অরবিট বা প্রধান শক্তিস্তর
বোরের পরমাণু মডেল অনুযায়ী ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারপাশে কয়েকটি নির্দিষ্ট শক্তির পথে ঘোরে; এগুলোই কক্ষপথ বা প্রধান শক্তিস্তর, যাদের দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছের স্তর K (), তারপর L, M, N। কোনো স্তরে সর্বোচ্চ টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।
অরবিটাল বা উপশক্তিস্তর
প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তর আবার কয়েকটি উপশক্তিস্তরে বিভক্ত; পাঠ্যবইয়ে এই উপশক্তিস্তরগুলোকেই অরবিটাল বলা হয়েছে। উপশক্তিস্তরকে দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, আর -এর মান ০ থেকে পর্যন্ত:
- : , একটি অরবিটাল: 1s
- : , দুটি অরবিটাল: 2s, 2p
- : , তিনটি অরবিটাল: 3s, 3p, 3d
- : , চারটি অরবিটাল: 4s, 4p, 4d, 4f
একটি অরবিটালে সর্বোচ্চ টি ইলেকট্রন থাকে: s ()-এ ২, p ()-এ ৬, d ()-এ ১০, f ()-এ ১৪। একটি শক্তিস্তরের সব অরবিটালের ইলেকট্রন যোগ করলে পাওয়া যায়; যেমন M স্তরে ।
কেন অরবিটাল জানা দরকার
পটাশিয়ামের ১৯তম ইলেকট্রন M স্তর (ধারণক্ষমতা ১৮) পূর্ণ হওয়ার আগেই N স্তরে চলে যায়। কেবল কক্ষপথ দিয়ে এটা ব্যাখ্যা করা যায় না। অরবিটালের শক্তি -এর মানের উপর নির্ভর করে: 4s-এর জন্য , 3d-এর জন্য । তাই 4s-এর শক্তি কম, আর ইলেকট্রন আগে 4s-এ যায়।
সাধারণ ভুল
- অরবিট আর অরবিটালকে একই বলা। অরবিট হলো প্রধান শক্তিস্তর; অরবিটাল তার ভেতরের উপশক্তিস্তর।
- অরবিটালের ধারণক্ষমতা লেখা। পুরো শক্তিস্তরের; অরবিটালের ধারণক্ষমতা ।