পড়ার নোট
প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারের গুরুত্ব
সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় তথ্য আকর্ষণীয় ও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের জন্য প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার ব্যবহার হয়। উদাহরণ: পাওয়ার পয়েন্ট (মাইক্রোসফট অফিসের অংশ), গুগল স্লাইডস, ইমপ্রেস। এতে লেখা, ছবি, অডিয়ো, ভিডিয়ো ও গ্রাফ একসঙ্গে দেখানো যায়। এ কাজে এর বিকল্প নেই বললেই চলে, তাই এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশ হলো স্লাইড। ওয়ার্ড ফাইলে যেমন অনেক পৃষ্ঠা, প্রেজেন্টেশনে তেমন অনেক স্লাইড। একাধিক স্লাইডসহ একটি পৃষ্ঠাকে হ্যান্ড আউটস বলে। পরিকল্পিত উপস্থাপনার খসড়াকে বলে Slide Layout।
স্লাইড তৈরি ও উপস্থাপন
- খোলা: Start বোতাম থেকে All Programs, তারপর Microsoft Office, তারপর Microsoft Office PowerPoint। প্রথম স্লাইডে Click to add title ও subtitle বক্স আসে; ক্লিক করে শিরোনাম টাইপ করা যায়।
- লেখা: Home মেনুর টেক্সট বক্স দিয়ে বক্স বানিয়ে ফন্ট, আকার ও রং ঠিক করা যায়। বাংলা লিখতে কীবোর্ড বাংলায় নিতে হয়।
- সংরক্ষণ: File মেনুর Save দিয়ে নাম দিয়ে ফাইল রাখা হয়।
- নতুন স্লাইড: Home মেনুর New Slide বা Ctrl+M।
- প্রদর্শন: F5 চাপলে প্রথম স্লাইড থেকে শো শুরু; ডান তীর পরের স্লাইডে, বাম তীর আগেরটিতে; Shift+F5 বর্তমান স্লাইড থেকে শুরু; Esc দিয়ে সম্পাদনায় ফেরা।
- ব্যাকগ্রাউন্ড: Design মেনুর Background Style থেকে রং বা ছবি।
- ছবি: Insert মেনুর Picture।
- ট্রানজিশন: Animations মেনু থেকে স্লাইড বদলের ইফেক্ট; Apply To All দিলে সব স্লাইডে একই হয়। আলাদা টেক্সট বক্সে Custom Animation এর Add Effect দিয়ে Blinds, Fly in, Diamond ইত্যাদি দেওয়া যায়। Transition Sound দিয়ে শব্দ যোগ হয়।
- ভিডিয়ো: Insert মেনুর Movie from file, তারপর Automatically বা When Clicked বেছে নিতে হয়।
মনে রাখো: পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড বানাতে হয় পরিকল্পনা (Slide Layout) অনুযায়ী, F5 চেপে দেখে নিলেই বোঝা যায় উপস্থাপন ঠিক হয়েছে কি না।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।