পড়ার নোট
বাড়ির কাজ: প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম ব্যবহারের উপকারিতা
প্রাকৃতিক গ্যাস আর পেট্রোলিয়াম আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম জ্বালানি। এগুলো মাটির নিচে লক্ষ কোটি বছর ধরে উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি হয়েছে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের উপকারিতা:
- এটি মূলত মিথেন () দিয়ে তৈরি, যা পরিষ্কার জ্বালানি। জ্বালালে কম ধোঁয়া ও কম দূষণ হয়।
- বাড়িতে রান্নার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারে যে গ্যাস থাকে, তা মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে পাওয়া প্রোপেন বা বিউটেন।
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এটি কয়লার চেয়ে পরিবেশবান্ধব এবং দ্রুত শক্তি দেয়।
- সার (যেমন ইউরিয়া) তৈরির কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
পেট্রোলিয়ামের উপকারিতা:
- পেট্রোলিয়াম হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। এটি থেকে পাওয়া যায় পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, লুব্রিকেটিং তেল ইত্যাদি।
- পেট্রোল আর ডিজেল গাড়ি, ট্রাক, ট্রাক্টর, রিকশা মোটর ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কেরোসিন ছোট ছোট চুলায় রান্না বা ল্যাম্পে আলো জ্বালাতে ব্যবহার করা হয়।
- পেট্রোলিয়াম থেকে প্লাস্টিক, কাপড়, রং, কীটনাশক ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
NCTB গাইডলাইন অনুযায়ী, রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের চেয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অন্যান্য দ্রব্য তৈরিতে এগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এগুলো সীমিত সম্পদ, তাই সঠিকভাবে ব্যবহার করা জরুরি।
মনে রাখো: প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম শুধু রান্না বা গাড়ি চালানোর জন্য নয়, বিদ্যুৎ, সার, প্লাস্টিক ইত্যাদি তৈরির জন্যও অপরিহার্য।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।