offSchoolবেটা

জীববিজ্ঞান · অধ্যায় ১২ · টপিক ২০

জৈব অভিব্যক্তির প্রমাণসমূহ

পড়ার নোট

জৈব অভিব্যক্তির পক্ষে বিজ্ঞানীরা যেসব প্রমাণ পেয়েছেন, তার প্রধানগুলো এই।

  • সমসংস্থ অঙ্গ: পাখির ডানা, বাদুড়ের ডানা, তিমির ফ্লিপার, ঘোড়ার অগ্রপদ ও মানুষের হাত দেখতে আলাদা, কিন্তু এদের অস্থিবিন্যাসের মৌলিক গঠন একই ধরনের। এটা প্রমাণ করে যে এদের পূর্বপুরুষ এক।
  • সমবৃত্তি অঙ্গ: একই পরিবেশের প্রভাবে বাদুড় ও পতঙ্গ, দুজনেই ওড়ার অঙ্গ পেয়েছে, তবে ভিন্ন উপায়ে। কাজ এক, গঠন আলাদা।
  • লুপ্ত বা লুপ্তপ্রায় অঙ্গ: তৃতীয় অক্ষিপুট, লেজের অস্থির মতো অঙ্গ আদি পূর্বসূরিতে ছিল, কিন্তু পরের জীবে নেই বা কোনো কাজে আসে না।
  • সংযোগকারী জীব (কানেকটিং লিংক): প্লাটিপাস, মাডস্কিপার ও নিটামের মধ্যে একাধিক জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য আছে। খুঁজে পাওয়ার আগে এদের মিসিং লিংক বলা হতো।
  • ভ্রূণের মিল: মাছ, উভচর, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ীর ভ্রূণে কোনো না কোনো পর্যায়ে ফুলকা ও লেজ থাকে এবং তারা দেখতে একরকম।
  • ফসিল বা জীবাশ্ম: ভূগর্ভের শিলাস্তরে চাপা পড়া জীবের প্রস্তরীভূত দেহ বা দেহছাপ। কিছু জীব সুদূর অতীতে উদ্ভূত হয়ে প্রায় না বদলে এখনো টিকে আছে, এদের লিভিং ফসিল বলে, যেমন লিমুলাস ও গিঙ্কো বাইলোবা।
  • জিন ও প্রোটিনের তুলনা: এখন অনেক জীবের জিনোম জানা আছে, তাই এক জীবের DNA বা RNA এর নিউক্লিওটাইড বা প্রোটিনের অ্যামাইনো এসিডের সজ্জা অন্য জীবের সাথে মেলানো সহজ। সজ্জা যত বেশি মেলে, দুই জীব তত কাছের।

এসব প্রমাণ মিলিয়ে বোঝা যায়, বর্তমানের বৈচিত্র্যময় জীব সাধারণ পূর্বপুরুষ থেকে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এসেছে।

মনে রাখো: সমসংস্থ ও সমবৃত্তি অঙ্গ, লুপ্ত অঙ্গ, সংযোগকারী জীব, ভ্রূণের মিল, ফসিল এবং জিন-প্রোটিনের তুলনা জৈব অভিব্যক্তির প্রমাণ।

২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।

এই টপিক নিয়ে প্রশ্ন আছে?

মেন্টরকে বাংলায় বা ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করো, বা খাতার ছবি দাও। সিমুলেশন চালিয়ে বুঝিয়ে দেবে।

মেন্টরকে জিজ্ঞেস করো