পড়ার নোট
ধাতু নিষ্কাশনের জন্য বিভিন্ন আকরিক চিনতে পারা দরকার। প্রতিটি আকরিকের একটি নাম, একটি রাসায়নিক সংকেত এবং তা থেকে পাওয়া ধাতু আছে। বেশির ভাগ আকরিক ধাতুর অক্সাইড, সালফাইড বা কার্বনেট যৌগ।
| ধাতু | আকরিক | সংকেত | যৌগের ধরন |
|---|---|---|---|
| মার্কারি | সিনাবার | সালফাইড | |
| জিংক | জিংক ব্লেন্ড | সালফাইড | |
| জিংক | ক্যালামাইন | কার্বনেট | |
| লেড | গ্যালেনা | সালফাইড | |
| আয়রন | ম্যাগনেটাইট | অক্সাইড | |
| আয়রন | হেমাটাইট | অক্সাইড | |
| আয়রন | লিমোনাইট | আর্দ্র অক্সাইড | |
| কপার | কপার পাইরাইট | সালফাইড | |
| কপার | চালকোসাইট | সালফাইড | |
| অ্যালুমিনিয়াম | বক্সাইট | আর্দ্র অক্সাইড | |
| ক্যালসিয়াম | চুনাপাথর | কার্বনেট |
এ ছাড়া সমুদ্রের পানির সোডিয়ামের উৎস, আর লোহার সালফাইড আয়রন পাইরাইটস () থেকেও লোহা নিষ্কাশন করা যায়।
চেহারা দেখে চেনা
ছবিতে আকরিকগুলো দেখতে আলাদা: সিনাবার লাল, গ্যালেনা ধূসর ও ধাতব চকচকে, কপার পাইরাইট সোনালি হলুদ, হেমাটাইট লালচে, ম্যাগনেটাইট কালো এবং চুম্বকে আকৃষ্ট হয়, আর বক্সাইট মাটির মতো। চৌম্বক ধর্মের কারণেই ক্রোমাইটের মতো আকরিক চৌম্বকীয় পৃথকীকরণে আলাদা করা যায়।
সংকেত থেকে প্রক্রিয়া বোঝা
আকরিকের ধরন থেকে বোঝা যায় এর প্রথম ধাপ কী হবে: সালফাইড আকরিককে বাতাসে তাপ দিয়ে তাপজারণ করা হয়, আর কার্বনেট বা আর্দ্র অক্সাইডকে বাতাসের অনুপস্থিতিতে তাপ দিয়ে ভস্মীকরণ করা হয়।
উদাহরণ: গ্যালেনা () থেকে লেড পেতে প্রথমে কী করতে হবে? এটি সালফাইড আকরিক, তাই প্রথমে তাপজারণ করে অক্সাইডে রূপান্তর: । ক্যালামাইন () কার্বনেট, তাই ভস্মীকরণ: ।
মনে রাখো: প্রতিটি আকরিকের নাম ও সংকেত থেকে তার ধাতু এবং যৌগের ধরন বোঝা যায়; সালফাইড আকরিকে তাপজারণ আর কার্বনেট আকরিকে ভস্মীকরণ প্রথম ধাপ।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।