পড়ার নোট
ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। বিশ্বের নানা জায়গার সার্ভারে রাখা ওয়েব পেইজ দেখানোর সফটওয়্যারকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। ওয়েব পেইজ পরিদর্শন করাকে বলে ওয়েব ব্রাউজিং। ১৯৯০ সালে টিম বার্নার্স লি সর্বপ্রথম ব্রাউজার তৈরি করেন, যার নাম WorldWideWeb। জনপ্রিয় ব্রাউজারের মধ্যে আছে গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারি, ওপেরা এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বা মাইক্রোসফট এজ।
ব্রাউজারের কিছু সাধারণ শব্দ:
- URL: ওয়েবসাইট বা পেইজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা। পূর্ণরূপ Uniform Resource Locator। শুধু
www.example.comবাexample.comকে URL বলা হয় না। এর তিনটি অংশ: (১) প্রোটোকলের নাম, (২) হোস্টনেইম, (৩) ফাইলের অবস্থানসহ নাম। যেমনhttp://www.google.com/maps-এ http:// প্রোটোকল,www.google.comহোস্টনেইম, আর /maps ফাইলের অবস্থান। - হোম পেইজ: কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ওয়েবসাইটের মূল পেইজ। ঠিকানা টাইপ করার সঙ্গে সঙ্গে যে পেইজ আসে সেটিই।
- বুকমার্ক: ওয়েব পেইজের তালিকা। এখান থেকে নাম বেছে সরাসরি সেই পেইজে যাওয়া যায়।
- রিলোড/রিফ্রেশ: যে পেইজের ডেটা ক্রমাগত বদলায়, তা পড়ার সময় নতুন কিছু এসেছে কি না দেখতে এই কমান্ড দিতে হয়। ডাইনামিক ওয়েব পেইজের জন্য এটি খুব জরুরি।
- স্টপ: পেইজ লোড হওয়ার সময় সেটি না দেখার সিদ্ধান্ত নিলে Stop বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড বন্ধ করা হয়।
- সার্চ: ইন্টারনেটে কিছু খোঁজা।
- সার্চ ইঞ্জিন: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে তথ্য খুঁজে বের করার সফটওয়্যার টুল। যেমন Google, Yahoo, Bing।
উদাহরণ: ক্রিকেটের চলমান স্কোর দেখতে পেইজ রিফ্রেশ করতে হয়, আর পরীক্ষার ফলাফলের সাইট বুকমার্ক করে রাখলে বারবার ঠিকানা টাইপ করতে হয় না।
মনে রাখো: ব্রাউজার ওয়েব পেইজ দেখায়, আর URL-এর তিন অংশ হলো প্রোটোকল, হোস্টনেইম ও ফাইলের অবস্থান।
২০২৬ সালের NCTB পাঠ্যবই অনুসরণ করে লেখা।