পড়ার নোট
কতকগুলো রাশি যখন একটি বিশেষ নিয়মে ক্রমান্বয়ে এমনভাবে সাজানো হয় যে প্রত্যেক রাশি তার আগের ও পরের রাশির সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত তা জানা যায়, তখন সাজানো রাশিগুলোর সেটকে অনুক্রম বলে। যেমন স্বাভাবিক সংখ্যা এর প্রত্যেকটিকে তার বর্গের সঙ্গে মেলালে পাই ; এটি একটি অনুক্রম। সম্পর্কটি একটি ফাংশন, ।
অনুক্রমের প্রথম রাশিকে প্রথম পদ, দ্বিতীয়টিকে দ্বিতীয় পদ বলা হয়। তম পদকে সাধারণ পদ বলে, যেমন উপরের অনুক্রমের সাধারণ পদ । সাধারণ পদ দিয়ে অনুক্রমকে সংক্ষেপে লেখা হয় বা । এ অধ্যায়ে অনুক্রমের পদসংখ্যা অসীম ধরা হয়।
অনুক্রম ও ধারা এক নয়। অনুক্রমের পদগুলো পরপর যোগ চিহ্ন দিয়ে যুক্ত করলে ধারা পাওয়া যায়। অনুক্রম, আর ধারা।
উদাহরণ ১: সাধারণ পদ হলে বসিয়ে অনুক্রমটি । এর দশম পদ ।
উদাহরণ ২: অনুক্রমের সাধারণ পদ খুঁজি। লব পদের ক্রমিক নম্বর , আর হর তার চেয়ে বেশি। তাই সাধারণ পদ । যাচাই: হলে , যা তৃতীয় পদের সঙ্গে মেলে।
একটি দৈনন্দিন উদাহরণ: কেউ প্রথম দিন টাকা, দ্বিতীয় দিন টাকা, তৃতীয় দিন টাকা জমালে প্রতিদিনের জমার অনুক্রম এবং সাধারণ পদ টাকা। এখানে দিনের ক্রমিক সংখ্যা, এর কোনো একক নেই।
সাধারণ ভুল হলো সাধারণ পদ পাওয়ার পর মাত্র একটি পদ দিয়ে যাচাই করা, অথবা শূন্য থেকে শুরু করা। এখানে স্বাভাবিক সংখ্যা, তাই থেকে শুরু হয় এবং অন্তত দু-তিনটি পদ মিলিয়ে দেখা উচিত।
মনে রাখো: অনুক্রম হলো নিয়ম মেনে সাজানো রাশির সেট; সাধারণ পদ জানলে যেকোনো পদ বের করা যায়, আর পদগুলো যোগ চিহ্নে যুক্ত করলে হয় ধারা।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।