পড়ার নোট
প্রধান শক্তিস্তর ও উপশক্তিস্তরের ধারণক্ষমতা
সূত্র একটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা জানায়: । এখানে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা এবং প্রধান শক্তিস্তরের ক্রম; দুটিই এককবিহীন, কোনো SI একক নেই।
- K-এর জন্য , তাই টি।
- L-এর জন্য , তাই টি।
- M-এর জন্য , তাই টি।
- N-এর জন্য , তাই টি।
প্রধান শক্তিস্তরের অন্তর্গত ভাগগুলো হলো উপশক্তিস্তর। এগুলোর পরিচয় s, p, d, f। K-তে 1s; L-তে 2s, 2p; M-তে 3s, 3p, 3d; N-তে 4s, 4p, 4d, 4f থাকে। সামনের সংখ্যা প্রধান শক্তিস্তর এবং অক্ষর উপশক্তিস্তরের ধরন বোঝায়।
উপশক্তিস্তরের সূচক -এর মান শূন্য থেকে পর্যন্ত। s, p, d, f-এর জন্য যথাক্রমে । উপশক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা ; এখানে ও ইলেকট্রন সংখ্যা এককবিহীন। ফলে s, p, d, f যথাক্রমে ২, ৬, ১০, ১৪টি ইলেকট্রন ধারণ করে। M-এর উপশক্তিস্তরগুলোর মোট ধারণক্ষমতা টি।
শক্তিক্রম মেনে ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন প্রথমে কম শক্তির উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে। কম হলে শক্তি কম; যোগফল সমান হলে কম যার, সেটি আগে পূর্ণ হয়। এখানে ও আগের এককবিহীন সূচক। 4s-এর যোগফল , কিন্তু 3d-এর । তাই 3d-এর আগে 4s পূর্ণ হয়।
ফলে ক্যালসিয়ামের বিন্যাস ২, ৮, ৮, ২; M-এর ধারণক্ষমতা ১৮ হলেও সেখানে তখন ৮টি থাকে। বাইরের স্তরে আট ইলেকট্রনের স্থিতিশীল বিন্যাসের ধারণা থেকে M-এর সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা আট বলা ভুল।
অক্সিজেনের ৮টি ইলেকট্রনের বিন্যাস ২, ৬; অ্যালুমিনিয়ামের ১৩টির বিন্যাস ২, ৮, ৩। অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি এই মৌলের পরিচিত ব্যবহার। এবার নিরপেক্ষ ম্যাগনেসিয়ামের ১২টি ইলেকট্রন সাজাই:
- 1s-এ ২টি বসিয়ে অবশিষ্ট টি।
- 2s-এ ২টি এবং 2p-তে ৬টি বসিয়ে অবশিষ্ট টি।
- শেষ ২টি 3s-এ বসবে: । উপরের সংখ্যাগুলো সংশ্লিষ্ট উপশক্তিস্তরের ইলেকট্রন সংখ্যা।
- প্রধান স্তর অনুযায়ী বিন্যাস ২, ৮, ২; যোগফল । সব গণনা এককবিহীন।
চূড়ান্ত বিন্যাস লেখার সময় একই প্রধান শক্তিস্তরের উপশক্তিস্তর পাশাপাশি রাখবে। সাধারণ ভুল হলো সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতাকে প্রকৃত ইলেকট্রন সংখ্যা বা পূরণের ক্রম মনে করা।
মনে রাখো: সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা দেয়; কোন উপশক্তিস্তরে আগে ইলেকট্রন যাবে, তা শক্তিক্রম নির্ধারণ করে।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।