋণাত্মক পূর্ণ সাংখ্যিক সূচক
a=0 হলে:
a0=1
a−n=an1, যেখানে n স্বাভাবিক সংখ্যা
সূচকের মৌলিক সূত্র am⋅an=am+n যাতে সব ক্ষেত্রে ঠিক থাকে, সেদিকে খেয়াল রেখেই এই সংজ্ঞা। সূত্রটি m=0 এর জন্য সত্য হলে a0⋅an=an, তাই a0=1 হতেই হবে। একইভাবে a−n⋅an=a0=1 থেকে a−n=an1। যেমন 7−2=491 এবং 10−1=0.1।
মূল
যদি xn=a হয়, তবে x কে a এর একটি n তম মূল বলা হয়। n=2 হলে বর্গমূল, n=3 হলে ঘনমূল।
a>0 হলে a এর একটি অনন্য ধনাত্মক n তম মূল আছে, একে na লিখে মুখ্য মূল বলা হয়। n জোড় হলে −naও একটি মূল। যেমন 2 ও −2 দুটিই 16 এর ৪র্থ মূল।
a<0 এবং n বিজোড় হলে মূল একটিই এবং তা ঋণাত্মক: 3−27=−3।
a<0 এবং n জোড় হলে কোনো বাস্তব মূল নেই, কারণ −9 এর বর্গমূল নেই।
মূলদ ভগ্নাংশ সূচক ও অমূলদ সূচক
a>0 এবং n>1 স্বাভাবিক সংখ্যা হলে an1=na এবং anm=(na)m=nam। nm=qp হলে anm=aqp, অর্থাৎ ভগ্নাংশ সমান হলে মানও সমান।
সূচক অমূলদ হলে, যেমন 22, তখন 2=1.41421… এর কাছাকাছি মূলদ সংখ্যা নিয়ে মান ঠিক করা হয়। 21.4≈2.639, 21.41≈2.657, 21.414≈2.665; মানগুলো ক্রমশ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার কাছে যায়, সেটিই 22 এর মান।
উদাহরণ।16−43 এর মান নির্ণয় করো।
১. 1641=2, কারণ 24=16।
২. 1643=23=8।
৩. 16−43=81।
মনে রাখো: ভগ্নাংশ সূচকের হর হলো মূল, লব হলো ঘাত, আর ঋণাত্মক সূচক মানে বিপরীত সংখ্যা (উল্টো করা)।
একটি ঘরের মেঝের জন্য ১৬ m² ক্ষেত্রফলের একটি বর্গাকার কার্পেট কেনা হলো। বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য পেতে ক্ষেত্রফলের বর্গমূল নিতে হয়, যাকে সূচকের সাহায্যে ১৬^(১/২) বা ১৬^০.৫ মিটার লেখা যায়। আবার একটি পানির ট্যাংকের ধারণক্ষমতা ১৬^(৩/৪) অনুপাত অনুসারে পরিবর্তিত হয়। সূচক ০.৫ হলে ১৬^০.৫ এর মান কত মিটার হবে?
অনুশীলনের প্রশ্ন
১
নিচের কোন রাশিটির সূচক অমূলদ?
ক
532
খ
5−2
গ
59
ঘ
52
উত্তর ও ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
ঘ) 52
2 একটি অমূলদ সংখ্যা, তাই 52 রাশিটির সূচক অমূলদ। অন্যদিকে, 9=3 একটি মূলদ সংখ্যা।
এই টপিক নিয়ে প্রশ্ন আছে?
মেন্টরকে বাংলায় বা ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করো, বা খাতার ছবি দাও। সিমুলেশন চালিয়ে বুঝিয়ে দেবে।